ইইউ – দৈনিক অন্যদিগন্ত https://thedailyannadiganta.com সত্য ও সুন্দরের খোঁজে প্রতিদিন Fri, 08 Mar 2024 17:15:46 +0000 en-US hourly 1 https://wordpress.org/?v=6.9.4 https://thedailyannadiganta.com/wp-content/uploads/2023/04/cropped-onnodigonto_fav-32x32.jpg ইইউ – দৈনিক অন্যদিগন্ত https://thedailyannadiganta.com 32 32 সাত জানুয়ারি ভোটাররা পরিপূর্ণভাবে গণতান্ত্রিক অধিকার চর্চা করতে পারেনি: ইইউ’র প্রতিবেদন https://thedailyannadiganta.com/archives/2339 https://thedailyannadiganta.com/archives/2339#respond Fri, 08 Mar 2024 17:15:46 +0000 https://thedailyannadiganta.com/?p=2339 দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন কিছু আন্তর্জাতিক গণতান্ত্রিক নির্বাচনের মানদণ্ড পূরণ করতে পারেনি বলে জানিয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন। ৭ জানুয়ারির নির্বাচন নিয়ে শুক্রবার (৮ মার্চ) একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে ইইউ’র নির্বাচন বিশেষজ্ঞ মিশন। প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
এতে বলা হয়, নাগরিক ও রাজনৈতিক অধিকার যেমন- সমাবেশ, সমিতি, আন্দোলন, এবং বক্তৃতা প্রতিযোগিতামূলক নির্বাচনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হলেও বাংলাদেশের নির্বাচনের ক্ষেত্রে সেটি সীমাবদ্ধ ছিল। বিচারিক কার্যক্রম এবং গণগ্রেফতারের মাধ্যমে বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর তৎপরতা মারাত্মকভাবে সীমিত হয়ে পড়ে। রাজনৈতিক দলগুলোর আসন ভাগাভাগির চুক্তি এবং আওয়ামী লীগের নিজস্ব প্রার্থী ও দলের সাথে যুক্ত ‘স্বতন্ত্র প্রার্থীদের’ মধ্যে প্রতিযোগিতা ভোটারদের স্বাধীনতাকে স্বীকৃতি দেয়নি বলেও এতে উল্লেখ করা হয়।
প্রতিবেদনে বলা হয়, গণমাধ্যম এবং সুশীল সমাজের জন্য বাকস্বাধীনতা নিশ্চিত করার মতো পরিবেশ ছিল না। নির্বাচনের কোনো স্বাধীন মূল্যায়ন নির্দলীয় নাগরিক সমাজ দ্বারা পরিচালিত হয়নি।
ইইউ বলে, সাত জানুয়ারির নির্বাচন ছিল একটি অত্যন্ত মেরুকৃত রাজনৈতিক পরিবেশে পরিচালিত নির্বাচন। বিএনপি ও তার জোট শরিকরা নির্বাচন বয়কট করায় এতে সত্যিকারের প্রতিযোগিতার অভাব ছিল। ২০২৩ সালের ২৮ অক্টোবরের ঘটনায় দেশের নাগরিক ও রাজনৈতিক পরিবেশের উল্লেখযোগ্য অবনতি হয় বলে মনে করেন ইইউর প্রতিনিধিরা।
বিএনপির বিষয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়, নির্বাচনের পুরো সময়জুড়ে বিরোধী দলগুলোর সমাবেশ, সমিতি, আন্দোলন এবং বক্তৃতার স্বাধীনতা কঠোরভাবে সীমিত করা হয়। গ্রেফতার এড়িয়ে যেকোনও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনার ক্ষমতা বিএনপির পক্ষে অসম্ভব ছিল। কারণ- প্রায় সব সিনিয়র নেতৃত্বকে কারাবন্দি করা হয়। নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় যেকোনো প্রতিদ্বন্দ্বিতা ঠেকাতে ফৌজদারি অভিযোগ গঠন একটি কৌশলের অংশ বলেও দাবি করা হয় প্রতিবেদনে।
নির্বাচন কমিশনের বিষয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কমিশনের ব্যাপক ক্ষমতা থাকলেও আত্মবিশ্বাসের অভাব ছিল। তাই তারা একটি বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন দিতে সক্ষম হয়নি বলে মনে করে কিছু স্টেকহোল্ডার। তাদের ধারণা, ভোটদান এবং গণনা প্রক্রিয়ার সময় কমিশনের স্বাধীন মর্যাদা সম্পূর্ণরূপে নিশ্চিত করা হয়নি।
আরও বলা হয়, অযথাই প্রার্থীদের অধিকারকে সীমিত করা হয়েছে। নির্বাচনী প্রচারণা সমাবেশ যেমন- আন্দোলন এবং বক্তৃতার স্বাধীনতার উপর ব্যাপক সীমাবদ্ধতার প্রতিফলন লক্ষ্য করা গেছে। ফলে একটি সম্পূর্ণ প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশের অভাব ছিল। আওয়ামী লীগই ছিল একমাত্র দল যারা বৃহৎ প্রচার র‍্যালিসহ যেকোন উল্লেখযোগ্য কার্যক্রম সংগঠিত করতে পেরেছে।

]]>
https://thedailyannadiganta.com/archives/2339/feed 0
রাশিয়ার নিরাপত্তা হুমকি ইইউ মেনে নেবে না : ইইউ প্রধান https://thedailyannadiganta.com/archives/974 https://thedailyannadiganta.com/archives/974#respond Wed, 08 Mar 2023 08:32:20 +0000 http://thedailyannadiganta.com/?p=974 ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডের লিয়েন কানাডার পার্লামেন্টে মঙ্গলবার ভাষণ দেওয়ার সময় বলেছেন, নিরাপত্তার ক্ষেত্রে রাশিয়ার হুমকি ইউরোপ কখনো মেনে নেবে না। ইউক্রেনের প্রতি সমর্থন জোরদার করতে তিনি বর্তমানে কানাডা সফর করছেন। খবর এএফপি’র।
রাশিয়ার ইউক্রেন আগ্রাসের এক বছরেরও বেশি সময় পর দেওয়া এক বক্তব্যে তিনি বলেন, ‘আন্তর্জাতিক সীমান্তজুড়ে ট্যাঙ্ক ব্যবহার করে সা¤্রাজ্য গড়ার পরিকল্পনা নেওয়া কোন সামরিক শক্তিকে আমরা মেনে নেব না।’
তিনি আরো বলেন, ২৭টি দেশকে নিয়ে গঠিত এই জোট ‘ইউরোপীয় নিরাপত্তা এবং আমাদের আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের মূল ভিত্তির ক্ষেত্রে এই হুমকি কখনো মেনে নেয়া যায় না।’
ভন ডের লিয়েন ইউক্রেনের জন্য ‘দ্রুত সামরিক ও অর্থনৈতিক সহায়তার’ আহ্বান জানিয়েছেন এবং তিনি এই ধরনের অপরাধের বিচারের জন্য একটি বিশেষ আদালত গঠনে নভেম্বরে প্রস্তাব দেওয়ার পর ‘রাশিয়ার আগ্রাসন মোকাবেলায় অর্থ প্রদান’ করতে তাদের প্রতি ফের আহ্বান জানান।
আন্তর্জাতিক নারী দিবসের প্রাক্কালে ভন ডের লিয়েন ইউক্রেনের নারী সৈন্যদের প্রশংসা করেন। যুদ্ধের আগে তাদেরকে যুদ্ধের দায়িত্ব পালন করা থেকে বিরত থাকতে বলা হয়েছিল। কিন্তু তারা ‘এ কথাকে পাত্তা না দিয়ে যে কোন উপায়ে সেনাবাহিনীতে যোগ দেওয়া শুরু করেন।’
রাশিয়া ইউক্রেনে তাদের যুদ্ধ কৌশলের অংশ হিসেবে ধর্ষণ ও যৌন সহিংসতা চালাচ্ছে, জাতিসংঘের এমন অভিযোগের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘এটি কেবল ইউক্রেনের যুদ্ধ নয়। এটি মানবাধিকারের বিরুদ্ধেও একটি যুদ্ধ এবং এটি নারীর অধিকারের বিরুদ্ধে যুদ্ধ।’
তিনি বলেন, ইউক্রেনীয় নারীরা ‘পাল্টা লড়াই করছে।’
ইইউ প্রধান আরো বলেন, যুদ্ধ শুরুর পর থেকে ইউক্রেন সামরিক বাহিনীতে কর্মরত নারীদের সংখ্যা দ্বিগুণ হয়েছে।
তিনি বলেন, ‘এই নারীরা রাশিয়ান হানাদারদের মাথার উপরে কাঁচের ছাদও ভেঙ্গে দিয়েছেন।

]]>
https://thedailyannadiganta.com/archives/974/feed 0