ভোলা – দৈনিক অন্যদিগন্ত https://thedailyannadiganta.com সত্য ও সুন্দরের খোঁজে প্রতিদিন Thu, 09 Mar 2023 11:02:58 +0000 en-US hourly 1 https://wordpress.org/?v=6.9.4 https://thedailyannadiganta.com/wp-content/uploads/2023/04/cropped-onnodigonto_fav-32x32.jpg ভোলা – দৈনিক অন্যদিগন্ত https://thedailyannadiganta.com 32 32 ভোলার মেঘনায় ইলিশসহ ১৩৮ মণ মাছ জব্দ https://thedailyannadiganta.com/archives/1032 https://thedailyannadiganta.com/archives/1032#respond Thu, 09 Mar 2023 11:02:58 +0000 http://thedailyannadiganta.com/?p=1032 ভোলা জেলা সদরের মেঘনা নদীতে আজ ১৩৮ মণ ইলিশ ও অনান্য মাছ জব্দ করেছে কোস্টগার্ড দক্ষিণ জোনের একটি দল।
বৃহস্পতিবার সকালে মেঘনার রামদাসপুর এলাকায় দু’টি ইঞ্জিন চালিত কাঠের নৌকায় তল্লাশী করে এসব মাছ উদ্ধার করা হয়। এসব মাছের মধ্যে ১০৩ মণ ইলিশ, ১২ মণ পোয়া ও ২৩ মণ ছোট চিংড়ি মাছ রয়েছে।
এসময় কোস্টগার্ডের উপস্থিতি টের পেয়ে জেলেরা পালিয়ে যাওয়ায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।
কোস্টগার্ড দক্ষিণ জোনের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফট্যান্ট কে এম শফিউল কিঞ্জল জানান, ১ মার্চ থেকে ৩০ এপ্রিল দুইমাস অভায়শ্রম এলাকায় ইলিশসহ সব ধরনের মৎস্য শিকার বন্ধে নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নে অভিযান চালানো হয়। এসময় দুটি ইঞ্জিন চালিত কাঠের নৌকা আটক করে তল্লাশী চালিয়ে ১৩৮ মণ মাছ জব্দ করা হয়। পরে জব্দকৃত মাছ বিভিন্ন এতিমখানা, মাদ্রাসা, গরিব ও দুস্থদের মধ্যে বিতরণ করা হয়। এছাড়া আটক দু’টি নৌকার ব্যাপারে আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন বলে জানান তিনি।
জাটকা রক্ষায় জেলার মেঘনা ও তেঁতুলিয়া নদীর ১৯০ কিলোমিটার এলাকার অভায়শ্রমে ১ মার্চ থেকে ৩০ এপ্রিল দুই মাস ইলিশসহ সব ধরনের মৎস্য শিকারে নিষেধাজ্ঞা জারি করে সরকার। এ সময় মৎস্য আহরণ, পরিবহন, মজুদ, বাজারজাতকরণ ও কেনা-বেচা সম্পূর্ণরুপে নিষিদ্ধ।

]]>
https://thedailyannadiganta.com/archives/1032/feed 0
আগামী মে মাস থেকে ভোলার গ্যাস পাবে শিল্প খাত https://thedailyannadiganta.com/archives/870 https://thedailyannadiganta.com/archives/870#respond Fri, 03 Mar 2023 04:51:00 +0000 http://thedailyannadiganta.com/?p=870 ভোলার গ্যাস পাচ্ছে শিল্প খাত। সিএনজিতে রূপান্তর করে এই গ্যাস এনে শিল্পকারখানায় সরবরাহ করা হবে। ইন্ট্রাকো সিএনজি এই কাজ পেতে পারে। প্রতি ঘনমিটারের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৪৬ টাকা ৬০ পয়সা। গত ফেব্রুয়ারি মাস থেকে কার্যকর হওয়া গ্যাসের বর্ধিত দর অনুসারে শিল্পে প্রতি ঘনমিটারের দাম এখন ৩০ টাকা। আর সিএনজি ফিলিং স্টেশনে প্রতি ঘনমিটার গ্যাসের দাম পড়ছে ৪৩ টাকা।
জ্বালানি বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, কয়েকটি কোম্পানি আগ্রহ প্রকাশ করলেও প্রথম পর্যায়ে ইন্ট্রাকোকে ভোলার গ্যাস সিএনজি হিসেবে সরবরাহের কাজ দেওয়া হচ্ছে। প্রথম পর্যায়ে দিনে ৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সিএনজি আকারে আনা হবে। সরকার আপাতত ভালুকা-গাজীপুরের জ্বালানি সংকটে থাকা কারখানায় এই গ্যাস দিতে চায়। এই সংক্রান্ত একটি প্রস্তাবনা ইতোমধ্যে তৈরি করে প্রধানমন্ত্রীর অনুমতির জন্য পাঠানোর প্রস্তুতি নিয়েছে জ্বালানি বিভাগ। আশা করা হচ্ছে, প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদন পেলে চলতি মাসেই ইন্ট্রাকোর সঙ্গে চুক্তি করবে সুন্দরবন গ্যাস কোম্পানি।
ভয়াবহ গ্যাস সংকটে ব্যাহত হচ্ছে শিল্প উৎপাদন। বিদ্যুৎ উৎপাদন কমেছে।
এমন সংকটে ভোলা ক্ষেত্রের গ্যাস আলোচনায় আসে। এখন উৎপাদন সক্ষমতার অর্ধেক গ্যাস তোলা হচ্ছে। চারটি কোম্পানি সিএনজি আকারে গ্যাস পরিবহনে আগ্রহ প্রকাশ করে। এগুলো হলো– ইন্ট্রাকো সিএনজি দৈনিক ৫ থেকে ২০ মিলিয়ন ঘনফুট (এমএমসিএফডি), পার্কার বাংলাদেশ ২৩.৩৪ এমএমসিএফ, হাউলাদার বাংলাদেশ এমএমসিএফ এবং সুপার গ্যাস ৪ এমএমসিএফ গ্যাস সিএনজি আকারে পরিবহনের প্রস্তাব দেয়। বিশেষভাবে রূপান্তরিত ট্রাকে সিলিন্ডারে ভরে (ক্যাসকেড প্রক্রিয়ায়) সড়ক পথে অথবা বার্জে জলপথে নেওয়ার কথা জানায় আগ্রহী কোম্পানিগুলো। জানা গেছে, দৈনিক ২৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সিএনজিতে পরিণত করে পরিবহনের জন্য ৬০টি কম্প্রেসর এবং ২৩৮টি ক্যাসকেড ট্যাঙ্কার প্রয়োজন।
ভোলার গ্যাস সিএনজি আকারে পরিবহনের বিষয়টি খতিয়ে দেখতে সুন্দরবন গ্যাস কোম্পানি ৯ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করে। কমিটি গত ৩১ অক্টোবর তাদের প্রতিবেদন পেট্রোবাংলায় জমা দেয়। প্রতিবেদন অনুসারে বর্তমানে ভোলায় বিদ্যুৎকেন্দ্রসহ দৈনিক গ্যাসের চাহিদা ৮৬ এমএমসিএফ। ভোলার গ্যাস ক্ষেত্রের দৈনিক উৎপাদন সক্ষমতা ১২০ এমএমসিএফ। ফলে উদ্বৃত্ত গ্যাসের পরিমাণ বর্তমানে ৩৪ এমএমসিএফ।
ওই প্রতিবেদনে প্রতি ঘনমিটার দাম ৫১.১২ টাকা প্রস্তাব করা হয়। পরে সার্বিক বিষয় পর্যালোচনা করে প্রতি ঘনমিটারের দাম ৪৬ টাকা ৬০ পয়সা চূড়ান্ত করা হয়।
জানতে চাইলে জ্বালানি বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ড. ম. তামিম সমকালকে বলেন, সিএনজি আকারে ভোলার গ্যাস আনার পরিকল্পনা ভালো উদ্যোগ। অনেক দেশেই এখন এই পদ্ধতি ব্যবহৃত হচ্ছে। তবে বাংলাদেশের কোম্পানিগুলোর পরিবহন সক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। এ বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ। কারণ সিএনজি আকারে গ্যাস পরিবহন খুব ঝুঁকিপূর্ণ।

]]>
https://thedailyannadiganta.com/archives/870/feed 0