ইসলাম – দৈনিক অন্যদিগন্ত https://thedailyannadiganta.com সত্য ও সুন্দরের খোঁজে প্রতিদিন Fri, 17 Feb 2023 06:02:26 +0000 en-US hourly 1 https://wordpress.org/?v=6.9.4 https://thedailyannadiganta.com/wp-content/uploads/2023/04/cropped-onnodigonto_fav-32x32.jpg ইসলাম – দৈনিক অন্যদিগন্ত https://thedailyannadiganta.com 32 32 জুমার দিনের ফজিলত https://thedailyannadiganta.com/archives/435 https://thedailyannadiganta.com/archives/435#respond Fri, 17 Feb 2023 00:51:43 +0000 http://thedailyannadiganta.com/?p=435 জুমার দিন সপ্তাহের সেরা দিন। মুসলিম উম্মাহর ইবাদত-বন্দেগির নির্ধারিত দিন। দিনটি আল্লাহর কাছে অতি মর্যাদাসম্পন্ন। দিনটিকে সদরে গ্রহণ করেছেন মুমিন মুসলমান। মুসলমানদের কাছে এ দিনের ফজিলত অনেক বেশি। জুমার দিনের ফজিলতগুলো হাদিসের একাধিক বর্ণনায় ওঠে এসেছে। এই দিনের বিশেষ কিছু আমল ও ফজিলত রয়েছে।
রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, সূর্য উঠা দিনগুলোর মধ্যে জুমার দিন সর্বোত্তম। এ দিন আদম আলাইহিস সালামকে সৃষ্টি করা হয়েছে। এ দিন তাকে জান্নাতে প্রবেশ করানো হয়েছে এবং এ দিন তাঁকে জান্নাত থেকে বের করা হয়েছে।’ অন্য বর্ণনায় এসেছে, এ দিনটিতেই কেয়ামত অনুষ্ঠিত হবে। (মুসলিম)
এই দিনের অনেক আমল রয়েছে। তবে জুমার দিনের বিশেষ আমলগুলোর একটি হলো আল্লাহ তায়ালার কাছে একাগ্রচিত্তে দোয়া করা। কারণ এদিন দোয়া করলে— বিশেষভাবে কবুল করা হয়। এছাড়াও বান্দাকে ক্ষমা করে দেওয়া হয়।
হজরত জাবের ইবনে আব্দুল্লাহ (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, জুমার দিনের বারো ঘণ্টার মধ্যে একটি বিশেষ মুহূর্ত এমন আছে যে, তখন কোনো মুসলমান আল্লাহর নিকট যে দোয়া করবে আল্লাহ তা কবুল করেন। (আবু দাউদ, হাদিস : ১০৪৮)
আবু হুরায়রা (রা.) বলেন, রাসুল (সা.) বলেছেন, ‘জুমার দিনে এমন একটি সময় আছে, সেই সময়টায় যদি কোনো মুসলিম নামাজ আদায়রত অবস্থায় থাকে এবং আল্লাহর কাছে কিছু চায়, আল্লাহ অবশ্যই তার সে চাহিদা বা দোয়া কবুল করবেন এবং এরপর রাসুল (সা.) তার হাত দিয়ে ইশারা করে সময়টির সংক্ষিপ্ততার ইঙ্গিত দেন।’ (বুখারি, হাদিস : ৬৪০০)
আবদুল্লাহ ইবনে সালাম (রা.) বর্ণনা করেন, শুক্রবারে আছরের পর থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত দোয়া কবুল হয়। বিখ্যাত সিরাতগ্রন্থ যাদুল মাআ’দ-এ বর্ণিত আছে, জুমার দিন আছরের নামাজ আদায়ের পর দোয়া কবুল হয়। (যাদুল মাআ’দ : ২/৩৯৪)
জুমার দিনের গুরুত্বপূর্ণ আমল
মর্যাদাপূর্ণ এই দিনের অনেক আমল হাদিস শরিফে বর্ণিত হয়েছে। তন্মধ্যে কিছু আমল ধারাবাহিক উল্লেখ করা হচ্ছে। ১. গোসল করা। ২. উত্তম পোশাক পরিধান করা। ৩. সুগন্ধি ব্যবহার করা। ৪. মনোযোগের সঙ্গে খুতবা শোনা। ৫. বেচাকেনা বন্ধ রাখা। ৬. দ্রুত মসজিদে যাওয়া। ৭. সুরা কাহফ তিলাওয়াত। ৮. সুরা কাহাফের শেষ ১০ আয়াত পাঠ। ৯. বেশি বেশি দরুদ পাঠ। ১০. দোয়ার প্রতি গুরুত্ব দেওয়া।
জুমার গুরুত্ব, মাহাত্ম্য, ফজিলত ও তাৎপর্য বিবেচনা করে এই দিনটিকে প্রতিটি মুসলিমের কাজে লাগানো উচিত। আল্লাহ তাআলা তাওফিক দান করুন।

]]>
https://thedailyannadiganta.com/archives/435/feed 0
সুন্নত পড়ার সময় জুমার খুতবা শুরু হলে যা করবেন https://thedailyannadiganta.com/archives/438 https://thedailyannadiganta.com/archives/438#respond Thu, 16 Feb 2023 23:54:06 +0000 http://thedailyannadiganta.com/?p=438 জুমার পূর্বের চার রাকাত সুন্নত পড়া অবস্থায় অনেক সময় খতিব সাহেব খুতবা শুরু করে দেন। এক আলেম থেকে শুনেছি খুতবার সময় নামাজ পড়া নিষেধ। জানার বিষয় হলো, এমন পরিস্থিতিতে আমার জন্য করণীয় কী?
এমন প্রশ্নের উত্তরে আলেমরা বলেন, প্রশ্নোক্ত অবস্থায় দুই রাকাতের পর সালাম ফিরিয়ে দেবেন। আর যদি তৃতীয় রাকাতে দাঁড়িয়ে যান তাহলে তৃতীয় রাকাতের সেজদা না করে থাকলে বসে যাবেন এবং সালাম ফিরিয়ে নামাজ শেষ করবেন। উভয় অবস্থায় জুমার পর ওই চার রাকাত সুন্নত পড়ে নেওয়া উত্তম। আর যদি তৃতীয় রাকাতের সেজদা করে ফেলেন, তাহলে চার রাকাতই পূর্ণ করবেন। কারণ হাদিস দ্বারা সুদৃঢ়ভাবে প্রমাণিত হয়, খুতবার সময় নিশ্চুপ হয়ে খুতবা শোনা ওয়াজিব ও কথাবার্তা বলা হারাম।
অনুরূপ খুতবার সময় সুন্নত-নফল নামাজ পড়াও বৈধ নয়। এক হাদিসে বর্ণিত হয়েছে, ‘যখন ইমাম খুতবার জন্য বের হবেন, তখন নামাজ পড়বে না, কথাও বলবে না’ (মেশকাত : ৩/৪৩২)। তাই মুসল্লিদের উচিত খুতবার সময় কথাবার্তা থেকে বিরত থেকে অত্যন্ত মনোযোগী হয়ে খুতবা শোনা এবং যেসব কাজ নামাজে নিষিদ্ধ তা থেকে বিরত থাকা। নামাজ শুরু করে থাকলেও দ্রুত শেষ করে খুতবা শ্রবণে মনোযোগী হওয়া।
ফিকাহ শাস্ত্রের নির্ভরযোগ্য গ্রন্থ ‘ফাতাওয়ায়ে শামি’তে একটি মূলনীতি উল্লেখ রয়েছে, ‘যেসব কর্ম নামাজের মধ্যে হারাম, তা খুতবা চলার সময়ও হারাম। যেমন, কথাবার্তা বলা, পানাহার করা ইত্যাদি’ (ফাতাওয়ায়ে শামি : ৩/৩৫)। অনেক মুসল্লি খুতবা চলাকালে বিভিন্ন কাজে লিপ্ত হয়, যা সম্পূর্ণ শরিয়ত পরিপন্থি এবং হারাম। এ ছাড়া অনেক মসজিদে খুতবা চলাকালে চাঁদার বাক্স চালানো হয়, এটাও শরিয়তের দৃষ্টিতে নাজায়েজ ও অশোভনীয়। তাই খুতবার সময় এসব নাজায়েজ কর্ম পরিহার করে মনোযোগী হয়ে খুতবা শোনা অত্যন্ত জরুরি। (আলমুহিতুল বুরহানি : ২/৪৬৪; ফাতাওয়া তাতারখানিয়া : ২/৫৭৭)

]]>
https://thedailyannadiganta.com/archives/438/feed 0
কিয়ামতের দিন আরশের ছায়ায় জায়গা পাবেন যারা https://thedailyannadiganta.com/archives/429 https://thedailyannadiganta.com/archives/429#respond Thu, 16 Feb 2023 04:44:57 +0000 http://thedailyannadiganta.com/?p=429 মৃত্যুর পর সবার বিচার করবেন সৃষ্টিকর্তা মহান আল্লাহ তায়ালা। দুনিয়ায় করে যাওয়া ভালো কাজের পুরস্কার ও মন্দ কাজের পরিনাম মানুষকে ভোগ করতে হবে। দুনিয়ার ছোট্ট একটি ভালো কাজের ফল সেদিন যেমন মিলবে, তেমনি ছোট্ট একটি খারাপ কাজেরও ফল ভোগ করতে হবে।
কিয়ামতের সেই কঠিন দিনে আল্লাহ ছাড়া আর কারও কোনো ক্ষমতা থাকবে না। দুনিয়ায় ভালো কাজের মাধ্যমে সেই ভয়াবহ দিনে আল্লাহর আরশে ছায়ার নিচে সাত ধরনের মানুষের জায়গা হবে।
আবু হুরাইরা (রা.) থেকে বর্ণিত। রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, সাত শ্রেণির মানুষকে সেদিন আল্লাহ তার আরশের ছায়াতলে স্থান দেবেন, যেদিন তার ছায়া ব্যতীত আর কোনো ছায়া থাকবে না। ১. ন্যায়পরায়ণ ইমাম বা শাসক। ২. মহান ও পরাক্রমশালী আল্লাহর ইবাদতে মশগুল যুবক। ৩. মসজিদের সঙ্গে সম্পৃক্ত হৃদয়ের অধিকারী ব্যক্তি। ৪. এমন দুজন ব্যক্তি যারা একমাত্র আল্লাহর জন্যই পরস্পরকে ভালোবাসে। আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য তারা বন্ধুত্ব করে আবার আল্লাহর জন্যই বিচ্ছিন্ন হয়। ৫. সেই ব্যক্তি যাকে কোনো সুন্দরী (ব্যভিচারের উদ্দেশ্যে) আহ্বান করে, কিন্তু সে বলে, ‘আমি আল্লাহকে ভয় করি’। ৬. যে ব্যক্তি অত্যন্ত গোপনে দান করে, এমনকি তার ডান হাত কী দান করে, তা তার বাম হাতও জানতে পারে না। ৭. যে নির্জনে আল্লাহকে স্মরণ করে, ফলে তার উভয় চোখে পানি বয়ে যায়। (বুখারী ও মুসলিম)

]]>
https://thedailyannadiganta.com/archives/429/feed 0
অনুমতি ছাড়া কারও ঘরে প্রবেশ, ইসলাম যা বলে https://thedailyannadiganta.com/archives/432 https://thedailyannadiganta.com/archives/432#respond Wed, 15 Feb 2023 04:47:44 +0000 http://thedailyannadiganta.com/?p=432 মানুষের সামগ্রিক কল্যাণ ও মুক্তির জন্য ইসলাম আল্লাহ প্রদত্ত একটি পূর্ণাঙ্গ জীবন বিধান। জীবন ও জগতের খুঁটিনাটি থেকে বৃহৎ- সব বিষয়ের যাবতীয় নিয়মাবলি ও দিকনির্দেশনা এবং সুষ্ঠু সমাধান পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে দিয়েছে ইসলাম। তাই জীবনাচারের প্রতিটি বিষয় ইসলাম গুরুত্বের সঙ্গে ও স্পষ্টভাবে বর্ণনা করেছে। যেন জীবনযাপনে ও ধর্ম পালনে মানুষজন অসুবিধার সম্মুখীন হতে না হয়। সর্বোপরি আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভে ধন্য হয়।
অন্যের ঘরে প্রবেশের আগে অনুমতি চাওয়ার বিষয়টি সব সভ্য সমাজে শিষ্টাচারের অন্তর্ভুক্ত। বাহ্যিক দৃষ্টিতে বিষয়টি অতি গুরুত্বপূর্ণ মনে না হলেও এর পরোক্ষ ও অন্তর্নিহিত তাৎপর্য এবং গুরুত্ব অপরিসীম। হজরত কিলদাহ ইবনে হাম্বল (রা.) থেকে বর্ণিত আছে- তিনি বলেন, ‘একবার আমি রাসুলের (সা.) কাছে গেলাম। এরপর আমি সালাম না দিয়ে সরাসরি তাঁর কাছে গেলাম।’ অতঃপর রাসুল (সা.) আমাকে বললেন, ‘তুমি ফিরে যাও এবং এরপর সালাম দিয়ে বলো, আমি প্রবেশ করতে পারি?’ (আবু দাউদ)
উপরোক্ত হাদিসের বর্ণনা দ্বারা বোঝা যায়, অনুমতি ছাড়া প্রবেশ করাকে রাসুল (সা.) পছন্দ করেননি। তিনি সাহাবি কিলদাহ ইবনে হাম্বলকে আবার বাইরে গিয়ে অনুমতি নিয়ে প্রবেশ করার আদেশ দিলেন এবং অনুমতি নেওয়ার ধরন ও পদ্ধতি কী হবে, সেটাও শিক্ষা দিয়ে দেন।
রাসুলের (সা.) শিক্ষা পেয়ে সাহাবিরা পুরোপুরি সার্থকভাবে এ উত্তম শিষ্টাচারের অনুশীলন ও চর্চা করেছেন। অন্যের ঘরে প্রবেশের আগে অনুমতি প্রসঙ্গে আল্লাহতায়ালা বলেন, ‘হে মুমিনগণ, তোমরা নিজেদের গৃহ ব্যতীত অন্য কারও গৃহে গৃহবাসীদের অনুমতি ছাড়া এবং তাদের সালাম না জানিয়ে প্রবেশ করো না। এটাই তোমাদের জন্য শ্রেয়। যাতে তোমরা উপদেশ গ্রহণ করো।’ (সুরা নুর-২৭)
নারী-পুরুষ, পিতা-মাতা, ছোট-বড়, মাহরাম-গায়রে মাহরাম যে কারও ঘরে প্রবেশের আগে অনুমতি চাওয়া ওয়াজিব। অবশ্য আপন স্ত্রীর ক্ষেত্রে প্রবেশের আগে অনুমতি চাওয়া ওয়াজিব নয়। তারপরও স্ত্রীর কাছে প্রবেশের আগে পদধ্বনি দ্বারা অথবা গলা ঝেড়ে প্রবেশ করা মুস্তাহাব।
হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদের (রা.) স্ত্রী বলেন, ‘আবদুল্লাহ যখন ঘরে আসতেন, তখন দরজার কড়া নেড়ে আমাকে সতর্ক করে দিতেন। যেন তিনি আমাকে অপছন্দ অবস্থায় না দেখেন। (ইবনে কাছির)
হজরত উমর (রা.)সহ আরও অনেক সাহাবি অনুমতি চাওয়ার সময় নিজের নামও বলতেন। একবার হজরত উমর (রা.) রাসুলের (সা.) ঘরের দরজায় এসে বললেন, ‘উমর কি ঘরে প্রবেশ করতে পারে?’ অনুমতি প্রার্থনাকালে যদি নাম উল্লেখ করা না হয় এবং ঘরের বাসিন্দারা অনুমতি প্রার্থীর নাম-পরিচয় জিজ্ঞেস করে, তবে স্পষ্টভাবে নাম উল্লেখ করতে হবে। যাতে ঘরের বাসিন্দারা নিশ্চিত হয়ে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া কিংবা না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিতে পারে।
প্রবেশের ক্ষেত্রে অনুমতি চাওয়ার অনেক তাৎপর্য ও মাহাত্ম্য নিহিত রয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো- ১. মানুষ নিজ ঘরে স্বাধীনভাবে কাজ করে। অনুমতি ছাড়া অন্যের ঘরে প্রবেশের দ্বারা মানুষের স্বাধীনতায় বিঘ্নতা সৃষ্টি হয়। উপরন্তু কষ্টের কারণ হয়; ২. বিভিন্ন প্রয়োজনে মানুষ অন্যের কাছে যায়। অনুমতি নিয়ে প্রবেশ করলে ঘরের লোকেরা সাক্ষাৎপ্রার্থীর প্রতি সদয় ও বিনম্র হয়। ফলে সাক্ষাৎপ্রার্থীর লক্ষ্য পূরণ অনেকটা সহজ হয়; ৩. বিনা অনুমতিতে প্রবেশ করলে হয়তো এমন কিছুর প্রতি দৃষ্টিপাত হতে পারে, যা দ্বারা অন্তরে সমস্যা সৃষ্টি হয়। ফলে নির্লজ্জতা ও অশ্নীলতার পথ খুলে যায়; ৪. সবার অগোচরে মানুষ নিজের ঘরে অনেক কিছু করে, যা কারও কাছে প্রকাশ পাওয়া সে পছন্দ করে না। বিনা অনুমতিতে কারও ঘরে প্রবেশ করলে তার গোপনীয়তা প্রকাশ পেয়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে, যা তার কষ্টের কারণ হতে পারে। ফলে বিনা অনুমতিতে প্রবেশকারী মুসলমানকে কষ্ট দেওয়ার অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হবে।
সব সুবিধা-অসুবিধার কথা বিবেচনা করে ইসলাম প্রবেশাধিকারের জন্য অনুমতি চাওয়া ওয়াজিব ও শর্ত করে দিয়েছে। যাতে মানুষের স্বাধীনতা-স্বকীয়তা, গোপনীয়তা ও স্বার্থ রক্ষা হয় এবং পারস্পরিক সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক বজায় থাকে।

]]>
https://thedailyannadiganta.com/archives/432/feed 0
জামাতে নামাজ পড়া নিয়ে যা বলেছেন মহানবী (সা.) https://thedailyannadiganta.com/archives/426 https://thedailyannadiganta.com/archives/426#respond Wed, 15 Feb 2023 04:41:38 +0000 http://thedailyannadiganta.com/?p=426 বিশ্বনবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) জামাতে নামাজ পড়ার ব্যাপারে অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়েছেন। এ বিষয়ে বেশ কিছু হাদিস রয়েছে।
মালিক ইবনে হুওয়াইরিস (রা.) বর্ণিত হাদিসে এসেছে, রাসুল (সা.) বলেছেন, নামাজের সময় হলে (একাধিক লোক একসঙ্গে থাকলে) তোমাদের দু’জনের একজন আজান ও ইকামত দেবে। অতঃপর তোমাদের মধ্যে যে বয়সে বড়, সে ইমামতি করবে। (বুখারি, হাদিস : ৬৫৮)
ফজরের নামাজ জামাতে পড়ার গুরুত্ব সম্পর্কে আবু হুরায়রা (রা.) বর্ণিত হাদিসে এসেছে, আল্লাহর রাসুলকে (সা.) তিনি বলতে শুনেছেন যে জামাতে নামাজ পড়লে একাকী নামাজ পড়ার চেয়ে ২৫ গুণ বেশি সওয়াব হয়। আর ফজরের নামাজে রাতের ও দিনের ফেরেশতারা একত্রিত হন। (বুখারি, হাদিস: ৬৪৮)
আবু মুসা (রা.) থেকে বর্ণিত রাসুল (সা.) বলেছেন, মসজিদ থেকে যে যত বেশি দূরত্ব অতিক্রম করে নামাজে আসে, তার তত বেশি পুণ্য হবে। আর যে ব্যক্তি ইমামের সঙ্গে নামাজ আদায় করা পর্যন্ত অপেক্ষা করে, তার পুণ্য সে ব্যক্তির চেয়ে বেশি, যে একাকী নামাজ আদায় করে ঘুমিয়ে পড়ে। (বুখারি, হাদিস: ৬৫১)
আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত নবী (সা.) বলেছেন, মুনাফিকদের জন্য ফজর ও এশার নামাজ অপেক্ষা অধিক বেশি নামাজ আর নেই। এ দুই নামাজের কী ফজিলত, তা যদি তারা জানত, তবে হামাগুড়ি দিয়ে হলেও তারা (জামাতে) উপস্থিত হত।

]]>
https://thedailyannadiganta.com/archives/426/feed 0