লালমনিরহাট – দৈনিক অন্যদিগন্ত https://thedailyannadiganta.com সত্য ও সুন্দরের খোঁজে প্রতিদিন Sun, 09 Apr 2023 13:19:45 +0000 en-US hourly 1 https://wordpress.org/?v=6.9.4 https://thedailyannadiganta.com/wp-content/uploads/2023/04/cropped-onnodigonto_fav-32x32.jpg লালমনিরহাট – দৈনিক অন্যদিগন্ত https://thedailyannadiganta.com 32 32 লালমনিরহাটের হাতীবান্ধায় যৌতুকের জন্য স্ত্রীর মাথা ফাটালেন স্বামী https://thedailyannadiganta.com/archives/1592 https://thedailyannadiganta.com/archives/1592#respond Sun, 09 Apr 2023 08:16:23 +0000 http://thedailyannadiganta.com/?p=1592 লালমনিরহাটের হাতীবান্ধায় বাবার বাড়ী থেকে যৌতুকের টাকা দিতে না পারায় মারধর করে স্ত্রীর মাথা ফাটিয়ে দিয়েছেন পাষন্ড স্বামী।

এ ঘটনায় স্ত্রী সেলিনা আক্তার গুরুতর হলে , চিকিৎসা শেষে বাবার বাড়ীতে মানবেতর জীবন যাপন করছে।
পাষন্ড স্বামী আশিদুল ইসলাম (৩৬) হাতীবান্ধা উপজেলার সিংগিমারী ইউনিয়নের ধুবনী এলাকার শাহানত আলীর ছেলে।
এ ঘটনায় স্ত্রী সেলিনা খাতুন বিচার চেয়ে হাতীবান্ধা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করলেও পুলিশ মামলাটি আমলে না নিয়ে মিমাংসা করে নেয়ার জন্য চাপ দিচ্ছেন বলে জানান ভুক্তভোগী ওই নারী।
এজাহার ও সরেজমিনে জানা যায়,ওই ইউনিয়নের সিংগিমারী এলকার বিধবা দৌলতন নেছার মেয়ের সাথে আঠারো বছর আগে বিয়ে হয় আশিদুলের। বিয়ের পর থেকেই আশিদুল যৌতুকের টাকার জন্য অমানুষিক নির্যাতন চালাতো সেলিনার উপর। নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে সেলিনা তার বিধবা মায়ের বসতবাড়ি বিক্রি করে যৌতুকের একলক্ষ টাকা পাষন্ড স্বামীর হাতে তুলে দেন। এর পর কিছুদিন ভালই চলছিলো তাদের ঘরসংসার। কিন্তু যৌতুক লোভী স্বামী আবারও টাকার জন্য চাপ দিয়ে শুরু করে শারীরিক নির্যাতন। নির্যাতনের একপর্যায়ে কাঠের লাঠি দিয়ে মাথায় আঘাত করে আশিদুল।সেলিনা গুরুতর অসুস্থ হলে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে হাতীবান্ধা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। সেখানে চার দিন চিকিৎসা শেষে ন্যায় বিচার চেয়ে হাতীবান্ধা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন ভুক্তভোগী সেলিনা।
এবিষয়ে আশিদুল বলেন, আমার বউকে আমি মেরেছি তাতে আপনাদের কি। তার বাড়ী থেকে টাকা না দিলে তাকে আরও মারবো।
মামলার তদন্তকারী উপ -পুলিশ পরিদর্শক (এস আই) রেজাউল করিম জানান, বিষয়টি সিংগিমারী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মিমাংসার জন্য বসবে বলেছে। তিনি আরও বলেন ওই বাদী তো আমার কাছে আর আসেনি তাদের আসতে বলেন বিষয়টি আমি দেখবো।

হাতীবান্ধা থানার অফিসার ইনচার্জ শাহা আলম বলেন অভিযোগ পেয়েছি তদন্ত চলমান আছে দ্রুত আইনি প্রদক্ষেপ নেয়া হবে।

]]>
https://thedailyannadiganta.com/archives/1592/feed 0
লালমনিরহাটে এক পরিবারে সাত প্রতিবন্ধী-দোতারাতে চলে সংসার! https://thedailyannadiganta.com/archives/1563 https://thedailyannadiganta.com/archives/1563#respond Sun, 09 Apr 2023 03:55:22 +0000 http://thedailyannadiganta.com/?p=1563 লালমনিরহাটের আদিতমারী উপজেলার দুর্গাপুর ইউনিয়নের দীঘলটারী সাংকাচওড়া গ্রামে একটি পরিবারে সাতজন প্রতিবন্ধী। এদের মধ্যে পাঁচজন দৃষ্টি প্রতিবন্ধী, একজন মানসিক ও একজন শ্রবণ প্রতিবন্ধী রয়েছেন।

বর্তমানে পরিবারটিতে একমাত্র উপার্জনক্ষম বড় ছেলে দৃষ্টি প্রতিবন্ধী নুরন নবী (২৬)। তিনি গান গেয়ে পরিবারের ভরণ-পোষণ করে থাকেন। আর গান গাইতে দোতারাই তার একমাত্র সম্বল। নুরন নবী ওই গ্রামের বাসিন্দা দৃষ্টি প্রতিবন্ধী এন্তাজুল হকের ছেলে।

স্থানীয়রা জানান, জন্মলগ্ন থেকে দৃষ্টি প্রতিবন্ধী এন্তাজুল হক। তার স্ত্রীর নাম নুরজাহান বেগম। তিনি শারীরিক ভাবে সুস্থ, যে কারণে আগে তার সহায়তাতেই পরিচালিত হতো এন্তাজুলের সংসার। একপর্যায়ে সংসারে তাদের প্রথম সন্তান নুরন নবীর জন্ম হয়। কিন্তু সন্তানটি বাবার মতোই দৃষ্টি প্রতিবন্ধী হয়। এর দুই বছর পর দ্বিতীয় সন্তান নুর আলম (২৪) দৃষ্টি প্রতিবন্ধী হয়ে জন্ম নেয়। একইভাবে তৃতীয় সন্তান লিমন ইসলাম (২২) ও চতুর্থ সন্তান রেশমার (১৩) জন্ম নেয়। তারাও দৃষ্টি প্রতিবন্ধী হয়ে জন্মগ্রহণ করে।

এভাবেই পরিবারটিতে নতুন চারজন দৃষ্টি প্রতিবন্ধীর জন্ম হয়। বাবা-মা-সহ পরিবারটির ছয়জন সদস্যের মধ্যে পাঁচজনই দৃষ্টি শক্তিহীন। নুরজাহানই সংসারটির একমাত্র সুস্থ ও উপার্জনক্ষম ছিলেন। সর্বশেষ গত ৯ বছর আগে নুরজাহান-এন্তাজুল দম্পতির সংসারে সুস্থ সবল শিশু সেমন ইসলামের জন্ম হয়। তাদের সাতজনের পরিবারে পাঁচজনই দৃষ্টি প্রতিবন্ধী। এরই মধ্যে বড় দুই ছেলেকে বিয়ে দিয়েছেন নুরজাহান-এন্তাজুল দম্পতি। দৃষ্টি প্রতিবন্ধী দুই ছেলেকে বিয়ে করতে কোনো সুস্থ মেয়ে রাজি না হওয়ায় একজনকে মানসিক ও একজনকে শ্রবণ প্রতিবন্ধী মেয়ের সঙ্গে বিয়ে সম্পন্ন করা হয়েছে। এনিয়ে তাদের পরিবারে প্রতিবন্ধীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে সাতজন। বড় দুই ছেলের ঘরে নাতি-নাতনি পেয়েছেন নুরজাহান-এন্তাজুল দম্পতি। তবে নাতি-নাতনিরা সুস্থ ও স্বাভাবিকভাবে জন্ম নিয়েছে।

বর্তমানে এই সাতজন প্রতিবন্ধীর সংসার চলে দোতরা বাজিয়ে গান করা বড় ছেলে নুরন নবীর আয় দিয়ে। বিভিন্ন হাট-বাজার ও গ্রামগঞ্জে গান গেয়ে ও শারীরিক কসরত দেখিয়ে যা আয় হয় তা দিয়ে চলে সাতজন প্রতিবন্ধীর এই বড় সংসার। গানে আয় হলে পেটে ভাত জোটে, না হলে উপোষ থাকতে হয় তাদের। জীবনের অনেক রাত তাদের অভুক্ত কেটেছে। নুরজাহান অন্যের বাড়িতে ঝিয়ের কাজ করে দৃষ্টিহীন স্বামী ও চার সন্তানের মুখে ভাত তুলে দিয়েছেন।

এক সময় বুঝতে শেখা বড় ছেলে নুরন নবীকে আরডি আরএস প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়ে ভর্তি করে দেন। সেখানে কয়েক মাসের বেশি পড়া হয়নি নুরন নবীর। পড়াশোনা না হলেও দোতারা বাজানো শিখে নেন। পরবর্তীকালে নিজের প্রচেষ্টায় গান করা শুরু করেন। বয়সের ভারে নাজুক নুরজাহান ঝিয়ের কাজে অক্ষম হলে খাদ্য সংকটে পড়ে পরিবারটি। নিরুপায় নুরন নবী দৃষ্টি প্রতিবন্ধী হলেও সংসারের ঘানি টানতে নিজেই দোতারা নিয়ে বেড়িয়ে পড়েন। লাঠির সাহায্যে ও ছোট যান-বাহনের সাহায্যে বিভিন্ন হাট-বাজারে গিয়ে দোতরা বাজিয়ে গান ও শারীরিক কসরত দেখান নুরন নবী। নিজের ও তার পরিবারে করুন চিত্র তুলে গান রচনাও করেছেন তিনি। তার গান শুনে খুশি হয়ে মানুষ যা দেয় তা দিয়ে কোনো রকম খেয়ে না খেয়ে চলে তাদের সংসার।

সরকারের সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী প্রকল্পের আওতায় তাদের সাতজন প্রতিবন্ধীর পাঁচজনই ভাতা পাচ্ছেন। প্রতি মাসে জনপ্রতি ৭০০ হারে পাওয়া টাকা এবং নুরন নবীর দোরাতার গানের আয়ে চলছে তাদের ১০ সদস্যের সংসার।

সাত প্রতিবন্ধীর সংসারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি দৃষ্টি প্রতিবন্ধী নুরন নবী বলেন, গান বাজনা করতে হাটে-বাজারে যেতে হয়। সেখানে একা যাওয়া এবং আসর জমানো কষ্টকর। প্রথমদিকে অন্যের সহায়তা নিতাম। কিন্তু যাকে সঙ্গে রাখি সে চুরি করে। তাই একাই চলি। গান গেয়ে ৩০০-৪০০ টাকা আয় হয়, তা দিয়ে চলছে এ সংসার। আমাকে স্থায়ীভাবে স্বাবলম্বী করার পথ করে দিতে সমাজের বিত্তবান ব্যক্তিদের কাছে অনুরোধ রইলো।

নুরন নবীর বাবা এন্তাজুল বলেন, প্রথম দিকে স্ত্রীর আয়ে আর পরে বড় ছেলের দোতারার গানে চলছে সংসার। সুস্থ কোনো ছেলে অন্ধ মেয়েকে বিয়ে করে না। তাই দু’জন প্রতিবন্ধীর সঙ্গে দুই ছেলের বিয়ে দিয়েছি। বড় ছেলের শ্বশুর-শাশুড়িও দৃষ্টি প্রতিবন্ধী।

দুর্গাপুর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান নান্নু বলেন, ওই পরিবারের পাঁচজন দৃষ্টি প্রতিবন্ধীকে সরকারিভাবে ভাতা দেওয়া হচ্ছে। নুরন নবী দৃষ্টি প্রতিবন্ধি হলেও তার দোতারার সুর ও গান বেশ ভালো।

]]>
https://thedailyannadiganta.com/archives/1563/feed 0
লালমনিরহাটে দৈনিক আমার সংবাদ পত্রিকার ১০ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন https://thedailyannadiganta.com/archives/805 https://thedailyannadiganta.com/archives/805#respond Thu, 02 Mar 2023 02:24:31 +0000 http://thedailyannadiganta.com/?p=805 গতকাল ০২ মার্চ এলজিইডি মিলনায়তনে দৈনিক আমার সংবাদ পত্রিকার ১০ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত হয়েছে।
উক্ত প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনাব,মোঃ অ্যাডঃ মতিয়ার রহমান,সাধারণ সম্পাদক,বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান লালমনিরহাট।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন,জনাব,মোঃরেজাউল করিম স্বপন,মেয়র,লালমনিরহাট পৌরসভা,জনাব,সাখোয়াত হোসেন সুমন খান,যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক,বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ,লালমনিরহাট জেলা শাখা,জনাব,মোঃ কামরুজ্জামান সুজন,চেয়ারম্যান,সদর উপজেলা পরিষদ,লালমনিরহাট,জনাব,ফেরদৌসী রহমান বিউটি,কবি,সাহিত্যিক,লেখক,সমাজ সেবক,লালমনিরহাট,জনাব,এরশাদুল আলম,অফিসার ইনচার্জ,সদর থানা,লালমনিরহাট।
আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন,জনাব,মোঃ মোফখখারুল ইসলাম মজনু,সিনিয়র সাংবাদিক,লালমনিরহাট,জনাব,মোঃআলতাফুর রহমান আলতাফ,সিনিয়র সাংবাদিক,লালমনিরহাট,জনাব,মোঃ আহমেদুর রহমান মুকুল,সিনিয়র সাংবাদিক,লালমনিরহাট,জনাব,মোঃ জাহাঙ্গীর আলম শাহিন,সিনিয়র সাংবাদিক,লালমনিরহাট,জনাব, মোঃ মিজানুর রহমান মিজান,সাধারণ সম্পাদক,বাংলাদেশ প্রেসক্লাব,লালমনিরহাট জেলা শাখা।
আমন্ত্রিত অতিথি ও বিশেষ অতিথিদের শুভেচ্ছা বক্তব্যের শেষে দৈনিক আমার সংবাদ পত্রিকার ১০ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা শেষে কেক কাটা হয়।
প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর উক্ত অনুষ্ঠানে জেলায় কর্মরত সকল ইলেকট্রনিক্স ও প্রিন্ট মিডিয়ার সাংবাদিক গন উপস্থিত ছিলেন।
উক্ত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন,জনাব,এস,আর শরিফুল ইসলাম রতন,জেলা প্রতিনিধি দৈনিক আমার সংবাদ ও প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি, বাংলাদেশ প্রেসক্লাব,লালমনিরহাট জেলা শাখা।

বিজ্ঞাপন/লালমনি

]]>
https://thedailyannadiganta.com/archives/805/feed 0
লালমনি লোকউৎসব-১৪২৯ উদযাপন উপলক্ষ্যে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত https://thedailyannadiganta.com/archives/753 https://thedailyannadiganta.com/archives/753#respond Tue, 28 Feb 2023 15:01:29 +0000 http://thedailyannadiganta.com/?p=753 লালমনি লোকউৎসব ১৪২৯ উদযাপন উপলক্ষ্যে সংবাদ সম্মেলন করেছে লোকসংস্কৃতি গবেষণা ও উন্নয়ন কেন্দ্র। সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয় লোক উৎসব এ থাকছে সাপের খেলা, বানরের খেলা,যাত্রাপালা সহ নানান আয়োজন।
মঙ্গলবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) লালমনিরহাট পৌর এলাকার পুরাতন এমটি হোসেন ইনস্টিটিউট এ সংবাদ সম্মেলন অনু্ষ্ঠিত হয়।সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন লোকসংস্কৃতি গবেষণা ও উন্নয়ন কেন্দ্ৰের আহ্বায়ক সূফী মোহাম্মদ। তিনি তার লিখিত বক্তব্যে বলেন,একটি দেশ বা একটি জাতির আত্মপরিচয় তার লোকসংস্কৃতি।কৃষি ও শ্রমজীবী সাধারণ মানুষকে কেন্দ্র করেই উদ্ভব হয়েছে লোকসংস্কৃতির। বাংলাদেশের লোকসংস্কৃতি এদেশের মূল সংস্কৃতির ভিত্তি। তাই বিশ্বব্যাপী সাংস্কৃতিক আগ্রাসন রোধে দেশজ সংস্কৃতির বিকাশ, দেশের ঐতিহ্য ও
সংস্কৃতি অত্যন্ত জরুরি হয়ে পড়েছে। তাই নতুন প্রজন্মের মাঝে লোকচর্চার বহুদূরপ্রসারী ব্যবস্থার জন্য লালমনিরহাট জেলা সদরে লোকসংস্কৃতি গবেষণা ও উন্নয়ন কেন্দ্র গঠনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। লোকসংস্কৃতি, অনুষ্ঠানজাত লোকসংস্কৃতি এবং প্রার্থনামূলক লোকসংস্কৃতি বিষয়ে চর্চাবৃদ্ধি, গবেষণা, উন্নয়ন ও সংরক্ষণের মাধ্যমে অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গড়ে তোলাই আমাদের
মূল লক্ষ্য। সে উপলক্ষ্যে আগামী২ থেকে ৪ মার্চ, ২০২৩, বৃহস্পতি, শুক্র ও শনিবার ৩দিনব্যাপী লালমনি লোকউৎসব ১৪২৯-এর আয়োজন করা হয়েছে। এ উৎসবের মূলমন্ত্র শেকড়ে সৃজনে মুক্তি।
উৎসবটি পালিত হবে লালমনিরহাটের ঐতিহ্যবাহী শতবর্ষী ঘূর্ণায়মান নাট্যমঞ্চ এম, টি, হোসেন ইনস্টিটিউট প্রাঙ্গনে।
সংবাদ সম্মেলনে আরও জানানো হয় সুদীর্ঘ গৌরোবোজ্জ্বল ইতিহাসে উত্তরের এক ঐতিহ্যবাহী জনপদ লালমনিরহাট। দু’শ বছরের ব্রিটিশ শাসনামলে পাশ্চাত্য সভ্যতার সাথে ভারতীয়
সংস্কৃতির সমন্বিত বিকাশ ঘটেছিল এ জনপদে। লালমনিরহাটে এশিয়ার অন্যতম বৃহৎ এয়ারপোর্ট ও বিভাগীয় রেলওয়ের সদর দপ্তর হওয়ার কারণে উচ্চপদস্থ দেশিয় ও বিলেতি সাহেবেরা এখানে স্থায়ীভাবে বসবাস করতেন। এখানে একটি সুস্থ ও উঁচুমানের সাংস্কৃতিক আবহের বিকাশ ঘটেছিল।
২০০৩ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে এম, টি, হোসেন ইনস্টিটিউটের কার্যালয় বর্তমান রেল স্টেশনের পশ্চিমে উর্দূ স্কুলে স্থানান্তর করা হয়। এতে তদারকি ও রক্ষণাবেক্ষণের অবহেলায় পড়ে যায়। এ সুযোগে
একশ্রেণীর মানুষ অসামাজিক কার্যকলাপ ও
মাদকের অভায়ারণ্যে পরিনত করে। দিনে দিনে হারিয়ে যেতে থাকে এর মূল্যবান সামগ্রী ও ঐতিহ্যবাহী সম্পদগুলো। দখল করে নেয়
এর প্রাঙ্গন, খুলে নিয়ে যায় ইট, লোহা। আজ এর কঙ্কালসার অবস্থা দেখলে কোনভাবেই বোঝার উপায় নেই যে,একসময় এর এত গৌরবময় অতীত ছিল। সেই এম, টি, হোসেন ইনস্টিটিউট আজ ধ্বংসপ্রায়। এ ইনস্টিটিউট পুনঃসংস্কারের যৌক্তিক দাবি নিয়ে ঐতিহ্য সংরক্ষণ পরিষদ-এর ব্যানারে আন্দোলন চলমান। তাই সর্বস্তরের মানুষের সম্প্রীতির তীর্থস্থানে পরিণত করতে
শেকড়ে সৃজনে মুক্তি স্লোগানে তিন দিন ব্যাপী এ আয়োজন। এখানে থাকছে কামার শালা, মৃৎ শিল্পীরা কিভাবে কাজ করে তার নমুনা। বাউলরা সংগীতগন। এক বিয়েরগীত গাওয়ার জন্য থাকছে ৮০ জনের একটি শিল্পী দল। আর ও থাকছে সাপের খেলা, বানরের খেলা, যাত্রাপালা সহ অনেক কিছুই।
অনু্ষ্ঠানের প্রচার কমিটির আহব্বায়ক মাসুদ রানা রাশেদ, সদস্য সচিব হেলাল হোসেন কবির।সংবাদ সম্মেলন ইলেকট্রনিক্স ও প্রিন্ট মিডিয়ার সাংবাদিক গন উপস্থিত ছিলেন।

বিজ্ঞপ্তি/লালমনি

]]>
https://thedailyannadiganta.com/archives/753/feed 0