মির্জা ফখরুল – দৈনিক অন্যদিগন্ত https://thedailyannadiganta.com সত্য ও সুন্দরের খোঁজে প্রতিদিন Wed, 08 Mar 2023 10:27:04 +0000 en-US hourly 1 https://wordpress.org/?v=6.9.4 https://thedailyannadiganta.com/wp-content/uploads/2023/04/cropped-onnodigonto_fav-32x32.jpg মির্জা ফখরুল – দৈনিক অন্যদিগন্ত https://thedailyannadiganta.com 32 32 ঢাকা নগরী সবচাইতে বিপজ্জনক একটি নগরে পরিণত হয়েছে https://thedailyannadiganta.com/archives/990 https://thedailyannadiganta.com/archives/990#respond Wed, 08 Mar 2023 10:26:43 +0000 http://thedailyannadiganta.com/?p=990 সম্প্রতি রাজধানীতে একাধিক বিস্ফোরণের ঘটনায় সরকারকে দায়ী করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। বলেছেন, আজকে দুর্ভাগ্য আমাদের। এই সরকারের ব্যর্থতার কারণে ঢাকা মহানগরী একটি বিস্ফোরণের নগরীতে পরিণত হয়েছে। বিপজ্জনক নগরীতে পরিণত হয়েছে। গত কয়েক দিন ধরে শুধু বিস্ফোরণ হচ্ছে।
বুধবার (৮ মার্চ) সকালে রাজধানীর নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে আয়োজিত এক র‌্যালিপূর্ব বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে জাতীয়তাবাদী মহিলা দল এই র‌্যালির আয়োজন করে।
ফখরুল বলেন, ‘যে ভবনে বিস্ফোরণ হচ্ছে সেই ভবনে নির্মাণ কাজ, রক্ষণাবেক্ষণ তা দেখাশোনা হয় না। গ্যাস জমে থেকে সাইন্সল্যাবে বিস্ফোরণের তিনজন লোক মারা গেলেন। গতকাল ভয়াবহ বিস্ফোরণ হয়েছে। একটি বাণিজ্যিক ভবনে বিস্ফোরণের ফলে ১৭ জন মানুষ মারা গিয়েছেন। যাদের মধ্যে দুজন মহিলা রয়েছেন। এর আগে চট্টগ্রামে বিস্ফোরণ হলো সেখানে সাতজন লোক মারা গেলেন। কেন হচ্ছে এসব? সরকারের যে ডিপার্টমেন্টগুলো রয়েছে, যাদের এগুলো দেখার কথা, নজরদারিতে রাখার কথা, তারা কোনো কাজ করে না, সব দুর্নীতির সাথে জড়িত। যার কারণে এই ভবনগুলোতে কোনো নিরাপত্তা নেই, বিস্ফোরণ প্রতিরোধ করার, আগুনকে প্রতিরোধ করার কোনো ব্যবস্থা না থাকার কারণে আজকে এভাবে ভয়াবহ বিস্ফোরণে মানুষ প্রাণ হারাচ্ছে। ঢাকা মহানগর এর সবচাইতে বিপজ্জনক একটি নগরে পরিণত হয়েছে।
বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘শুধু তাই নয়, ঢাকা মহানগরের যে বাতাস সেটাকে বলা হচ্ছে পৃথিবীর সবচাইতে দূষিত বাতাস। মজার ব্যাপার হচ্ছে, ইংল্যান্ডে প্রকাশিত ইকোনোমিক্স পত্রিকা; তারা বলছে দূষিত মহানগরকে ছাড়িয়ে এখন দুর্নীতির যে বাতাস এটা এখন বাংলাদেশকে পুরোপুরি গ্রাস করে ফেলছে।
ফখরুল বলেন, ‘আজকে আওয়ামী লীগের আমলে নারীরা যেভাবে নির্যাতিত হচ্ছেন অতীতে কখনো এরকম নির্যাতন হচ্ছে বলে আমার জানা নেই।
মহিলা দলের নেত্রীদের উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, ‘বোনেরা আপনাদের আরও বেশি করে সোচ্চার হতে হবে। আরও বেশি করে সংগঠিত হতে হবে। দেশের মানুষ, বিশেষ করে মহিলাদের সংগঠিত করতে হবে।
ফখরুল বলেন, ‘এদেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় নেত্রী হচ্ছেন বেগম খালেদা জিয়া। আর সম্ভবত নারীদের মধ্যেও তিনি সবচেয়ে জনপ্রিয় নেত্রী। আমি যেখানে যাচ্ছি বয়স্ক মহিলারা জিজ্ঞেস করেন বেগম জিয়া কেমন আছেন। তিনি তাদের বুকের মধ্যেই রয়েছেন। আজকে তারা বেগম জিয়ার মুক্তির জন্য বড় আন্দোলন করে তুলবেন। চলমান আন্দোলনের তারা আরো বেশি করে শরিক হবেন।
বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘বোনেরা! আপনারা যারা নেতৃত্ব দিচ্ছেন আপনাদের আরও বেশি সংগঠক হতে হবে। আন্দোলনের মাধ্যমে এই জগদ্দল পাথরকে সরিয়ে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্ত করতে হবে, এটাই হচ্ছে আমাদের বড় চ্যালেঞ্জ। তারেক রহমানকে দেশে ফিরিয়ে আনতে হবে।
‘বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে মেয়েদের ওপর অত্যাচার করা হচ্ছে, এগুলো কারা করছে, সরকারি দলের লোকেরাই করছে।’ বলেন ফখরুল। তিনি বলেন, ‘ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয় যখন শিক্ষার্থীর ওপর নির্যাতন করা হয় তখন নারীদের একটি সংগঠনও প্রতিবাদের জন্য এগিয়ে আসেনি, দুঃখ হয়। আপনাদের বেরিয়ে আসতে হবে, প্রতিবাদ করতে হবে। প্রতিবাদ না করে কীভাবে আমরা আমাদের অধিকার আদায় করব। কীভাবে আমাদের ন্যায্য দাবি সেটা আদায় করব। আপনারা নিজেদের অধিকারের জন্য রাস্তা নামেন এবং আপনারা সফল হন এই প্রত্যাশা করছি।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন- বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য বেগম সেলিমা রহমান, মহিলা দলের সভাপতি আফরোজা আব্বাস, সাধারণ সম্পাদক সুলতান আহমেদ, সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক হেলেন জেরিন খান, ঢাকা মহানগর উত্তরের আহ্বায়ক নায়েবা ইউসুফ, দক্ষিণের আহ্বায়ক রুমা আক্তার প্রমুখ।

]]>
https://thedailyannadiganta.com/archives/990/feed 0
গণআন্দোলনে সরকার দিশাহারা: মির্জা ফখরুল https://thedailyannadiganta.com/archives/525 https://thedailyannadiganta.com/archives/525#respond Sat, 18 Feb 2023 09:47:24 +0000 http://thedailyannadiganta.com/?p=525 সরকার গণআন্দোলনে দিশাহারা হয়ে আন্দোলনের নেতাকর্মীকে যেকোনো উপায়ে আটক রাখতে মরিয়া হয়ে উঠেছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
শনিবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি এ মন্তব্য করেন।
দলের সহ দপ্তর সম্পাদক তাইফুল ইসলাম টিপু স্বাক্ষরিত বিবৃতিতে মির্জা ফখরুল বলেন, বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক মীর সরফত আলী সপু গতকাল জামিনে মুক্তি পাওয়ার পর কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগারের ফটক থেকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা আবার গ্রেপ্তার করে রমনা থানায় নিয়ে যায়। শারীরিকভাবে ভীষণ অসুস্থ মীর সরফত আলী সপুকে রমনা থানা থেকে হাসপাতালে নেওয়া হলেও ভালোভাবে চিকিৎসা না দিয়ে তড়িঘড়ি করে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়।
তিনি বলেন, সকল মামলায় জামিন পেয়ে মীর সরফত আলী সপু মুক্তি পাওয়ার পর জেলগেট থেকে আবারও তাকে গ্রেপ্তার সরকারের ফ্যাসিবাদী আচরণের বহিঃপ্রকাশ।
মীর সরফত আলী সপুকে জেলগেট থেকে পুনরায় গ্রেপ্তার এবং অসুস্থ অবস্থায় পুলিশ হাসপাতালে নেওয়া হলেও সুচিকিৎসা না দিয়ে তড়িঘড়ি করে আবার থানায় নেওয়ার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে তার সুচিকিৎসা নিশ্চিত করতে হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়ারও জোর দাবি জানান বিএনপি মহাসচিব।
একইসঙ্গে তিনি অবিলম্বে মীর সরফত আলী সপুর নিঃশর্ত মুক্তি দাবি করেন।

]]>
https://thedailyannadiganta.com/archives/525/feed 0
গণতন্ত্র সম্মেলনে বাংলাদেশের দাওয়াত না পাওয়া দুঃখজনক : মির্জা ফখরুল https://thedailyannadiganta.com/archives/502 https://thedailyannadiganta.com/archives/502#respond Fri, 17 Feb 2023 14:05:34 +0000 http://thedailyannadiganta.com/?p=502 আমেরিকায় অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া গণতন্ত্র সম্মেলনে বাংলাদেশের দাওয়াত না পাওয়া খুবই দুঃখজনক বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, এই সরকার বাংলাদেশের গণতন্ত্রের সব কিছু ধ্বংস করে দিয়েছে। আজ বলে দিতে চাই, আওয়ামী লীগ একটি সন্ত্রাসী দল। সেটা এখন পুরো বিশ্বের কাছে প্রমাণিত হয়েছে। আমাদের সোজা কথা, এ সরকারের অধীনে আর ‘কুত্তা’ মার্কা নির্বাচনে আমরা যাব না।
শুক্রবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে গোপীবাগে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির পদযাত্রা কর্মসূচির আগে এসব কথা বলেন তিনি।
মির্জা ফখরুল বলেন, আমরা হেঁটে পথযাত্রায় মানুষকে বার্তা দিয়ে যাব। আর সময় নেই, রাজপথে নেমে আসতে হবে। অনেক হয়েছে এই বিনা ভোটের সরকার মানুষের ওপর নির্যাতন চালিয়ে যাচ্ছে। প্রতিদিন চালের দাম বাড়ছে, ডিম কিনেও খেতে পারছে না। নিত্যপণ্যের দাম বেড়ে গেছে। কোথাও কোনো শান্তি নেই।
দেশের জনগণ গরিব হচ্ছে আর আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা ধনী হচ্ছে দাবি করে তিনি বলেন, এই সরকার ক্ষমতায় টিকে থাকার জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে ব্যবহার করেছে, র‌্যাবকে ব্যবহার করেছিল, তাদের ওপর নিষেধাজ্ঞা এসেছে। এখন তারা পুলিশকে ব্যবহার করছে।
বিএনপির চলমান আন্দোলনে ১০ জন নেতাকর্মীকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে দাবি করে মির্জা ফখরুল বলেন, আমাদের অনেক নেতাকর্মীদের গ্রেপ্তার করা হচ্ছে। রাত হলে পুলিশ পাড়ায়-পাড়ায় আমাদের নেতাকর্মীদের আটক করছে। তবুও তারা আমাদের দমাতে পারছে না। কারণ বিএনপি ক্ষমতায় যাওয়ার রাজনীতি করছে না, জনগণের অধিকার আদায়ের রাজনীতি করছে।
আওয়ামী লীগ এখন বিএনপির আন্দোলনকে ভয় পায় উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, এখনো সময় আছে, সরে যান। এ সরকারের পদত্যাগের দাবি এখন সারা বাংলাদেশের ছড়িয়ে পড়েছে। আন্দোলনে সবসময় দেশের জনগণ জয়ী হয়েছে, এবারও জয়ী হবে।
মির্জা ফখরুল বলেন, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের মাধ্যমে প্রমাণিত হয়েছে এ সংবিধান দিয়ে দেশ পরিচালিত হতে পারে না। আমাদের ২৭ দফার কথা বলেছি, এর মধ্যে রয়েছে সংবিধান সংশোধনের কথা। সব মানুষের অংশগ্রহণে নির্বাচনের জন্য আমরা তত্ত্বাবধায়ক সরকারের কথা বলেছি। চুরির একটা সীমা আছে, এ সরকার সব কিছু ছাড়িয়ে গেছে।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস বলেন, আমরা অতীতে অনেক বক্তব্য দিয়েছি, অনেক সমাবেশ করেছি কিন্তু এই সরকারের শুভ বুদ্ধির উদয় হচ্ছে না। এই পদযাত্রার মাধ্যমে দেশের মানুষকে জানিয়ে দিতে চাই, বিএনপি ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য আন্দোলন করছে না। বিএনপি রাজপথে মিছিল করছে, আন্দোলন করছে জনগণের অধিকারের জন্য।
প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে সরকার আঁতাত করে দেশকে ধ্বংসের প্রান্তে নিয়ে গেছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, তার উদাহরণ আদানি গ্রুপ। তারা কিছু দিক বা না দিক তাদের কোটি কোটি টাকা দিয়ে দিতে হবে। এ সরকার থাকা অবস্থায় মানুষের মুক্তি মিলবে না। এজন্য চাই খালেদা জিয়ার মুক্তি, তারেক রহমানের দেশে ফিরে আসা, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন। এবার আমরা অন্য কোনো সরকারের অধীনে নির্বাচন করব না। একটা দেশ এসে বলে গেল, আওয়ামী লীগকে সমর্থন দেবে। তাদের বলব, আওয়ামী লীগকে নয় দেশের জনককে সমর্থন দেন।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, আমার আপনার জনগণের কথা এক-এই সরকারের পদত্যাগ। আমরা এ সরকারের অধীনে নির্বাচন করব না। কারো ভোট কাউকে দিতে দেব না। সরকার যদি জনগণের শক্তিকে বিশ্বাস করে তাহলে স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করে একটি সুষ্ঠু নির্বাচন দেবে। আমরা জোর করে ক্ষমতায় আসতে চাই না। গণতান্ত্রিক উপায়ে একটা নির্বাচনের মধ্য দিয়ে ক্ষমতায় যেতে চাই। আমাদের দাবি এবং জনগণে দাবি এক, আমাদের দাবির সঙ্গে জনগণের দাবির কোনো অমিল নেই। জনগণের দাবির কাছে কোনো ফ্যাসিবাদী শক্তি টিকে থাকতে পারে না। এ সরকার দেশের অর্থনৈতিক ব্যবস্থাকে ধ্বংস করে দিয়ে শেষ প্রান্তে নিয়ে গেছে। আজ ব্যবসা করতে পারছে না, ব্যাংক টাকা দিচ্ছে না। ব্যাংকের সব টাকা শেখ হাসিনা ও তার অনুগত ব্যক্তিদের কাছে।
পদযাত্রায় অংশ নেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল নোমান, বিএনপি ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আহ্বায়ক আবদুস সালাম, বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন, বিএনপি নেতা ফজলুল হক মিলন, রফিকুল আলম মজনু, ইশরাক হোসেন প্রমুখ।

]]>
https://thedailyannadiganta.com/archives/502/feed 0
সরকার নির্বাচন ব্যবস্থাকে ধ্বংস করে দিয়েছে মন্তব্য মির্জা ফখরুলের https://thedailyannadiganta.com/archives/42 https://thedailyannadiganta.com/archives/42#respond Mon, 23 Jan 2023 09:51:20 +0000 http://thedailyannadiganta.com/?p=42

অনলাইন ডেস্কঃ

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ‘বর্তমান সরকার নির্বাচন ব্যবস্থাকে ধ্বংস করে দিয়েছে। এখন কেউ ভোট দিতে যেতে চায় না। আজকে যে সংসদ আছে সেটা হলো একদলীয় ক্লাব অব আওয়ামী লীগ। তাই আজকে স্বাধীনতার ৫০ বছর পরও আমাদেরকে গণতন্ত্র, ভোটাধিকার, মতপ্রকাশের স্বাধীনতার জন্য রাজপথে রক্ত দিতে হচ্ছে, প্রাণ দিতে হচ্ছে। তারপরও আমরা আমাদের অস্তিত্ব রক্ষা, দেশের মানুষকে বাঁচাতে চাই।
আজ সোমবার (২৩ জানুয়ারি) দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবের আব্দুস সালাম হলে ‘রাষ্ট্র কাঠামো মেরামতের ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণ’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মির্জা ফখরুল এসব কথা বলেন।
বাংলাদেশ সম্মিলিত পেশাজীবী পরিষদ এই আলোচনা সভার আয়োজন করেছে। আয়োজক সংগঠনের আহ্বায়ক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেছেন সংগঠনের সদস্য সচিব কাদের গণি চৌধুরী।

বিএনপি মহাসচিব বলেন,অনির্বাচিত আওয়ামী লীগ সরকার, যারা মুক্তিযুদ্ধের চেতনার কথা বলতে বলতে অজ্ঞান হয়ে যায়। অথচ তাদেরকে ৭২-৭৫ সালে গণতন্ত্র হরণ করে কেন বাকশাল করতে হয়েছে জিজ্ঞাসা করলেই গায়ে আগুন লেগে যায়। আমরা স্বাধীনভাবে কথা বলতে চাই- মতপ্রকাশের স্বাধীনতা চাই, ভোটাধিকার চাই, গণতন্ত্র ফিরে পেতে চাই।’ ঐহিত্যগত, সংস্কৃতি, জীবনমান ও মূল্যবোধ বিরোধী কার্যক্রম পাঠ্যপুস্তকে মেনে নিতে পারি না দাবি করে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘শিক্ষামন্ত্রী বলেছেন আপনারা কেউ ইস্যু তৈরি করবেন না; আমরা সংশোধনের ব্যবস্থা নিচ্ছি। আমাদের বক্তব্যে হচ্ছে অবিলম্বে পাঠ্যপুস্তকের অসংযুক্তিগুলো বাতিল করতে হবে। ইস্যু তো আমরা তৈরি করছি না, বরং আপনারা (সরকার) ইস্যু তৈরি করছেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘আমরা একটি অসম যুদ্ধে সংগ্রাম করছি। যেখানে আমাদের প্রতিপক্ষ অত্যন্ত প্রভাবশালী। যাদের হাতে রয়েছে রাষ্ট্রশক্তিসহ বন্দুক, পিস্তল, গ্রেনেড যা তারা ছুড়ে মারে আর আমাদের নামে মামলা দেয়।

জনগণের উত্তাল তরঙ্গের ঢেউয়ে আওয়ামী লীগ সরকার ভেসে যাবে মন্তব্য করে ফখরুল বলেন, ‘দেশে চলছে এক ব্যক্তির শাসন, কিসের ভোট; তোমাদের ভোটও আমরা দেব। কথায় কথায় বলে গণতন্ত্র হবে আমাদের মতো করে। অথচ তাদের গণতন্ত্রতো বহুদলীয় গণতন্ত্র থেকে একদলীয় বাকশাল প্রতিষ্ঠা করা। স্পষ্ট কথা- বাংলাদেশের মানুষ না খেয়েও হাসে। তারা গণতান্ত্রিক দেশে কথা বলতে চায়, মৌলিক অধিকার আদায়ে তাদের কোনো কম্প্রোমাইজ নাই। সেই লক্ষ্যে বিএনপির ঘোষিত ১০ দফার প্রথম দাবি হচ্ছে এই সরকারের পদত্যাগ, সংসদ বিলুপ্তি, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর করে একটি নতুন নির্বাচন কমিশন গঠনের মাধ্যমে তাদের অধীনে নির্বাচন হবে। জনগণের মধ্যে জাতীয় ঐক্যে সৃষ্টি করে আমরা সেই নির্বাচনে অংশ নিয়ে জনগণের নির্বাচিত সরকার প্রতিষ্ঠা করব।

এসময় আরও বক্তব্য দেন বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আমান উল্লাহ আমান, সাংবাদিক নেতা কামাল উদ্দিন সবুজ, শহীদুল ইসলাম, প্রফেসর সহিদুল হাসান, ড. বোরহান উদ্দিন, প্রমুখ।

]]>
https://thedailyannadiganta.com/archives/42/feed 0