ঢাকা ০১:১৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুলাই ২০২৪, ২৭ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

ধুনটে আগুনে পুড়ে মারা গেল কৃষকের ৬টি গবাদিপশু

বগুড়ার ধুনটে গোয়ালঘরে অগ্নিকাণ্ডে মধু প্রামাণিক (৪৮) নামে এক কৃষকের ১টি গরু ও ৫টি ছাগল পুড়ে মারা গেছে। এছাড়া ২টি গরু এবং ২টি ছাগল দগ্ধ হয়েছে।

সেগুলোর অবস্থাও সংকটাপন্ন। ধারণা করা হচ্ছে, মশার কয়েল থেকে আগুনের সূত্রপাত হতে পারে।

বৃহস্পতিবার (৩০শে মার্চ) দিবাগত রাত সাড়ে ১২ টার দিকে উপজেলার কালেরপাড়া ইউনিয়নের আনারপুর ঘুগড়াপাড়া গ্রামে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

ধুনট উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল হাই খোকন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

কৃষক মধু প্রামাণিক জানান, প্রতিদিনের মতই বৃহস্পতিবার রাতে গোয়ালঘরে গরু,ছাগল বেঁধে রেখে মশার কয়েল ধরিয়ে দিয়ে আমরা ঘুমিয়ে পড়ি। মাঝরাতে প্রতিবেশীদের চিৎকার শুনে বাহিরে এসে তাকিয়ে দেখি আমার পুরো গোয়ালঘরটি আগুনে জ্বলছে।
তাৎক্ষণিকভাবে ফায়ার সার্ভিস টিমকে খবর দিলে তারা এসে প্রায় ঘণ্টাখানেক চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। ততক্ষণে আমার গোয়ালঘর সহ গরু ছাগল পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।

মধু প্রামাণিক আরও বলেন, এ গবাদিপশু গুলোই ছিল আমার সম্বল। মৃত ১টি গরু ও ৫টি ছাগলের দাম অন্তত ১ লাখ ২০ হাজার টাকা হতো। এ ছাড়া ঘরটিতেও অন্তত ৫০ হাজার টাকার উপকরণ ছিল।’

উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল হাই খোকন বলেন, ‘আগুন লাগার খবর পেয়ে বৃহস্পতিবার রাতেই আমি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। এছাড়া ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারটিকে আর্থিকভাবে সহায়তা দেওয়ার বিষয়টি উপজেলা প্রশাসনকে অবহিত করা হবে। সরকারিভাবে আমরা তার পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছি।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে যুদ্ধ বিরতি চুক্তিতে বাধা দেয়ার অভিযোগ

ধুনটে আগুনে পুড়ে মারা গেল কৃষকের ৬টি গবাদিপশু

আপডেট সময় : ০৭:৪৩:০২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ মার্চ ২০২৩

বগুড়ার ধুনটে গোয়ালঘরে অগ্নিকাণ্ডে মধু প্রামাণিক (৪৮) নামে এক কৃষকের ১টি গরু ও ৫টি ছাগল পুড়ে মারা গেছে। এছাড়া ২টি গরু এবং ২টি ছাগল দগ্ধ হয়েছে।

সেগুলোর অবস্থাও সংকটাপন্ন। ধারণা করা হচ্ছে, মশার কয়েল থেকে আগুনের সূত্রপাত হতে পারে।

বৃহস্পতিবার (৩০শে মার্চ) দিবাগত রাত সাড়ে ১২ টার দিকে উপজেলার কালেরপাড়া ইউনিয়নের আনারপুর ঘুগড়াপাড়া গ্রামে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

ধুনট উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল হাই খোকন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

কৃষক মধু প্রামাণিক জানান, প্রতিদিনের মতই বৃহস্পতিবার রাতে গোয়ালঘরে গরু,ছাগল বেঁধে রেখে মশার কয়েল ধরিয়ে দিয়ে আমরা ঘুমিয়ে পড়ি। মাঝরাতে প্রতিবেশীদের চিৎকার শুনে বাহিরে এসে তাকিয়ে দেখি আমার পুরো গোয়ালঘরটি আগুনে জ্বলছে।
তাৎক্ষণিকভাবে ফায়ার সার্ভিস টিমকে খবর দিলে তারা এসে প্রায় ঘণ্টাখানেক চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। ততক্ষণে আমার গোয়ালঘর সহ গরু ছাগল পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।

মধু প্রামাণিক আরও বলেন, এ গবাদিপশু গুলোই ছিল আমার সম্বল। মৃত ১টি গরু ও ৫টি ছাগলের দাম অন্তত ১ লাখ ২০ হাজার টাকা হতো। এ ছাড়া ঘরটিতেও অন্তত ৫০ হাজার টাকার উপকরণ ছিল।’

উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল হাই খোকন বলেন, ‘আগুন লাগার খবর পেয়ে বৃহস্পতিবার রাতেই আমি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। এছাড়া ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারটিকে আর্থিকভাবে সহায়তা দেওয়ার বিষয়টি উপজেলা প্রশাসনকে অবহিত করা হবে। সরকারিভাবে আমরা তার পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছি।