১০:৫১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুলাই ২০২৪, ২ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

চুয়াডাঙ্গায় বিএনপির ১৭ নেতা-কর্মী কারাগারে

চুয়াডাঙ্গায় নাশকতা মামলায় দামুড়হুদা উপজেলা বিএনপির সভাপতি মনিরুজ্জামান, সাধারণ সম্পাদক রফিকুল হাসান তনু ও জেলা কৃষক দলের সভাপতি মোকাররম হোসেনসহ ১৭ নেতা-কর্মীকে জেলা কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে জেলা ও দায়রা জজ আদালতে হাজির হয়ে জামিন আবেদন করেন বিএনপির নেতা-কর্মীরা। পরে আসামিদের জামিন না মঞ্জুর করে জেলা কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন আদালতের বিচারক জেলা ও দায়রা জজ মো. জিয়া হায়দার।
এর পূর্বে গত ৯ ফেব্রুয়ারি রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে দামুড়হুদা পাইলট হাইস্কুল মাঠে অভিযান চালিয়ে বিএনপির ৫ নেতা-কর্মীকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এসময় তাদের নিকট থেকে ৭টি বোমা সদৃশ বস্তু ও ১৫টি বাঁশের লাঠি উদ্ধার করে। পরদিন ১০ ফেব্রুয়ারি বাদী হয়ে ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনের ১৫/৩ ধারায় ২২ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা ২০-২৫ জনের নামে একটি মামলা দায়ের করেন দামুড়হুদা মডেল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) সোয়াদ বিন মোবারক। পরে ১৫ ফেব্রুয়ারি উচ্চ আদালত থেকে ৬ সপ্তাহের জামিন নেন দামুড়হুদা উপজেলা বিএনপির সভাপতি মনিরুজ্জামান, সাধারণ সম্পাদক রফিকুল হাসান তনু, জেলা কৃষক দলের সভাপতি মোকাররম হোসেনসহ বিএনপির ১৭ নেতা-কর্মী। গত সোমবার জামিনের মেয়াদ শেষ হলে গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে চুয়াডাঙ্গা জেলা ও দায়রা জজ আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন চাইলে বিচারক তাঁদের জেল হাজতে পাঠানোর আদেশ দেন।
আসামি পক্ষের আইনজীবী এম এম শাহজাহান মুকুল জানান, আলোচিত মামলায় কারাগারে পাঠানো ১৭ নেতা-কর্মীর জামিনের জন্য উচ্চ আদালতে যাওয়ার প্রস্তুতি চলছে।

চুয়াডাঙ্গায় বিএনপির ১৭ নেতা-কর্মী কারাগারে

প্রকাশ : ০৯:২৯:২৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ মার্চ ২০২৩

চুয়াডাঙ্গায় নাশকতা মামলায় দামুড়হুদা উপজেলা বিএনপির সভাপতি মনিরুজ্জামান, সাধারণ সম্পাদক রফিকুল হাসান তনু ও জেলা কৃষক দলের সভাপতি মোকাররম হোসেনসহ ১৭ নেতা-কর্মীকে জেলা কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে জেলা ও দায়রা জজ আদালতে হাজির হয়ে জামিন আবেদন করেন বিএনপির নেতা-কর্মীরা। পরে আসামিদের জামিন না মঞ্জুর করে জেলা কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন আদালতের বিচারক জেলা ও দায়রা জজ মো. জিয়া হায়দার।
এর পূর্বে গত ৯ ফেব্রুয়ারি রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে দামুড়হুদা পাইলট হাইস্কুল মাঠে অভিযান চালিয়ে বিএনপির ৫ নেতা-কর্মীকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এসময় তাদের নিকট থেকে ৭টি বোমা সদৃশ বস্তু ও ১৫টি বাঁশের লাঠি উদ্ধার করে। পরদিন ১০ ফেব্রুয়ারি বাদী হয়ে ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনের ১৫/৩ ধারায় ২২ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা ২০-২৫ জনের নামে একটি মামলা দায়ের করেন দামুড়হুদা মডেল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) সোয়াদ বিন মোবারক। পরে ১৫ ফেব্রুয়ারি উচ্চ আদালত থেকে ৬ সপ্তাহের জামিন নেন দামুড়হুদা উপজেলা বিএনপির সভাপতি মনিরুজ্জামান, সাধারণ সম্পাদক রফিকুল হাসান তনু, জেলা কৃষক দলের সভাপতি মোকাররম হোসেনসহ বিএনপির ১৭ নেতা-কর্মী। গত সোমবার জামিনের মেয়াদ শেষ হলে গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে চুয়াডাঙ্গা জেলা ও দায়রা জজ আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন চাইলে বিচারক তাঁদের জেল হাজতে পাঠানোর আদেশ দেন।
আসামি পক্ষের আইনজীবী এম এম শাহজাহান মুকুল জানান, আলোচিত মামলায় কারাগারে পাঠানো ১৭ নেতা-কর্মীর জামিনের জন্য উচ্চ আদালতে যাওয়ার প্রস্তুতি চলছে।