কৃষি মন্ত্রী – দৈনিক অন্যদিগন্ত https://thedailyannadiganta.com সত্য ও সুন্দরের খোঁজে প্রতিদিন Sat, 08 Apr 2023 12:03:48 +0000 en-US hourly 1 https://wordpress.org/?v=6.9.4 https://thedailyannadiganta.com/wp-content/uploads/2023/04/cropped-onnodigonto_fav-32x32.jpg কৃষি মন্ত্রী – দৈনিক অন্যদিগন্ত https://thedailyannadiganta.com 32 32 দেশের স্বাধীনতা বিরোধীরাই বলে পাকিস্তানই ভাল ছিল : কৃষিমন্ত্রী https://thedailyannadiganta.com/archives/1540 https://thedailyannadiganta.com/archives/1540#respond Sat, 08 Apr 2023 12:03:48 +0000 http://thedailyannadiganta.com/?p=1540 কৃষিমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক বলেছেন, যারা দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বকে মেনে নিতে পারেনি, তারাই বলে বাংলাদেশের চেয়ে পাকিস্তানই ভাল ছিল।
তিনি আরো বলেন, পাকিস্তানের বুদ্ধিজীবী, অর্থনীতিবিদ, বড় বড় নেতারা বাংলাদেশের উন্নয়নের প্রশংসা করছে, তারা এখন বাংলাদেশ হতে চায়। আর বাংলাদেশে বিএনপি, স্বাধীনতাবিরোধী শক্তি, কিছু বুদ্ধিজীবী ও কিছু মিডিয়া বলে পাকিস্তানই ভাল ছিল, স্বাধীন বাংলাদেশ করে লাভ হয় নাই। এরা দেশের শত্রু, পাকিস্তানের দালাল।
ড. আব্দুর রাজ্জাক আজ শনিবার সকালে রাজধানীর জুরাইনে ঢাকা মহানগর দক্ষিণের কদমতলী থানা আওয়ামী লীগের উদ্যোগে আয়োজিত রমযান মাস উপলক্ষে গরীব, দুঃস্থ ও অসহায় মানুষের মধ্যে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন।
ড. আব্দুর রাজ্জাক বলেন, বাংলাদেশ উন্নয়নের যে পর্যায়ে এখন আছে, সে পর্যায়ে আসতে পাকিস্তানের আরও ১২ বছর লাগবে। কাজেই, যারা বলে পাকিস্তানই ভাল ছিল, তাদের উদ্দেশে বলতে চাই, আপনারা পাকিস্তানের পত্রিকা পড়ুন, খোঁজখবর নিন। পাকিস্তানে এখন একটি ডিমের দাম ৩০ থেকে ৩৫ টাকা, এক ডলার সমান ২৫০ রুপি। পাকিস্তানে কত মানুষ না খেয়ে থাকে তার খোঁজ নিন।
তিনি বলেন, বিএনপির আমলে ২০০১ থেকে ৬ সালে মঙ্গাপীড়িত এলাকায় প্রতিবছর লাখ লাখ মানুষ না খেয়ে থাকত, শত-শত মানুষ না খেয়ে মারা যেতো। কিন্তু আওয়ামী লীগের আমলে বিগত ১৪ বছরে বাংলাদেশে একটি মানুষও না খেয়ে থাকে নি, খাদ্যের কষ্ট করে নি।
নির্বাচন ও ইভিএম প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, নির্বাচনে ইভিএম বাতিলের সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন। এখন কী বলবে বিএনপি? আমি মনে করি, তারা এ সিদ্ধান্তকে অভিনন্দন জানাতে পারতেন। আমি বিএনপিকে বলতে চাই, আপনারা ভুলপথে আছেন। আন্দোলনের নামে জ্বালাও-পোড়াও আর মানুষকে জীবন্ত পুড়িয়ে মেরে কোনদিন ক্ষমতায় আসতে পারবেন না। আপনাদের প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান, স্বৈরাচার এরশাদ সামরিক ছত্রচ্ছায়ায় নির্বাচন ছাড়া ক্ষমতায় এসেছিলেন। আপনারা নির্বাচন ছাড়া কোনদিন ক্ষমতায় আসতে পারবেন না।
ড. আব্দুর রাজ্জাক বলেন, নির্বাচন কমিশন স্বাধীন। নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ করার দায়িত্ব তাদের। কমিশনের নিকট আমরা সুষ্ঠু, সুন্দর ও নিরপেক্ষ নির্বাচন চাই। সেটি ব্যালটে, ইভিএমে বা যেভাবেই হোক আমাদের আপত্তি নেই। আমরা স্বচ্ছ, সুন্দর নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে আবারও ক্ষমতায় যেতে চাই। নিরপেক্ষ নির্বাচনে যদি আওয়ামী লীগের পরাজয় হয়, সেটিও আমরা মেনে নেব।
নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে মন্ত্রী বলেন, আপনারা প্রস্তুত থাকুন। যে কোন ধরনের সন্ত্রাস, বর্বরতা ও পৈশাচিকতাকে রুখে দিতে হবে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে সহযোগিতা করতে হবে। নির্বাচন কমিশনকে সহযোগিতা করতে হবে। দেশে একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও সুন্দর নির্বাচনের মাধ্যমে আওয়ামী লীগ আবারও ক্ষমতায় আসবে।
অনুষ্ঠানে সাবেক সংসদ সদস্য সানজিদা খানম, ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি আবু আহমেদ মন্নাফী, সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবিরসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন।

]]>
https://thedailyannadiganta.com/archives/1540/feed 0
বিএনপির ভেতরে-বাইরে কোথাও গণতন্ত্র নেই: কৃষিমন্ত্রী https://thedailyannadiganta.com/archives/1200 https://thedailyannadiganta.com/archives/1200#respond Tue, 14 Mar 2023 13:05:47 +0000 http://thedailyannadiganta.com/?p=1200 বিএনপির ভেতরে যেমন গণতন্ত্রের চর্চা নেই, তেমনি দলের বাইরেও গণতন্ত্রের চর্চা নেই বলে মন্তব্য করেছেন কৃষিমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক।
তিনি বলেছেন, বিএনপির ভেতরে-বাইরে কোথাও গণতন্ত্র নেই। তারেক জিয়া লন্ডনে বসে কালকে যদি চিঠি দেয় বা মুখে বলেন- মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর মহাসচিব না, তাহলে সেটিই হবে, মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর মহাসচিব থাকবে না। কিন্তু আওয়ামী লীগে সম্মেলন ছাড়া এটি কখনোই সম্ভব নয়।
আজ মঙ্গলবার সকালে রাজধানীর হোটেল শেরাটনে ডেমোক্রেসি ইন্টারন্যাশনাল আয়োজিত রাজনৈতিক দলের সক্ষমতা বৃদ্ধিবিষয়ক জাতীয় সংলাপে তিনি এসব কথা বলেন।
কৃষিমন্ত্রী বলেন, নানা প্রতিকূল অবস্থার মধ্যেও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশের গণতন্ত্রের অগ্রগতি এগিয়ে যাচ্ছে। আমাদের মতো দেশে গণতন্ত্রের চর্চা খুব মসৃণ নয়। গণতন্ত্রের যাত্রা তুলনামূলকভাবে নতুন ও অনেক প্রতিকূল অবস্থা রয়েছে। দেশে বারবার গণতন্ত্র বাধাগ্রস্ত হয়েছে। পাকিস্তান আমলে স্বৈরাচার সামরিক শাসন ছিল। স্বাধীনতার পর দীর্ঘদিন জিয়াউর রহমানসহ সামরিক শাসকেরা গণতন্ত্রকে বাধাগ্রস্ত করেছিল। এখনো অগণতান্ত্রিক শক্তিগুলো গণতন্ত্রের পথে বাধা। এসব মোকাবিলা করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে গণতন্ত্র এগিয়ে যাচ্ছে। অচিরেই গণতন্ত্র আরও উন্নত হবে।
আব্দুর রাজ্জাক বলেন, আওয়ামী লীগ খুবই সুসংগঠিত ও শক্তিশালী দল। আওয়ামী লীগ সঠিক পথে রয়েছে। আন্দোলনে করে কখনোই আওয়ামী লীগকে ক্ষমতাচ্যুত করা যাবে না।
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগের আন্তর্জাতিকবিষয়ক সম্পাদক শাম্মী আহমেদ, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক সেলিম মাহমুদ, দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া, ডেমোক্রেসি ইন্টারন্যাশনালের চিফ অব পার্টি ডানা এল. ওল্ডস প্রমুখ। এতে জেলা ও মহানগর পর্যায়ের আওয়ামী লীগের শীর্ষস্থানীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
প্রশিক্ষণ, নারীর অন্তর্ভুক্তি ও রাজনৈতিক ক্ষমতায়ন এবং অভ্যন্তরীণ গণতান্ত্রিক চর্চা শক্তিশালীকরণ কার্যক্রম বিষয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে কাজ করছে ডেমোক্রেসি ইন্টারন্যাশনাল। সংস্থাটি ২০১১ সাল থেকে আওয়ামী লীগের সঙ্গে কাজ করে আসছে। বর্তমানে আওয়ামী লীগের জেলা ও মহানগর পর্যায়ের ২১টি রাজনৈতিক ইউনিটের সঙ্গে কাজ চলছে।
সংলাপে জানান হয়, এ পর্যন্ত ডেমোক্রেসি ইন্টারন্যাশনাল ২৮ হাজার ৬৮৪জন নেতাকর্মীকে প্রশিক্ষণ দিয়েছে। নয় হাজারের বেশি নারী নেত্রী রাজনৈতিক দক্ষতা উন্নয়নবিষয়ক কার্যক্রমে অংশ নিয়েছেন ও ৮৫৭জন নারী নেত্রী তৃণমূল পর্যায়ের বিভিন্ন কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন।

]]>
https://thedailyannadiganta.com/archives/1200/feed 0
বিদ্যুতের দাম বাড়ায় কৃষকের আয় কমবে : কৃষিমন্ত্রী https://thedailyannadiganta.com/archives/818 https://thedailyannadiganta.com/archives/818#respond Thu, 02 Mar 2023 13:35:09 +0000 http://thedailyannadiganta.com/?p=818 বিদ্যুতের দাম বাড়ায় চাষিদের উৎপাদন ও আয় কমে যাবে বলে মন্তব্য করেছেন কৃষিমন্ত্রী ড. আবদুর রাজ্জাক।
তিনি বলেন, বিদ্যুতের দাম বাড়ানোয় কৃষিতে কিছুটা প্রভাব তো পড়বেই।
ফসলে পানি দিতে না পারলে উৎপাদন কম হবে। তবে জমিতে সার দেওয়া নিয়ে কৃষকরা ঝুঁকি নিতে চায় না। ফলে এদেশের চাষিরা নিজের বউয়ের গয়না কিংবা গরু বিক্রি করেও সার কিনবেন। হয়ত চাষিদের কষ্ট হবে, তার আয় কমে যাবে। তার যে লাভ হওয়ার কথা, সেটা হবে না।
বৃহস্পতিবার (২ মার্চ) দুপুরে সচিবালয়ে মন্ত্রণালয় সভাকক্ষে নেদারল্যান্ডসের পিপলস পার্টি ফর ফ্রিডাম অ্যান্ড ডেমোক্র্যাসির (ভিভিডি) এমপি ফিম ভ্যান স্ট্রিয়েনের নেতৃত্বাধীন প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠকের পর তিনি এমন মন্তব্য করেছেন।
বিদ্যুতের দাম বাড়ায় সেচের ওপর প্রভাব পড়তে পারে কিনা এমন প্রশ্নে কৃষিমন্ত্রী বলেন, সব অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে জ্বালানির প্রয়োজন আছে। কৃষি যেহেতু আমাদের একটি মৌলিক বিষয়, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও এ-খাতে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েছেন। সেই হিসেবে বিভিন্ন উপকরণ—সার, রাসায়নিক,পানি, সেচ—এগুলোর ওপর আমরা বিভিন্ন প্রণোদনা ও ভর্তুকি দিয়েছি।
তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারে সারের দাম এতই বেড়েছে, টনপ্রতি আড়াইশ ডলারের সার এক হাজার ডলারে বিক্রি হচ্ছে। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী দাম বাড়াননি। যখন অর্থ মন্ত্রণালয় প্রচণ্ড চাপ সৃষ্টি করছিল যে এ দামে আমরা সার দিতে পারবো না, আপনারা সারের দাম বাড়ান, তখন আমি নিজেও কনভিনসড (রাজি) ছিলাম। পরে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আমি কথাও বলেছি। তিনি বলেছেন, না, সারের দাম বাড়াবো না। সব উন্নয়ন বন্ধ থাকলেও আমরা সারের দাম বাড়াব না। সেই নীতিতে তিনি এখনো অটল আছেন৷
এদেশের চাষিরা নিজের বউয়ের গয়না কিংবা গরু বিক্রি করেও সার কিনবেন উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, জমিতে সার দেওয়ার ক্ষেত্রে কোনোক্রমেই তারা ঝুঁকি নিতে চায় না। হয়ত উৎপাদন ওই রকম কমবে না। কিন্তু চাষিরা ব্যক্তিগতভাবে কিছুটা হলেও ক্ষতিগ্রস্ত হবেন। কিন্তু সরকারের হাতে এর (বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধি) কোনো বিকল্পও নেই।
আবদুর রাজ্জাক বলেন, আমরা তো চাই কৃষকের জীবনযাত্রার মান উন্নত হোক। আমাদের ৬০-৭০ শতাংশ মানুষ গ্রামে বাস করেন। তাদের জীবিকার জন্য কোনো না-কোনোভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। বিদ্যুতের দাম বাড়লে তাদের আয় কমে যাবে, সন্তানদের লেখাপড়াসহ তাদের জীবনযাত্রার মান কমে যাবে। কিন্তু ইউক্রেন যুদ্ধের প্রভাব যেভাবে আন্তর্জাতিক বাজারে পড়েছে, তাতে সরকারেরও কোনো উপায় নেই।
বিদ্যুতের দাম বাড়িয়ে সরকার ঝুঁকি নিচ্ছে, প্রশ্নে হেসে দিয়ে মন্ত্রী বলেন, সেটি তো ঠিকই। চাষির উৎপাদন কিছুটা কমে যাবে। তাদের আয় কিছুটা কমবে।
আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) কাছ থেকে ঋণ গ্রহণ না করলে এভাবে মাসে মাসে বিদ্যুতের দাম বাড়ত কিনা; জানতে চাইলে তিনি বলেন, আইএমএফ তো সারের দামও বাড়াতে বলে। সারে যে ভর্তুকি দিই, সেটিই তো আইএমএফ-ওয়ার্ল্ড ব্যাংক মানে না। তারা সারাজীবন বাধা দিয়ে আসছে। বিএনপির সময় ৯০ টাকা যে সার ছিল, আমরা ১৬ টাকায় দিয়েছি। আইএমএফ-ওয়ার্ল্ড ব্যাংকের কথা শুনতে গিয়ে অনেককেই বেশি মূল্য দিতে হয়েছে। তখন তো প্রধানমন্ত্রীর ওপর অনেক চাপ ছিল। তারা বলতো, সারে ভর্তুকি দিলে তোমরা উন্নয়ন করবে কীভাবে? তাহলে স্কুল-কলেজ ও রাস্তাঘাটের কী হবে। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, আমরা ভর্তুকি দিচ্ছি না, বিনিয়োগ করছি। আমরা সেই বিনিয়োগের ফল পাচ্ছি।
তিনি বলেন, নেদারল্যান্ডসের প্রতিনিধিরা বিশ্বাস করতে পারছেন না যে ২০০৮ সালে আমাদের তিন মিলিয়ন টন সবজি হতো, বর্তমানে তা ২২ মিলিয়ন টন। পৃথিবীর কোনো দেশে ১৩ বছরে সবজির উৎপাদন এত বেড়েছে।

]]>
https://thedailyannadiganta.com/archives/818/feed 0