সিটি নির্বাচন – দৈনিক অন্যদিগন্ত https://thedailyannadiganta.com সত্য ও সুন্দরের খোঁজে প্রতিদিন Mon, 12 Jun 2023 11:06:36 +0000 en-US hourly 1 https://wordpress.org/?v=6.9.4 https://thedailyannadiganta.com/wp-content/uploads/2023/04/cropped-onnodigonto_fav-32x32.jpg সিটি নির্বাচন – দৈনিক অন্যদিগন্ত https://thedailyannadiganta.com 32 32 খুলনা-বরিশালে ভোট গ্রহণ শেষে ফলের অপেক্ষা https://thedailyannadiganta.com/archives/2187 https://thedailyannadiganta.com/archives/2187#respond Mon, 12 Jun 2023 11:06:36 +0000 http://thedailyannadiganta.com/?p=2187 বড় কোনো ঝামেলা ছাড়াই ভোট গ্রহণ শেষ হলো খুলনা ও বরিশাল সিটি নির্বাচনে। সারাদিন উৎসবমুখর পরিবেশে দুই সিটিতেই ভোট দিয়েছেন ভোটাররা। এবার প্রথম ভোটে ইলেক্ট্রনিক ভোটিং মেশিন ব্যবহার হলেও ভোট দিতে কোনো সমস্যা হয়নি বলে জানিয়েছেন ভোটাররা। সোমবার সকাল ৮টায় দুই সিটিতেই ভোটগ্রহণ শুরু হয়। আর শেষ হয় বিকাল ৪টা পর্যন্ত। ভোটগ্রহণ সুষ্ঠু করতে আগে থেকেই ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছিলো নির্বাচন কমিশন। ভোটকেন্দ্রগুলো রাখা হয় সিসিটিভি ক্যামেরার নজরদারিতে যা নির্বাচন কমিশন থেকে পর্যবেক্ষণ করা হয়। নির্বিঘ্নে ইভিএমে ভোট দিতে পেরে খুশি বেশিরভাগ মানুষ। তবে কিছু কেন্দ্রে কারিগরি সমস্যা, বয়স্কদের আঙুলের ছাপ না মেলাসহ বিভিন্ন কারণে ভোটদানে ছিল ধীরগতি। খুলনা সিটিতে ২০১৮ সালের নির্বাচনে প্রথমবারের মতো কিছু কেন্দ্রে ব্যবহার হয় ইভিএম। এবার নগরীর ২৮৯টি কেন্দ্রের সবগুলোতেই ইভিএমে ভোট হচ্ছে। সকাল থেকে বিভিন্ন কেন্দ্র ঘুরে দেখা যায়, তেমন কোনো সমস্যা ছাড়াই ইভিএমে ভোট দিচ্ছেন ভোটাররা। বয়স্কদের আঙুলের ছাপ না মেলাসহ কিছুটা সমস্যা হলেও তরুণরা ইভিএমে ভোট দিয়ে উচ্ছ্বসিত। জীবনের প্রথম ভোট দেওয়ার অভিজ্ঞতা জানালেন অনেকে। খুলনা মহানগরীর পাইওনিয়ার বালিকা বিদ্যালয় কেন্দ্রে তরুণ ভোটার শোভন জানান, এবারই তিনি প্রথম ভোটার হয়েছেন। প্রথম ভোটটা ইভিএমে দিয়ে তিনি সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন। বরিশাল সরকারি কলেজ কেন্দ্রে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে কারিগরি ত্রুটির কারণে প্রায় ঘণ্টাখানেক বন্ধ ছিল ইভিএমে ভোটগ্রহণ। কয়েকটি কেন্দ্রে ইভিএমে ভোট দেওয়ায় ধীরগতি দেখা গেছে। তবে বেশিরভাগ কেন্দ্রে ইভিএম ব্যবহার করে স্বস্তিতেই ভোট দেওয়ার কথা জানান ভোটাররা। বরিশাল সরকারি কলেজ কেন্দ্রে ভোট দিতে আসা খলিল জানান, ইভিএমে ভোট দেওয়ার বিষয়টি তার কাছে নতুন। তাই একটু সময় লেগেছে। তবে ভোট দিয়ে স্বস্তির কথা জানিয়েছেন তিনি। বরিশাল সরকারি কলেজ কেন্দ্রের প্রিজাইডিং অফিসার আনোয়ার হোসেন দীপু জানান, কোনো কেন্দ্র বা বুথে ইভিএমে সমস্যা দেখা দিলেই দ্রুত তার সমাধান করা হচ্ছে। এতে ভোটারদের সাময়িক ভোগান্তি হতে পারে। ইভিএমে ভোট হওয়ায় উন্নত প্রযুক্তির ব্যবহারে দ্রুত ফলাফল পাওয়া যাবে, এমনটাই আশা করছে ভোটাররা। খুলনা সিটির ৩১ টি ওয়ার্ডে মোট ভোট কেন্দ্র ২৮৯টি। মোট ভোটার ৫ লাখ ৩৫ হাজার ৫২৯ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ২ লাখ ৬৮ হাজার ৮৩৩ জন এবং মহিলা ভোটার ২ লাখ ৬৬ হাজার ৬৯৬ জন। এবারের নির্বাচনে মেয়র পদে লড়ছেন পাঁচজন। আর সাধারণ কাউন্সিলর পদে ১৩৬ জন ও সংরক্ষিত কাউন্সিলর পদে ৩৯ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। নির্বাচনে গতবারের মতো এবারও আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেয়েছেন তালুকদার আব্দুল খালেক। নির্বাচনে তার প্রতিদ্বন্দ্বী ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. আ. আউয়াল, জাতীয় পার্টির মো. শফিকুল ইসলাম মধু, জাকের পার্টির এস এম সাব্বির হোসেন এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী এস এম শফিকুর রহমান। সিটি করপোরেশনে উন্নীত হওয়ার পর এটি হতে যাচ্ছে খুলনায় ষষ্ঠ নির্বাচন। আগের ৫ সিটি নির্বাচনে তিনবার বিএনপি ও দুইবার আওয়ামী লীগের প্রার্থীরা মেয়র পদে নির্বাচিত হয়েছেন। এরমধ্যে ১৯৯৪ ও ২০০২ সালের সিটি নির্বাচনে মেয়র হন বিএনপির শেখ তৈয়বুর রহমান এবং ২০০৮ ও ২০১৩ সালের নির্বাচনে মেয়র হন আওয়ামী লীগের তালুকদার আব্দুল খালেক। আর ২০১৩ সালে মেয়র নির্বাচিত হন বিএনপির মো. মনিরুজ্জমান মনি। এদিকে বরিশাল সিটিতেও বড় কোনো গলযোগ ছাড়াই শান্তিপূর্নভাবে ভোট দিয়েছেন ভোটাররা। তবে একটি কেন্দ্র পরিদর্শনে গিয়ে হামলার মুখে পড়ার অভিযোগ করেছেন ইসলামী আন্দোলের মেয়রপ্রার্থী মুফতী সৈয়দ ফয়জুল করীম। বরিশাল মহানগর পুলিশ কমিশনারের কাছে দেয়া লিখিত অভিযোগে তিনি দাবি করেন, এজেন্টকে বের করে দেওয়ার খবর শুনে ছাবেরা খাতুন মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয় কেন্দ্র পরিদর্শনে গেলে ক্ষমতাসীন দলের কর্মীদের হামলার শিকার হন তিনি। বরিশাল সিটির ৩০টি ওয়ার্ডে মোট ভোটার দুই লাখ ৭৬ হাজার ২৯৮ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার এক লাখ ৩৭ হাজার ৪৮৯ জন এবং নারী ভোটার এক লাখ ৩৮ হাজার ৮০৯ জন। বিএনপিহীন এ নির্বাচনে মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দিতা করছেন সাতজন প্রার্থী। এ ছাড়া ৩০টি ওয়ার্ডের সাধারণ কাউন্সিলর পদে ১১৯ জন এবং সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলরের ১০টি পদের বিপরীতে ৪২ প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এবারের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনয়ন দিয়েছে আবুল খায়ের আব্দুল্লাহকে। তিনি আওয়ামী লীগের প্রতীক নৌকা নিয়ে নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন। নির্বাচনে তার প্রতিদ্বন্দ্বিরা হলেন, জাতীয় পার্টির মো. ইকবাল হোসেন, জাকের পার্টির মিজানুর রহমান বাচ্চু এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মুফতী সৈয়দ মো. ফয়জুল করিম। এছাড়াও তিনজন স্বতন্ত্র প্রার্থী নির্বাচনে মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তারা হলেন হরিণ প্রতীকে মো. আলী হোসেন হাওলাদার, হাতি প্রতীকে মো. আসাদুজ্জামান এবং টেবিল ঘড়ি নিয়ে মো. কামরুল আহসান। বরিশাল পৌরসভা সিটি করপোরেশনে উন্নীত হয় ২০০২ সালে। এর বর্তমান আয়তন ৫৮ বর্গকিলোমিটার। আগের তিনটি সিটি নির্বাচনে ২ বার আওয়ামী লীগ ও একবার বিএনপির মেয়র প্রার্থীরা বিজয়ী হয়েছিলেন এই সিটিতে। এরমধ্যে ২০০৮ সালে নির্বাচিত হন আওয়ামী লীগের শওকত হোসেন হিরণ, ২০১৩ সালে বিএনপির আহসান হাবিব কামাল ২০১৩ এবং সবশেষ ২০১৮ সালে আওয়ামী লীগের সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ।

]]>
https://thedailyannadiganta.com/archives/2187/feed 0
গাজীপুরের নগরমাতা জায়েদা খাতুন https://thedailyannadiganta.com/archives/2130 https://thedailyannadiganta.com/archives/2130#respond Thu, 25 May 2023 19:50:24 +0000 http://thedailyannadiganta.com/?p=2130 গাজীপুর সিটি করপোরেশনের নাগরিকেরা বেছে নিয়েছে তাদের নতুন নগরমাতাকে। ২০১৩ সালে যাত্রা শুরু করা দেশের সবচেয়ে বড় সিটি করপোরেশনের মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন এই নির্বাচনের আগে মেয়রের মা হিসেবে পরিচিতি পাওয়া জায়েদা খাতুন। ১৬ হাজার ১৯৭ ভোটে তিনি হারিয়েছেন নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী আজমত উল্লা খানকে।
৪৮০ কেন্দ্রের ফলাফলে টেবিল ঘড়ি প্রতীকে জায়েদা খাতুন পেয়েছেন ২ লাখ ৩৮ হাজার ৯৩৪ তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী নৌকা প্রতীকে ২ লাখ ২২ হাজার ৭৩৭ ভোট পেয়েছেন।
প্রথমবার ২০১৩ সালের নির্বাচনেও বিএনপির প্রার্থী এম. এ মান্নানের কাছে হেরেছিলেন আজমত। বলা যায় এবারের হারে গাজীপুরে তাঁর রাজনীতির পথ অনেকটাই সংকুচিত হল।
ফল ঘোষণার পরপরই সেখানে উপস্থিত গাজীপুরের সাবেক মেয়র, আওয়ামী লীগ থেকে স্থায়ী বহিষ্কার হওয়া জাহাঙ্গীর আলম নিজের প্রতিক্রিয়ার বলেন– ‘এ জয় গাজীপুরে মানুষের।’
পুরো নির্বাচনে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) ব্যবহারের কারণে ধারণা ছিল ভোটগ্রহণের পর দুয়েক ঘন্টার মধ্যেই হয়তো ফলাফল ঘোষণা হয়ে যাবে। সেই সময় গিয়ে ঠেকল রাত দেড়টায়। বেলা সোয়া একটার কিছু পরে ৪৮০ কেন্দ্রের মধ্য সবগুলোর ফলাফল ঘোষণা করেন জিসিসি নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. ফরিদুল ইসলাম। এ সময় বঙ্গতাজ অডিটরিয়ামে সাবেক মেয়র জাহাঙ্গীর আলম ছাড়া আর কোনো মেয়র প্রার্থী বা তাদের সমন্বয়কদের কেউ উপস্থিত ছিলেন না।
এ সময় পুলিশের উপকমিশনার ইব্রাহীম খান বলেন, ‘ফল ঘোষণার ৭২ ঘণ্টার মধ্যে কোনো মিছিল এবং স্লোগান দেওয়া যাবে না। উৎসবমুখর পরিবেশে যেভাবে ভোট দিয়েছেন। যাই ফলাফল হয়েছে সবাই মেনে, সংযত থাকবেন।
২০১৮ সালে নৌকা প্রতীকে গাজীপুরের মেয়র নির্বাচিত হন ব্যবসায়ী জাহাঙ্গীর আলম। কিন্তু বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে কটূক্তির অভিযোগে মেয়াদ পূরণের আগেই নিজের পদ হারাতে হয় তাকে। দল থেকে সাময়িক বরখাস্তও হন। এবারের নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থীর বিরুদ্ধে দাঁড়ানোর পর হন স্থায়ী বহিষ্কার। কিন্তু নিজের বয়স্ক মাকে নিয়ে মাঠে ছিলেন। আম্মাজান চলচ্চিত্রের শীর্ষ সংগীত আম্মাজান আম্মাজান আপনি বড় মেহেরবান, এই গান বাজিয়ে গত কয়েক দিন ধরে ছুটেছেন গাজীপুরের এ মাথা থেকে ও মাথা। ২৫ মের নির্বাচনের ফলাফল নিজেই বলে দিল অনেক প্রশ্নের উত্তর।

]]>
https://thedailyannadiganta.com/archives/2130/feed 0
উৎসবমুখর ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে গাজীপুর সিটিতে ভোট গ্রহণ চলছে https://thedailyannadiganta.com/archives/2127 https://thedailyannadiganta.com/archives/2127#respond Thu, 25 May 2023 07:50:08 +0000 http://thedailyannadiganta.com/?p=2127 উৎসবমুখর ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনে ভোট গ্রহণ চলছে। সকাল ৮টা থেকে বিরতিহীনভাবে ইলেক্ট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম) ভোট গ্রহণ শুরু হয়েছে, চলবে বিকেল ৪টা পর্যন্ত।
সকাল থেকে ভোটকেন্দ্র গুলোতে ভোটারের দীর্ঘ লাইন লক্ষ্য করা গেছে। পুরুষ ভোটারের পাশাপাশি নারী ভোটারদের উপস্থিতি ছিল লক্ষণীয়। এটি এই সিটির তৃতীয় নির্বাচন। ইতোমধ্যে অবাধ, সুষ্ঠু, উৎসবমুখর ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
গত ৯ মে থেকে ২৩ মে মঙ্গলবার রাত ১২টা পর্যন্ত টানা ১৫ দিন ধরে চলে নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা। নির্বাচনে মেয়র ও কাউন্সিলর প্রার্থীরা দিনরাত প্রচার-প্রচারণা চালিয়েছেন। নির্বাচনের প্রচার-প্রচারণার শেষ দিন পর্যন্ত সার্বিক পরিস্থিতি ছিল স্বাভাবিক।
ইসি সূত্র জানায়, ৩২৯.৯০ বর্গ কিলোমিটার আয়তনের গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের ৫৭টি ওয়ার্ডে ৪৮০টি ভোট কেন্দ্রে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এজন্য ৪৮০ জন প্রিসাইডিং অফিসার, ৩ হাজার ৪৯৭ জন সহকারি  প্রিসাইডিং অফিসার, ৬ হাজার ৯৯৪ জন পোলিং অফিসারসহ মোট ১০ হাজার ৯৭১ জন ভোট গ্রহণ কর্মকর্তা নিয়োগ দেয়া হয়েছে। ৩৩৩টি প্রতিষ্ঠানে ৪৮০টি ভোটকেন্দ্রে ভোট গ্রহণ করা হচ্ছে। নির্বাচনে মোট ৪৮০টি ভোট কেন্দ্রের মধ্যে ৩৫১টি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে চিহ্নিত করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. ফরিদুল ইসলাম জানান, অতি গুরুত্বপূর্ণ ভোট কেন্দ্রগুলোতে আইনশৃংখলা বাহিনীর সদস্য ছাড়াও পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। ভোটকেন্দ্রগুলোর নিরাপত্তা বিধান ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রগুলোতে অস্ত্রসহ একজন এসআই অথবা এএসআই ও চারজন কনস্টেবল, অস্ত্রসহ একজন অঙ্গীভূত আনসার পিসি, একজন অস্ত্রসহ আনসার এপিসি, লাঠিসহ চারজন নারী ও ৬ জন পুরুষ আনসার/ভিডিপি সদস্যসহ মোট ১৭ জন মোতায়েন রয়েছে। আর সাধারণ কেন্দ্রগুলোতে অস্ত্রসহ একজন এসআই অথবা এএসআই ও তিনজন কনস্টেবল, অস্ত্রসহ একজন অঙ্গীভূত আনসার পিসি, একজন অস্ত্রসহ এপিসি, লাঠিসহ চারজন নারী ও ৬ জন পুরুষ আনসার/ভিডিপি সদস্যসহ মোট ১৬ জন মোতায়েন আছেন।
নির্বাচনী এলাকায় শান্তিশৃঙ্খলা রক্ষার্থে মোবাইল টিম ও স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে দায়িত্ব পালনের জন্য পুলিশ, এপিবিএন, ব্যাটালিয়ন আনসার, বিজিবি ও র‌্যাব দায়িত্ব পালন করছে। এরমধ্যে প্রতিটি সাধারণ কেন্দ্রে একটি করে মোবাইল ফোর্স, প্রতি তিনটি সাধারণ ওয়ার্ডে একটি করে স্ট্রাইকিং ফোর্স মোতায়েন রয়েছে। এছাড়া প্রতিটি থানা এলাকায় একটি করে মোট ৮টি রিজার্ভ স্ট্রাইকিং ফোর্স মোতায়েন রয়েছে। প্রতি দুইটি সাধারণ ওয়ার্ডে একটি করে র‌্যাবের মোট ৩০টি টিম কাজ করছে। নগরীর ৫টি সাধারণ ওয়ার্ডে এক প্লাটুন করে মোট ১৩ প্লাটুন বিজিবি সদস্য মোতায়েন রয়েছে।
এদিকে গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের নির্বাচনী এলাকায় আজ সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। রোববার জন প্রশাসন মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে এই আদেশ জারি করা হয়। আজ এই এলাকার সব ব্যাংকও বন্ধ রয়েছে।
গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের প্রথম নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ২০১৩ সালের ৬ জুলাই। দ্বিতীয় সিটি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ২০১৮ সালের ২৬ জুন। এবার তৃতীয়বারের মতো এ সিটি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে আজ।

]]>
https://thedailyannadiganta.com/archives/2127/feed 0
নৌকা ছাড়া কাউকে ভোটকেন্দ্রে আসতে দেবেন না’ বলে প্রার্থিতা হারালেন আ.লীগ নেতা https://thedailyannadiganta.com/archives/2111 https://thedailyannadiganta.com/archives/2111#respond Wed, 24 May 2023 14:49:10 +0000 http://thedailyannadiganta.com/?p=2111 গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ৪০ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থী আজিজুর রহমানের প্রার্থিতা বাতিল করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ‘নৌকা ছাড়া কাউকে ভোটকেন্দ্রে আসতে দেবেন না’ বক্তব্য দিয়ে ত্রাস ও ভীতি প্রদর্শন করায় তাঁর প্রার্থিতা বাতিল করা হয়েছে। আজ বুধবার ভোটের আগের দিন নির্বাচন কমিশনে শুনানির পর এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
ইসি সচিব মো. জাহাংগীর আলম বলেন, এ প্রার্থীর বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় এবং তা স্বীকার করার প্রেক্ষিতে লাটিম প্রতীকে কাউন্সিলর প্রার্থীর প্রার্থিতা বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে।
আজিজুর রহমান গত সোমবার (২২ মে) সন্ধ্যা ৭টায় পুবাইল এলাকার কলের বাজার নামক স্থানে মিছিল ও জনসভা করেন। এ জনসভায় ‘নৌকা ছাড়া কাউকে ভোট কেন্দ্রে আসতে দেবেন না’ বলে ত্রাস সৃষ্টি এবং ভীতি প্রদর্শনমূলক বক্তব্য দেন, যা বিভিন্ন গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের নির্দেশক্রমে এ বিষয়ে রিটার্নিং অফিসার তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিল করেছেন।
বেআইনি মিছিল, জনসভা ও ত্রাস সৃষ্টি এবং ভীতি প্রদর্শনমূলক বক্তব্য প্রদান স্থানীয় সরকার (সিটি কর্পোরেশন) নির্বাচন বিধিমালা, ২০১০ এর বিধি ৯১ এবং সিটি কর্পোরেশন (নির্বাচন আচরণ) বিধিমালা, ২০১৬ এর বিধি ৩১ ও ৩২ এর পরিপন্থি। তদন্ত প্রতিবেদনে এ বিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ার পর এ প্রার্থীকে তলব করা হয়।
মো. জাহাংগীর আলম জানান, প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী হাবিবুল আউয়ালের উপস্থিতিতে চার নির্বাচন কমিশনারের সামনে ব্যাখ্যা দেওয়ার পর প্রার্থী ক্ষমা প্রার্থনা করলেও তা গৃহীত হয়নি। পরে কমিশন সুষ্ঠু নির্বাচনের স্বার্থে এ প্রার্থীর প্রার্থিতা বাতিল ঘোষণা করেছে। এর ফলে ইভিএমের ভোটের ব্যালটে আর এ প্রার্থীরা প্রতীক থাকবে না।

]]>
https://thedailyannadiganta.com/archives/2111/feed 0
গাজীপুর সিটিতে নিশ্চিদ্র নিরাপত্তার মাধ্যমে সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করব : জিএমপি কমিশনার https://thedailyannadiganta.com/archives/2089 https://thedailyannadiganta.com/archives/2089#respond Wed, 24 May 2023 08:56:17 +0000 http://thedailyannadiganta.com/?p=2089 গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ (জিএমপি’র) কমিশনার মোল্যা নজরুল ইসলাম বলেন, নিশ্চিদ্র নিরাপত্তার মাধ্যমে গাজীপুরের সিটি করপোরেশনের নাগরিকদের জন্য সুষ্ঠু সুন্দর নির্বাচন উপহার দিতে পারি সেটা নিশ্চিত করব। নির্বাচন কেন্দ্রের আশেপাশে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর মোবাইল ডিউটি, স্ট্রাইকিং ফোর্স, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট থাকবে। এটা একটা সমন্বিত প্রয়াশ। আমরা সবাই মিলে একসাথে কাজ করব।
বুধবার (২৪ মে) বেলা সাগে ১১ টায় শহরের শহীদ বরকত স্টেডিয়ামে গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে দায়িত্বপ্রাপ্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নিরাপত্তা ব্রিফিং অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্য তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি আরো বলেন, আমাদের মূল উদ্দেশ্য একটি সুষ্ঠু নির্বাচন করার জন্য। জনগন আসবে সুষ্ঠু, সুন্দরভাবে ভোট দিয়ে যাতে চলে যেতে পারে। আমরা দেখিয়ে দিতে চাই পুরো গাজীপুরসহ সারা বিশ্বের লোকজন তাকিয়ে আছে আমাদের দিকে। আমরা যাতে একটি ভালো সুষ্ঠু নির্বাচন দিতে পারি।
কোনো ধরনের চ্যালেঞ্জ আছে কিনা সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, আমরা বুধবার (২৪ মে) পর্যন্ত সুন্দরভাবে চলে আসছি। আগামীকাল নির্বাচনের দিন আপানারা যাতে সুন্দরভাবে জাতি ও দেশবাসীকে জানাতে পারেন সে বিষয়টি আমরা নিশ্চিত করবো। সিটি নির্বাচনে ৪৮০ টি কেন্দ্রের মধ্যে ৩৫১ টি কেন্দ্র গুরুত্বপূর্ণ। সুতরাং ৩৫১ টি কেন্দ্রে আমরা আলাদাভাবে গুরুত্ব দিব।
নির্বাচনের দায়িত্বপ্রাপ্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সকল সদস্যদের উদেশ্যে তিনি বলেন, প্রিজাইডিং অফিসাররের ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতা আছে। যে কোনো বিষয়ে প্রিজাইডিং অফিসাররের যোগাযোগ করে আইনুনানুযায়ী ব্যবস্থা নিতে হবে। ভোট কেন্দ্র সঠিক ভাবে আছে কিনা। নিরাপত্তার কোনো ঝুঁকি আছে কিনা। কোথায় নিরাপত্তার ঝুঁকি। এসব বিষয়ে প্রিজাডিং অফিসারের সাথে যোগাযোগ করতে হবে। আমাদের পারস্পারিক যোগাযোগের মাধ্যমে আমরা যাতে নির্বাচনটা সঠিকভাবে করতে পারি।
যখন ভোট গ্রহণ শুরু হবে সবাই যাতে লাইনে দাঁড়াতে পারে, কেউ যেন পেশী শক্তি ব্যবহার করতে না পারে, কেউ যাতে ও মাস্তানি করতে না পারে এ বিষয়গুলো খেয়াল রাখতে হবে। ভোটার ও জনগণের সাথে সুন্দর ব্যবহার করতে হবে। আমাদের অনেক মা বোনেরা আছে, মা বোনদের সাথে সুন্দর ব্যবহার করতে হবে। অনেক ভোটার আসবে হয়তো চোখে দেখে না, পায়ে হাটতে পারেনা, যেভাবে সাহায্য করা যায় সাহায্য করবেন।
গাজীপুর সিটি নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা ফরিদুল ইসলাম বলেন, জেলা প্রশাসনসহ সকল বাহিনী মিলে সিটি নির্বাচনকে সফল করার জন্য কাজ করছে। নির্বাচন কমিশনসহ সকলের একটাই চাওয়া সবাই যেন কমিশনকে সহেযোগীতা করে। সকলের সহযোগীতায় মাধ্যমে আমরা যেন গাজীপুরে মডেল নির্বাচন জাতিকে উপহার দিতে পারি। সিটি নির্বাচনে পাঁচ স্তরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েন করে গাজীপুরকে নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে দেওয়া হয়েছে।
এজেন্ট বের করে দেওয়া হবে কিনা সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, আপনারা যেরকম আশঙ্কা করছেন সবগুলো বিষয়ে আমাদের নজরে আছে। এগুলো মাথায় রেখে আমরা সবকিছু পরিস্থিতি বিবেচনা করছি এবং সেই ভাবেই আমরা কাজ করছি। যদি এ ধরনের কোনো ঘটনা আমাদের নজরে আসে তাৎক্ষনিক আমাদের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ব্যবস্থা নিবে এবং ওই প্রার্থীর এজেন্টকে আমরা নিশ্চিত করবো সে কেন্দ্রে অবস্থান করার জন্য। আইনের মধ্যে থেকে যে সুযোগ সুবিধা পাওয়ার কথা আমরা তার জন্য সেগুলো নিশ্চিত করব। গাজীপুরের সকল ভোটরদেরকে উদাত্ত আহবান জানাব তারা যেন নির্ভিঘ্নে, নির্ভয়ে ভোট কেন্দ্রে এসে তা টছন্দ্রে প্রতীক এবং তার পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিতে পারে। তারা সুষ্ঠু সুন্দর পরিবেশে ভোট দিবে এবং তাদের ভোটাধিকার আমরা নিশ্চিত করার জন্য সর্বাত্নক কাজ করে যাচ্ছি।
গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ (জিএমপি’র) উপ-কমিশনার (এসবি) আবুল বাশার মো: আতিকুর রহমান জানান, ৫ হাজার পুলিশ সদস্য, প্রতি কেন্দ্রে ২ জন করে মোট ৯৬০ জন আনসার ব্যাটালিয়ান, প্রতি কেন্দ্রে ১০ জন করে ৪ হাজার ৮০০ গ্রাম পুলিশ, ৫৭ টি ওয়ার্ডে একজন নির্বাহী ম্যজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে আনসার সদস্য নিয়োজিত থাকবে।
এছাড়াও নগরীর ৫৭ টি ওয়ার্ডে ৫৭ জন ম্যাজিস্ট্রেট এবং ১৯ জন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, ২০ প্লাটুন বিজিবি, র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ান (র‌্যাব) সদস্য মোতায়েন থাকবে।
নিরাপত্তা ব্রিফিং অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন গাজীপুরের জেলা প্রশাসক আনিসুর রহমান, গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ’র (জিএমপি’র) অতিরিক্ত কমিশনার মোহাম্মদ ইলতুৎমিশ, অতিরিক্ত কমিশনার (প্রশাসন ও অর্থ) মো. জিয়াউল হক, বিজিব’র মেজর মো. ইকবাল, রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. ফরিদুল ইসলাম। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ (জিএমপি’র) গোয়েন্দা বিভাগের উপ-কমিশনার ইব্রাহিম হোসেন, গাজীপুর জেলা আনসার ভিডিপি কর্মকর্তা (ডিস্ট্রিক অ্যাডজুটেন্ট) আশরাফুল ইসলামসহ আইনশৃঙ্খলা বাহীনীর বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

]]>
https://thedailyannadiganta.com/archives/2089/feed 0
খুলনা সিটিতে প্রতীক বরাদ্দ না পেলেও নেতা কর্মীদের উজ্জীবিত করতে চলছে সভা সেমিনার https://thedailyannadiganta.com/archives/2077 https://thedailyannadiganta.com/archives/2077#respond Tue, 23 May 2023 15:06:09 +0000 http://thedailyannadiganta.com/?p=2077 প্রতীক বরাদ্দের আগে দলীয় সভা সেমিনার ও বিভিন্ন মসজিদে নামায আদায়ের মধ্যদিয়ে সময় পার করছে খুলনা সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনের মেয়র প্রার্থীরা। তবে স্বতন্ত্র দুই মেয়র প্রার্থীর অভিযোগ নির্বাচনের আচরণ বিধি লঙ্ঘন করছে সরকারি দল।
অন্যদিকে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী বলছেন নির্বাচনে আচরণ বিধি মেনেই সকল কার্যক্রম পরিচালনা করছেন তারা। আর রিটার্নিং কর্মকর্তা বলছে ২৬ তারিখ থেকে আচরণ বিধি লঙ্ঘন রুখতে মাঠে থাকবে ১০ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট।
খুলনা সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনের প্রতীক বরাদ্দ আগামী ২৬ মে। প্রতীক বরাদ্ধ না হলেও দলীয় সভা সেমিনারে সময় পার করছেন প্রতিদ্বন্দ্বী মেয়র প্রার্থীরা। নির্বাচনী প্রচার প্রচারণার আগেই দলের নেতা কর্মীদের উজ্জীবিত করতে দিন ভর চলছে এই সভা সেমিনার।
তবে স্বতন্ত্র দুই মেয়র প্রার্থীর অভিযোগ সরকারি দল আওয়ামী লীগের দিকে। তাদের দাবী আচরণ বিধি লঙ্ঘন করছে তারা।
অন্যদিকে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ মনোনীত তালুকদার আব্দুল খালেক বলেন, আচরণ বিধি মেনে ঘরোয়া পরিবেশে সভা সেমিনার করছেন তারা। ২৬ তারিখের পর আচরণ বিধি মেনেই প্রচার প্রচারণা শুরু করবেন তিনি ও তার দল।
রিটার্নিং কর্মকর্তা বলছেন, ইতিমধ্যে নির্বাচনী এলাকায় সফর থাকায় দুই মন্ত্রীকে আচরণ বিধির বিষয়ে সতর্ক করে চিঠি দেওয়া হয়েছে। ২৬ তারিখের পর থেকে মাঠে থাকবে ১০ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট।
আগামী ১২ জুন খুলনায় অনুষ্ঠিত হবে সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন। নির্বাচনে মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বী করছে চার প্রার্থী।

]]>
https://thedailyannadiganta.com/archives/2077/feed 0