ইউপি নির্বাচন – দৈনিক অন্যদিগন্ত https://thedailyannadiganta.com সত্য ও সুন্দরের খোঁজে প্রতিদিন Tue, 14 Mar 2023 12:26:22 +0000 en-US hourly 1 https://wordpress.org/?v=6.9.4 https://thedailyannadiganta.com/wp-content/uploads/2023/04/cropped-onnodigonto_fav-32x32.jpg ইউপি নির্বাচন – দৈনিক অন্যদিগন্ত https://thedailyannadiganta.com 32 32 জীবননগরে ছয় ইউপি নির্বাচনের শেষ মুহূর্তের প্রচারণায় ব্যস্ত প্রার্থীরা, ঘুরছেন ভোটারদের দ্বারে দ্বারে https://thedailyannadiganta.com/archives/1189 https://thedailyannadiganta.com/archives/1189#respond Tue, 14 Mar 2023 09:19:17 +0000 http://thedailyannadiganta.com/?p=1189 আগামী ১৬ই মার্চ প্রথমবারের মতো ইভিএম পদ্ধতিতে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে জীবননগর উপজেলার মনোহরপুর, কেডিকে, হাসাদাহ, রায়পুর, বাঁকা ও উথলী ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন। নির্বাচনকে ঘিরে শেষ সময়ে ব্যাপক জল্পনা-কল্পনা শুরু হয়েছে প্রার্থী, সমর্থক ও ভোটারদের মধ্যে। সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত প্রার্থীরা ঘুরছেন ভোটারদের দ্বারে দ্বারে। গোটা এলাকা ছেয়ে গেছে পোস্টার ও ফেস্টুনে। নির্বাচনে বিজয় লাভে প্রার্থীরা দিচ্ছেন বিভিন্ন ধরনের প্রতিশ্রুতি, বলছেন উন্নয়নমূলক কাজের কথা।
জানা যায়, জীবননগর উপজেলার ৬টি ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী ২৭ জন, সাধারণ সদস্য পদে ১৭৪ জন এবং সংরক্ষিত সদস্য পদে ৫৫ জন প্রার্থী অংশগ্রহণ করছেন। এ নির্বাচনে বিএনপি দলীয়ভাবে প্রার্থী না দিলেও নেতারা স্বতন্ত্র হিসেবে নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন। এছাড়া আওয়ামী লীগের দলীয় প্রার্থী থাকা সত্ত্বেও একাধিক ইউপিতে আওয়ামী লীগের স্বতন্ত্র প্রার্থী (বিদ্রোহী) নির্বাচনে অংশগ্রহণ করছেন। তবে এবার নির্বাচনে গুঞ্জন উঠেছে মনোহরপুর ও কেডিকে ইউনিয়ন ব্যতীত অন্য চারটি ইউনিয়নে নৌকাকে ঠেকাতে জোর প্রচারণা চালাচ্ছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী ও সমর্থকেরা। অন্যদিকে, আওয়ামী লীগের দলীয় প্রার্থীদের বিরুদ্ধে নির্বাচনে বাঁধা দেওয়া, মাইকিং বন্ধ করাসহ বিভিন্ন অভিযোগ তুলেছেন স্বতন্ত্র প্রার্থীরা।
স্থানীয় ভোটারদের সঙ্গে কথা বললে তাঁরা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, এক সময় নির্বাচন এলে চায়ের দোকান, পাড়া-মহল্লায় উৎসবের আমেজ থাকত। দল-মত নির্বিশেষে প্রার্থীরা নির্বাচনের মাঠে থাকতেন। কিন্তু বর্তমান নির্বাচনের সময়ে প্রার্থীদের পাশাপাশি ভোটাররা পিঠ বাঁচানোর জন্য প্রয়োজন ছাড়া ঘর থেকে কেউ বের হতে পারছেন না। নির্বাচনের সময় অযথা নিরীহ ভ্যানচালক, দিনমজুররা নেতাদের কাছে মারধর খেয়ে হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছেন। প্রশাসন যেখানে নীরব, সেখানে এ নির্বাচন দেওয়ার চেয়ে না দেওয়ায় ভালো।
উথলী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রাথী আবজালুর রহমান ধীরু বলেন, ‘নির্বাচন হওয়ার আগেই আওয়ামী লীগের দলীয় প্রার্থী ও সমর্থকরা ভোটারদের বাড়িতে গিয়ে ভোটকেন্দ্রে যেতে নিষেধ করছেন। প্রতিদিন রাতে বহিরাগত ব্যক্তিরা উথলী ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে প্রবেশ করছে এবং হুমকি দিচ্ছে। নির্বাচনের আগেই যদি এমন হয়, তা হলে নির্বাচনের দিন কোনো ভোটার ভোট দিতে যাবে না। আমরা চাই নির্বাচন কমিশন একটি অবাধ সুষ্ঠু নির্বাচন উপহার দিক। তাতে যে বিজয় লাভ করবে, সেটাই আমরা মেনে নেব।’ রায়পুর ইউনিয়নের স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী ও বর্তমান চেয়ারম্যান আব্দুর শাহ অভিন্ন অভিযোগ করেন।
উথলী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের দলীয় প্রার্থী মো. আব্দুল হান্নান বলেন, ‘আমার সমর্থকরা কোনো প্রার্থীরা প্রচারে কোনো প্রকার বাঁধা দেয়নি। বহিরাগত কেউ আমার নির্বাচনী এলাকায় প্রবেশ করেনি বরং স্বতন্ত্র প্রার্থীদের লোকজন আমার নেতা-কর্মীদের ওপর হামলা করেছে এবং তারা বিভিন্নভাবে হুমকি-ধামকি প্রদান করছে।’ একই কথা বলেন বাঁকা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আওয়ামী লীগের প্রার্থী আব্দুল কাদের প্রধান।
জীবননগর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আব্দুল খালেক বলেন, জীবননগর উপজেলার ৬টি ইউনিয়নে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এই নির্বাচনকে কেন্দ্র করে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা যেন না ঘটে, সে জন্য প্রতিটি ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ে পুলিশ সদস্যরা টহল দিচ্ছেন। নির্বাচন কেন্দ্র করে যেন কোনো ধরনের সহিংসতা না হয়, সে জন্য পুলিশ তৎপর আছে।
জীবননগর উপজেলা নির্বাচন অফিসার মো. মেজর আহম্মেদ বলেন, জীবননগর উপজেলায় এবার প্রথম ইভিএম’এ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এই নির্বাচনে কোনো অনিয়ম হবে না। ভোটাররা তাদের ভোট দিতে পারবেন। নির্বাচন সুষ্ঠু করার জন্য নির্বাচন কমিশন সব ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।
জানা গেছে, জীবননগর উপজেলার ৬টি ইউনিয়নে মোট ভোটার সংখ্যা ৮৩ হাজার ৭৮৫ জন। এর মধ্যে উথলী ইউনিয়নে মোট ভোটার ১৫ হাজার ১৫৩ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ৭ হাজার ৬১৪ জন এবং নারী ভোটার ৭ হাজার ৫৩৯ জন। কেডিকে ইউনিয়নে ভোটার সংখ্যা ১৩ হাজার ৮৯৪ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ৬ হাজার ৬৯২ জন এবং নারী ভোটার ৬ হাজার ৯০২ জন। মনোহরপুর ইউনিয়নে মোট ভোটার ১৩ হাজার ৪৬১ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ৬ হাজার ৭৮৩ জন ও নারী ভোটার ৬ হাজার ৬৭৮ জন। বাঁকা ইউনিয়নে মোট ভোটার সংখ্যা ১৫ হাজার ১৪৫ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ৭ হাজার ৫৮৪ জন ও নারী ভোটার ৭ হাজার ৫৬১ জন। হাসাদাহ ইউনিয়নে মোট ভোটার ১৫ হাজার ৮৫৬ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ৭ হাজার ৯০১ জন ও নারী ভোটার ৭ হাজার ৯৫৫ জন। রায়পুর ইউনিয়নে মোট ভোটার ১০ হাজার ২৭৬ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ৫ হাজার ২৫৭ জন এবং নারী ভোটার ৫ হাজার ১৯ জন।

]]>
https://thedailyannadiganta.com/archives/1189/feed 0
উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে নৌকায় ভোট দিন : টোটন জোয়ার্দ্দার https://thedailyannadiganta.com/archives/1159 https://thedailyannadiganta.com/archives/1159#respond Mon, 13 Mar 2023 08:26:37 +0000 http://thedailyannadiganta.com/?p=1159 আলমডাঙ্গা উপজেলার নাগদাহ ও আইলহাঁস ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনে দলীয় প্রার্থীদের বিজয়ী করতে পথসভা ও গণসংযোগ করেছেন জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রিয়াজুল ইসলাম জোয়ার্দ্দার টোটন। গতকাল রোববার বিকেল থেকে রাত পর্যন্ত দুটি ইউনিয়নে এই পথসভা ও গণসংযোগ করেন তিনি।
এসময় উপস্থিত ছিলেন চুয়াডাঙ্গা জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মুন্সি আলমগীর হান্নান, সাবেক দপ্তর সম্পাদক অ্যাড. আবু তালেব বিশ্বাস, সাবেক উপ-প্রচার সম্পাদক মো. শওকত আলী বিশ্বাস, সাবেক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক অ্যাড. তালিম হোসেন, সাবেক কার্যনির্বাহী সদস্য অ্যাড. বেলাল হোসেন, চুয়াডাঙ্গা পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. আলাউদ্দিন হেলা ও সাধারণ সম্পাদক মো. আব্দুল কাদের, জেলা যুবলীগের সাবেক আহ্বায়ক আরেফিন আলম রঞ্জু, ব্যাবসায়ী মো. নুরুজ্জামান, যুবলীগ নেতা শেখ সেলিম, টুটুল, শেখ সোহেল, সদর উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি মো. হাফিজুর রহমান লাল্টু, নাগদাহ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক, আইলহাঁস ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. তোফাজ্জেল হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক মো. জাহিদুল ইসলাম বাদল প্রমুখ।
পথসভা ও গণসংযোগকালে রিয়াজুল ইসলাম জোয়ার্দ্দার টোটন বলেন, ‘আওয়ামী লীগ সরকার দেশের উন্নয়ন করছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ দৃঢ় গতিতে এগিয়ে চলছে। মানুষ বুঝতে পেরেছে আওয়ামী লীগের দলীয় প্রতীক নৌকা মানেই উন্নয়ন। আওয়ামী লীগ করবেন আর নৌকার বিরোধী করবেন তা হতে পারে না। দলকে ব্যবহার করে নিজে আখের গোছাবেন এটা হতে পারে না। একটি কথা স্মরণ করিয়ে দিতে চাই, জাতির জনকের মার্কা, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মার্কা, জননেত্রী শেখ হাসিনার মার্কা, স্বাধীনতার মার্কা, উন্নয়নের মার্কা হচ্ছে নৌকা। যদি আওয়ামী লীগ করে থাকেন, দলকে ভালোবেসে থাকেন, তাহলে তার মার্কা হবে নৌকা। নৌকার বিরোধীতা করবেন আর মুখে আওয়ামী লীগের শ্লোগান দিবেন তা হতে পারে না। যদি এটা কেউ করে থাকেন, তাহলে এখনও সময় আছে সংশোধন হয়ে যান। উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে নৌকায় ভোট দেবার অনুরোধ রাখছি।

]]>
https://thedailyannadiganta.com/archives/1159/feed 0
চুয়াডাঙ্গায় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া, হামলায় স্কুলছাত্রীসহ আহত ১১ https://thedailyannadiganta.com/archives/1069 https://thedailyannadiganta.com/archives/1069#respond Sun, 12 Mar 2023 12:28:51 +0000 http://thedailyannadiganta.com/?p=1069 চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলার নাগদহ ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগের ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থী (স্বতন্ত্র) ও নৌকা প্রার্থীর কর্মীদের মধ্যে দফায় দফায় মারামারি ও ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। সাধারন জনসাধারন সহ স্কুলছাত্রী আহত।

ভাংচুর করা নির্বাচনী অফিসে চিত্র।

গতকাল শনিবার (১১ মার্চ) রাত ৮টা থেকে ১০টা পর্যন্ত ইউনিয়নের জহুরুলনগর, বলিয়ারপুর নাগদহ গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।এ সময় আওয়ামী লীগের ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থীর (স্বতন্ত্র) নির্বাচনী অফিস এবং কর্মীদের চারটি মোটরসাইকেল ও বাড়ি ভাঙচুর করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এতে স্কুলছাত্রীসহ বিদ্রোহী প্রার্থীর তিনজন ও নৌকা প্রার্থীর আটজন আহত হয়েছেন। তাদেরকে উদ্ধার করে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

নৌকা প্রতীকের আহত আট কর্মী হলেন- বাবলুর রহমান (৫০), কেসমত আলী (৪০), আকরামুল হোসেন (৩৫), খবির উদ্দিন (৫৫), আনিছুর রহমান (৪৫), দবির আলী (৪০), মিয়া জান (৩৫) ও আব্দুস সেলিম (৪৬)। এর মধ্যে খবির উদ্দিনের শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করেছেন।

স্বতন্ত্র প্রার্থীর আহত কর্মীরা হলেন- ইসরাইল হোসেন বুদো (৪০), তার ছেলে মামুনুর রশিদ (২৪) ও মেয়ে নবম শ্রেণির ছাত্রী আয়েশা খাতুন (২৫)। এর মধ্যে ইসরাইল হোসেন বুদো স্বতন্ত্র প্রার্থীর বাড়িতে ভাঙচুর চালায় নৌকা প্রার্থীর কর্মীরা। এ সময় তার দুই ছেলে ও মেয়েকে বেধড়ক পিটিয়ে জখমের অভিযোগ উঠেছে এদিকে এ ঘটনায় পুরো এলাকা জুড়ে থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন আলমডাঙ্গা থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম।

নৌকা প্রতীকের প্রার্থী মতিয়ার রহমান হায়াত সাংবাদিকদের কে বলেন, জহুরুলনগর গ্রামে আমার কর্মীরা নির্বাচনী প্রচারণার কাজ করছিলেন। এ সময় স্বতন্ত্র প্রার্থী উপস্থিত থেকে তার কর্মীদের দিয়ে আমার কর্মীদের ওপর হামলা চালায়। এতে আমার কয়েকজন কর্মী আহত হয়েছেন। এছাড়া আমরা কোনো নির্বাচনী অফিস ভাঙচুর করিনি। তারা নিজেরা নিজেদের অফিস ভাঙচুর করে আমার কর্মীদের ওপর দোষ চাপাচ্ছে। এ ঘটনায় আমি থানায় অভিযোগ করব।

আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী (স্বতন্ত্র) চশমা প্রতীকের এজাজ ইমতিয়াজ বিপুল বলেন, রাতে জহুরুলনগর আমার নির্বাচনী অফিসের কাছাকাছি ছিলাম। এ সময় নৌকা প্রার্থীর ২০/৩০ জন কর্মী মোটরসাইকেলযোগে এসে আমার নির্বাচনী অফিস ও চারটি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করে। বলিয়ারপুর গ্রামে এক কর্মীর বাড়ি ভাঙচুর করে ও তার দুই ছেলে-মেয়েকে পিটিয়ে জখম করে। এছাড়া তারা নিজেরা নৌকার অফিস ভাঙচুর করে আমাদের ওপর দায় চাপানোর চেষ্টা করছে।

চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. আব্দুল কাদের বলেন, ১১ জনের সবার শরীরের বিভিন্নস্থানে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। আহতদের মধ্যে দবির আলীর শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে ধারণা করছি। উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করা হয়েছে। এছাড়া বাকিদের প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ভর্তি করা হয়েছে।

আলমডাঙ্গা থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ঢাকা পোস্টকে বলেন, চশমা ও নৌকা প্রার্থীর কর্মীদের মধ্যে মারামারি ও ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। বিদ্রোহী প্রার্থীর অফিস ও তার কর্মীদেরও কয়েকটা মোটরসাইকেল ভাঙচুর করেছে। এতে উভয়পক্ষের মোট ৪ জন আহত হয়েছেন বলে জেনেছি। এখনো কোনো পক্ষ অভিযোগ করেনি। অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। সাধারন জনগন ভোটের মাঠে যেয়ে ভোট দিতে পারবে কিনা তা নিয়ে আশংকা করছেন।

]]>
https://thedailyannadiganta.com/archives/1069/feed 0
চুয়াডাঙ্গায় ইউপি নির্বাচনে নির্বাচনী প্রচারণায় বাধার অভিযোগ https://thedailyannadiganta.com/archives/1047 https://thedailyannadiganta.com/archives/1047#respond Sat, 11 Mar 2023 12:15:15 +0000 http://thedailyannadiganta.com/?p=1047 চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার মনোহরপুর ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনে সাধারণ সদস্য প্রার্থীর প্রচারে বাঁধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে তিন ব্যক্তির বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী ইউপি সদস্য প্রার্থী অভিযোগ করেছেন চুয়াডাঙ্গার পুলিশ সুপার বরাবর। তবে এখন পর্যন্ত কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে দাবি তাঁর। এদিকে প্রশাসন ও নির্বাচন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, প্রচারে বাঁধা দিলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে আইন অনুযায়ী। নির্দেশনা মেনে প্রচার কার্যক্রম চালাতে কোনো বাঁধা নেই।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, আগামী ১৬ মার্চ জীবননগর উপজেলার মনোহরপুর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। এই ইউপির ১ নম্বর ওয়ার্ডে সদস্য পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন চারজন। অভিযোগ রয়েছে, এলাকায় প্রভাব বিস্তার করে নাসিরের ছেলে শিমুল (২৫), কামরুল হাসানের ছেলে জিণ্টু (২৭) ও কবির হোসেনের ছেলে জাহাঙ্গীর (৪২) হুমকি-ধামকি দিয়ে প্রচার বন্ধের চেষ্টা করছে। এ ঘটনায় সাধারণ সদস্য (তালা প্রতীক) প্রার্থী আব্দুর রশিদ চুয়াডাঙ্গার পুলিশ সুপার এবং নির্বাচন অফিসারের নিকট পৃথক দুটি অভিযোগপত্র দিয়েছেন।
আব্দুর রশিদ বলেন, ‘শিমুল, জিণ্টু ও জাহাঙ্গীর প্রতিনিয়ত হুমকি-ধামকি দিচ্ছেন। মামলার ভয় দেখাচ্ছে। আমি ৫ তারিখে পুলিশ সুপার বরাবর অভিযোগ দিয়েছিলাম। তারা গত বৃহস্পতিবার আমার প্রচারণার মাইক বন্ধ করে দিয়েছে। ভ্যানচালককে হুমকি দিয়েছে। অভিযোগের বরাত দিয়ে আব্দুর রশিদ আরও বলেন, আমি ওদের জিজ্ঞাসা করেছিলাম। তারা বলছে, আমরা বাবলু ভাইয়ের লোক। তুই নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়া, তা না হলে সমস্যা আছে।
এ বিষয়ে ভ্যানচালক বদা মিয়া বলেন, ‘আমি ভাড়ায় খাটা দিনমজুর। আমার দোষ কী? নাসিরের ছেলে শিমুল আমাকে হুমকি দিয়ে বের হতে মানা করছে। আমি গরিব মানুষ। আমাকে হুমকি দিচ্ছে। বলছে, বের হওয়া যাবে না। শিমুলের সঙ্গে মুঠোফোনে কথা হয় প্রতিবেদককের। শিমুল বলেন, ‘আমি নৌকার ভোট করছি। কিডা অভিযোগ দিলো তা দেখার দরকার নেই। অভিযোগ হলে পুলিশ তদন্ত করুক। মেম্বার প্রার্থীর প্রচরাণায় বাধা দেওয়ার অভিযোগের বিষয়ে শিমুলের কাছে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, ‘আমি কোনো মেম্বার প্রার্থীর ভোট করছি না।
জীবননগর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুল খালেক বলেন, ‘এ বিষয়ে একটি অভিযোগ এসছে। আমরা তৎপর আছি। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা মাঠে আছে। প্রচার-প্রচারণায় কোনো বাঁধার অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মনোহরপুর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের রিটার্নিং অফিসার মেজর আহমেদ বলেন, ‘আমরা প্রতিটি অভিযোগ গুরুত্বসহকারে দেখছি। আমরা অভিযোগ পাওয়ার সাথে সাথে পুলিশকে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য বলছি।

]]>
https://thedailyannadiganta.com/archives/1047/feed 0