ঢাকা ১২:২৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ মে ২০২৪, ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

শুল্ক কমানোর পরেও কাঙ্ক্ষিত মাত্রায় কমেনি চিনির দাম, সুফল শুল্ক পাচ্ছেন না ক্রেতারা

কাঙ্ক্ষিত মাত্রায় কমেনি চিনির দাম। আর তাতে শুল্ক কমানোর সুফল পাচ্ছেন না ক্রেতা। রোজার আগে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বৈঠক করে দাম কমার আশ্বাস দিয়েছিলেন বাণিজ্যমন্ত্রী। কিন্তু বাস্তবে তা হয়নি।
পাইকারি বাজারে প্রতিকেজি খোলা চিনি বিক্রি হচ্ছে ১১২ টাকায়। সেই চিনি খুচরা পর্যায়ে গিয়ে দাম দাঁড়াচ্ছে ১১৫ থেকে ১২০ টাকা পর্যন্ত। আর প্যাকেটজাত চিনির গায়ে লেখা দাম ১১২ টাকা থাকলেও বিক্রি হচ্ছে ১১৫ টাকা পর্যন্ত। তবে, প্যাকেট করা চিনি খুচরা বাজারে পাওয়া যাচ্ছে কম।
রাজধানীর বাজারে একাধিক বিক্রেতা বললেন, দাম আগেরটাই আছে, কমেনি। এক ক্রেতা বলেন, যারা বেসরকারি চাকুরিজীবী, তাদের বাসা ভাড়া দেয়ার পর তেমন কিছু থাকে না। তাদের চিনিসহ নিত্যপণ্য কিনতে অনেক কষ্ট হয়।
চিনির আমদানি পর্যায়ে ৫ শতাংশ নিয়ন্ত্রণমূলক শুল্ক কমায় এনবিআর। এছাড়া, প্রতি টন অপরিশোধিত চিনি আমদানির ওপর প্রযোজ্য ৩ হাজার টাকা এবং পরিশোধিত চিনিতে ৬ হাজার টাকা আমদানি শুল্ক প্রত্যাহার করা হয়। কিন্তু এক মাসেও শুল্ক কমানোর প্রভাব বাজারে নেই বললেই চলে।
আরও একাধিক বিক্রেতা জানান, ১৫০০ টাকার চিনির বস্তায় লাভ হতো ১০ টাকা। এখন ৫৪০০-৫৫০০ টাকার বস্তায়ও একই লাভ। তাদের হিসেবে চিনির বাজারে দাম অত্যাধিক বেশি। এক বয়স্ক ক্রেতা বলেন, যারা মধ্যবিত্ত তাদের পক্ষে এত উচ্চমূল্যে কেনা কঠিন। উচ্চবিত্তের জন্য তা কিছুই না।
উল্লেখ্য, দেশে মোট চিনির চাহিদা ২০ লাখ টন। এর মধ্যে মাত্র আড়াই লাখ মেট্রিক টন চিনি উৎপাদন করে রাষ্ট্রায়ত্ব চিনি ও খাদ্য করপোরেশন।

আপলোডকারীর তথ্য

নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে যুদ্ধ বিরতি চুক্তিতে বাধা দেয়ার অভিযোগ

শুল্ক কমানোর পরেও কাঙ্ক্ষিত মাত্রায় কমেনি চিনির দাম, সুফল শুল্ক পাচ্ছেন না ক্রেতারা

আপডেট সময় : ১১:৩১:২৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ মার্চ ২০২৩

কাঙ্ক্ষিত মাত্রায় কমেনি চিনির দাম। আর তাতে শুল্ক কমানোর সুফল পাচ্ছেন না ক্রেতা। রোজার আগে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বৈঠক করে দাম কমার আশ্বাস দিয়েছিলেন বাণিজ্যমন্ত্রী। কিন্তু বাস্তবে তা হয়নি।
পাইকারি বাজারে প্রতিকেজি খোলা চিনি বিক্রি হচ্ছে ১১২ টাকায়। সেই চিনি খুচরা পর্যায়ে গিয়ে দাম দাঁড়াচ্ছে ১১৫ থেকে ১২০ টাকা পর্যন্ত। আর প্যাকেটজাত চিনির গায়ে লেখা দাম ১১২ টাকা থাকলেও বিক্রি হচ্ছে ১১৫ টাকা পর্যন্ত। তবে, প্যাকেট করা চিনি খুচরা বাজারে পাওয়া যাচ্ছে কম।
রাজধানীর বাজারে একাধিক বিক্রেতা বললেন, দাম আগেরটাই আছে, কমেনি। এক ক্রেতা বলেন, যারা বেসরকারি চাকুরিজীবী, তাদের বাসা ভাড়া দেয়ার পর তেমন কিছু থাকে না। তাদের চিনিসহ নিত্যপণ্য কিনতে অনেক কষ্ট হয়।
চিনির আমদানি পর্যায়ে ৫ শতাংশ নিয়ন্ত্রণমূলক শুল্ক কমায় এনবিআর। এছাড়া, প্রতি টন অপরিশোধিত চিনি আমদানির ওপর প্রযোজ্য ৩ হাজার টাকা এবং পরিশোধিত চিনিতে ৬ হাজার টাকা আমদানি শুল্ক প্রত্যাহার করা হয়। কিন্তু এক মাসেও শুল্ক কমানোর প্রভাব বাজারে নেই বললেই চলে।
আরও একাধিক বিক্রেতা জানান, ১৫০০ টাকার চিনির বস্তায় লাভ হতো ১০ টাকা। এখন ৫৪০০-৫৫০০ টাকার বস্তায়ও একই লাভ। তাদের হিসেবে চিনির বাজারে দাম অত্যাধিক বেশি। এক বয়স্ক ক্রেতা বলেন, যারা মধ্যবিত্ত তাদের পক্ষে এত উচ্চমূল্যে কেনা কঠিন। উচ্চবিত্তের জন্য তা কিছুই না।
উল্লেখ্য, দেশে মোট চিনির চাহিদা ২০ লাখ টন। এর মধ্যে মাত্র আড়াই লাখ মেট্রিক টন চিনি উৎপাদন করে রাষ্ট্রায়ত্ব চিনি ও খাদ্য করপোরেশন।