১১:৩৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুলাই ২০২৪, ২ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

চুয়াডাঙ্গায় যাত্রীবাহী বাস খাদে পড়ে নিহত ১, আহত অন্তত ১৬

চুয়াডাঙ্গা-ঝিনাইদহ মহাসড়কে রয়েল এক্সপ্রেসকে ওভারটেক করার সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পূর্বাশা পরিবহনের একটি বাস উল্টে খাদে পড়ার ঘটনা ঘটেছে। এতে ঘটনাস্থলেই বাসের সুপারভাইজার সাগর (২৫) নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছে আরও অন্তত ১৬ জন। গতকাল সোমবার রাত ১২টার দিকে ঝিনাইদহ সদর উপজেলার সাধুহাটি ইউনিয়নের বোড়াই গ্রামের রাতুল মার্কেটের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে চুয়াডাঙ্গা ও ঝিনাইদহ ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধারকাজ শুরু করে। এসময় ঘটনাস্থলের নিকটবর্তী চুয়াডাঙ্গা ও ঝিনাইদহ জেলার পুলিশ উদ্ধারকাজে অংশ নেয়। ঘটনার পরপরই পালিয়ে যান বাসের চালক ও হেলপার।
নিহত সাগর আলী চুয়াডাঙ্গার দর্শনা ইসলাম বাজারপাড়ার বাবু হোসেনের ছেলে। আহতেরা হলেন- আলমডাঙ্গা উপজেলার গোকুলখালী গ্রামের নূর ইসলামের ছেলে আলামিন (২৪), দামুড়হুদা উপজেলার পোতারপাড়ার আলতাব হোসনের ছেলে শাহাবুল ইসলাম (৬০), একই উপজেলার জয়রামপুরের ফরজ আলীর ছেলে মিরাজ (২২), দর্শনা পুরাতন বাজারপাড়ার রুস্তম আলীর ছেলে নাহিদ (৩৫), চুয়াডাঙ্গা কোর্টপাড়ার আকছেদ আলীর ছেলে গোলাম আজম (৫৭), সুমিরদিয়া নিলার মোড় এলাকার কটা ফাকিরের মেয়ে মেহেরুন (৩০), জীবননগর উপজেলার বৈদ্যনাথপুর গ্রামের দিদার মন্ডলের ছেলে শরিফুল ইসলাম (২৮), ঢাকার মোহাম্মদপুরের মহসিন তালুকদারের ছেলে তাকি। এ ছাড়া আটকে পড়া বাস যাত্রীদের উদ্ধার করার সময় আহত হন হোসেন আলী নামের একজন ফায়ারফাইটার।
ঘটনাস্থলে আটকে পড়া যাত্রীদের উদ্ধার করছেন ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা
জানা যায়, গতকাল রাত ১১টা ১৫ মিনিটে চুয়াডাঙ্গা বড় বাজার থেকে পূর্বাশা পরিবহনের ঢাকা মেট্রো-ব-১৫-৫২৪২ রেজিস্ট্রেশন নম্বরের এসি বাসটি ১৮ থেকে ২০ জন যাত্রী নিয়ে ঢাকার উদ্দেশ্যে যাত্রা করে। বাসটি ঝিনাইদহ সাধুহাটি ইউনিয়নের বোড়াই এলাকায় পৌঁছালে রয়েল এক্সপ্রেস পরিবহনের একটি বাসকে ওভারটেক করার চেষ্টা করে। এ সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বাসটি রাস্তার পাশের খাদে উল্টে যায়। এতে বাসের অন্তত ১৫ জন যাত্রী আহত হয়। দুর্ঘটনা স্থলেই মৃত্যু হয় বাসের সুপারভাইজার সাগরের। তবে বাসের চালক ও হেলপারের কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি। পরে চুয়াডাঙ্গা ও ঝিনাইদহ ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে বাসের ৯ জন যাত্রীকে উদ্ধার করে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে নেয়। আহত আরও কয়েকজন যাত্রী স্থানীয়দের সহযোগিতায় চিকিৎসা নেন।
স্থানীয় এক ব্যক্তি জানান, দুর্ঘটনাস্থলের অদূরে মহাসড়কের পাশেই এক ব্যক্তির পুকুর ভরাটের কাজ চলছিল। ট্রাক্টরে করে মাটি বহনের সময় রাস্তার ওপর ও চারপাশে মাটি ও কাদা ছড়িয়ে ছিটিয়ে ছিল। রাস্তার ওপরে থাকা কাদার কারণে বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলে। শব্দ শুনে গ্রামের অনেকে ঘটনাস্থলে ছুটে আসে। এসময় স্থানীয়দের সহায়তায় বাসের কয়েকজন যাত্রী বের হতে পারলেও বেশির ভাগ যাত্রী আটকে পড়ে। পরে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা বাস কেটে যাত্রীদের উদ্ধার করে। এরমধ্যে একটি লাশও উদ্ধার করে পুলিশ।
পূর্বাশা পরিহবনের যাত্রী আল মেরাজ দুর্ঘটনার বর্ণনা দিতে গিয়ে বলেন, ‘রয়েল এক্সপ্রেস পরিবহনের একটি বাস আমাদের বাসের সামনেই ছিল। বাসটিকে ওভারকেট করার চেষ্টা করছিলেন এই বাসের চালক। দুটি বাসই ঘণ্টায় ১০০ কিলোমিটারের বেশি গতিতে ছুটছিল। ওভারটেক করার সময় আমরা রাস্তার যেখানে ছিলাম, রাস্তার ওপর সেখানে কাদা ও মাটি ছড়িয়ে ছিটিয়ে ছিল। এমন সময় আমাদের বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার ডান পাশের খাদের মধ্যে উল্টে পড়ে যায়। আমি জানালার পাশের ছিটে ছিলাম। বাসটি কয়েকবার পাল্টি খায়। আমার শরীরে পেট্রোল পড়ে ভিজে যাওয়ায় আগুন লাগার ভয়ে পা দিয়ে লাথি মেরে জানালার কাঁচ সরিয়ে তারপর বাইরে বের হই। এসময় জানালার কাঁচে আমার পা কেটে যায়।’ আল মেরাজ আরও জানান, তিনি দর্শনা থেকে ছেড়ে আসা পূর্বাশা পরিবহনের বাসটিতে ঢাকার উদ্দেশ্যে ১০টা ৪৫ মিনিটে দামুড়হুদার জয়রামপুর কাঁঠালতলা থেকে ওঠেন। বাসটি ১১টার পরপরই চুয়াডাঙ্গা কাউন্টারে পৌঁছায়।
চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে যাত্রীদের চিকিৎসা গ্রহণ
চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে যাত্রীদের চিকিৎসা গ্রহণ
চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের কর্তব্যতর চিকিৎসক আব্দুল কাদের বলেন, ‘রাত সাড়ে ১২টার দিকে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা বাস দুর্ঘটনায় আহত ৬ জনতে জরুরি বিভাগে নেয়। আহতদের মধ্যে একজনকে ভর্তি রাখা হয়, অন্য পাঁচজনের আঘাত গুরুতর না হওয়ায় তাদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। কিছুক্ষণ পর একই দুর্ঘটনায় আরও দুজন এবং উদ্ধার কাজে নিয়োজিত একজন ফায়ারফাইটার আহত অবস্থায় জরুরি বিভাগে আসে।
চুয়াডাঙ্গা ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার জাহাঙ্গীর আলম সরকার বলেন, ‘দুর্ঘটনাকবলীত বাসটির কয়েকজন যাত্রী জানান, পূর্বাসা পরিবহনটি ১০০ থেকে ১২০ কিলোমিটার গতিতে চলছিলো। এসময় সামনে থাকা রয়েল একপ্রেস পরিবহনের একটি বাসকে ওভারটেক করার সময় পূর্বাশা পরিহহনটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশের খাদে উল্টে যায়। তিনি আরও বলেন, বাসটিতে ১৮ থেকে ২০ জন যাত্রী ছিলো। বাসের চালক ও হেলপারের খোঁজ পাওয়া যায়নি। বাসের সুপারভাইজার ঘটনাস্থলেই নিহত হন। আমরা প্রথমে আহত ৬জন যাত্রীকে উদ্ধার করে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে নিয়ে আসি। বাসের মোট যাত্রীদের মধ্যে ১২ জন আহত হন। রাত পৌনে দুইটা পর্যন্ত আমরা উদ্ধার কাজ চারিয়েছি।

চুয়াডাঙ্গায় যাত্রীবাহী বাস খাদে পড়ে নিহত ১, আহত অন্তত ১৬

প্রকাশ : ১১:০৩:৩৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ মে ২০২৩

চুয়াডাঙ্গা-ঝিনাইদহ মহাসড়কে রয়েল এক্সপ্রেসকে ওভারটেক করার সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পূর্বাশা পরিবহনের একটি বাস উল্টে খাদে পড়ার ঘটনা ঘটেছে। এতে ঘটনাস্থলেই বাসের সুপারভাইজার সাগর (২৫) নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছে আরও অন্তত ১৬ জন। গতকাল সোমবার রাত ১২টার দিকে ঝিনাইদহ সদর উপজেলার সাধুহাটি ইউনিয়নের বোড়াই গ্রামের রাতুল মার্কেটের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে চুয়াডাঙ্গা ও ঝিনাইদহ ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধারকাজ শুরু করে। এসময় ঘটনাস্থলের নিকটবর্তী চুয়াডাঙ্গা ও ঝিনাইদহ জেলার পুলিশ উদ্ধারকাজে অংশ নেয়। ঘটনার পরপরই পালিয়ে যান বাসের চালক ও হেলপার।
নিহত সাগর আলী চুয়াডাঙ্গার দর্শনা ইসলাম বাজারপাড়ার বাবু হোসেনের ছেলে। আহতেরা হলেন- আলমডাঙ্গা উপজেলার গোকুলখালী গ্রামের নূর ইসলামের ছেলে আলামিন (২৪), দামুড়হুদা উপজেলার পোতারপাড়ার আলতাব হোসনের ছেলে শাহাবুল ইসলাম (৬০), একই উপজেলার জয়রামপুরের ফরজ আলীর ছেলে মিরাজ (২২), দর্শনা পুরাতন বাজারপাড়ার রুস্তম আলীর ছেলে নাহিদ (৩৫), চুয়াডাঙ্গা কোর্টপাড়ার আকছেদ আলীর ছেলে গোলাম আজম (৫৭), সুমিরদিয়া নিলার মোড় এলাকার কটা ফাকিরের মেয়ে মেহেরুন (৩০), জীবননগর উপজেলার বৈদ্যনাথপুর গ্রামের দিদার মন্ডলের ছেলে শরিফুল ইসলাম (২৮), ঢাকার মোহাম্মদপুরের মহসিন তালুকদারের ছেলে তাকি। এ ছাড়া আটকে পড়া বাস যাত্রীদের উদ্ধার করার সময় আহত হন হোসেন আলী নামের একজন ফায়ারফাইটার।
ঘটনাস্থলে আটকে পড়া যাত্রীদের উদ্ধার করছেন ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা
জানা যায়, গতকাল রাত ১১টা ১৫ মিনিটে চুয়াডাঙ্গা বড় বাজার থেকে পূর্বাশা পরিবহনের ঢাকা মেট্রো-ব-১৫-৫২৪২ রেজিস্ট্রেশন নম্বরের এসি বাসটি ১৮ থেকে ২০ জন যাত্রী নিয়ে ঢাকার উদ্দেশ্যে যাত্রা করে। বাসটি ঝিনাইদহ সাধুহাটি ইউনিয়নের বোড়াই এলাকায় পৌঁছালে রয়েল এক্সপ্রেস পরিবহনের একটি বাসকে ওভারটেক করার চেষ্টা করে। এ সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বাসটি রাস্তার পাশের খাদে উল্টে যায়। এতে বাসের অন্তত ১৫ জন যাত্রী আহত হয়। দুর্ঘটনা স্থলেই মৃত্যু হয় বাসের সুপারভাইজার সাগরের। তবে বাসের চালক ও হেলপারের কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি। পরে চুয়াডাঙ্গা ও ঝিনাইদহ ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে বাসের ৯ জন যাত্রীকে উদ্ধার করে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে নেয়। আহত আরও কয়েকজন যাত্রী স্থানীয়দের সহযোগিতায় চিকিৎসা নেন।
স্থানীয় এক ব্যক্তি জানান, দুর্ঘটনাস্থলের অদূরে মহাসড়কের পাশেই এক ব্যক্তির পুকুর ভরাটের কাজ চলছিল। ট্রাক্টরে করে মাটি বহনের সময় রাস্তার ওপর ও চারপাশে মাটি ও কাদা ছড়িয়ে ছিটিয়ে ছিল। রাস্তার ওপরে থাকা কাদার কারণে বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলে। শব্দ শুনে গ্রামের অনেকে ঘটনাস্থলে ছুটে আসে। এসময় স্থানীয়দের সহায়তায় বাসের কয়েকজন যাত্রী বের হতে পারলেও বেশির ভাগ যাত্রী আটকে পড়ে। পরে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা বাস কেটে যাত্রীদের উদ্ধার করে। এরমধ্যে একটি লাশও উদ্ধার করে পুলিশ।
পূর্বাশা পরিহবনের যাত্রী আল মেরাজ দুর্ঘটনার বর্ণনা দিতে গিয়ে বলেন, ‘রয়েল এক্সপ্রেস পরিবহনের একটি বাস আমাদের বাসের সামনেই ছিল। বাসটিকে ওভারকেট করার চেষ্টা করছিলেন এই বাসের চালক। দুটি বাসই ঘণ্টায় ১০০ কিলোমিটারের বেশি গতিতে ছুটছিল। ওভারটেক করার সময় আমরা রাস্তার যেখানে ছিলাম, রাস্তার ওপর সেখানে কাদা ও মাটি ছড়িয়ে ছিটিয়ে ছিল। এমন সময় আমাদের বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার ডান পাশের খাদের মধ্যে উল্টে পড়ে যায়। আমি জানালার পাশের ছিটে ছিলাম। বাসটি কয়েকবার পাল্টি খায়। আমার শরীরে পেট্রোল পড়ে ভিজে যাওয়ায় আগুন লাগার ভয়ে পা দিয়ে লাথি মেরে জানালার কাঁচ সরিয়ে তারপর বাইরে বের হই। এসময় জানালার কাঁচে আমার পা কেটে যায়।’ আল মেরাজ আরও জানান, তিনি দর্শনা থেকে ছেড়ে আসা পূর্বাশা পরিবহনের বাসটিতে ঢাকার উদ্দেশ্যে ১০টা ৪৫ মিনিটে দামুড়হুদার জয়রামপুর কাঁঠালতলা থেকে ওঠেন। বাসটি ১১টার পরপরই চুয়াডাঙ্গা কাউন্টারে পৌঁছায়।
চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে যাত্রীদের চিকিৎসা গ্রহণ
চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে যাত্রীদের চিকিৎসা গ্রহণ
চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের কর্তব্যতর চিকিৎসক আব্দুল কাদের বলেন, ‘রাত সাড়ে ১২টার দিকে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা বাস দুর্ঘটনায় আহত ৬ জনতে জরুরি বিভাগে নেয়। আহতদের মধ্যে একজনকে ভর্তি রাখা হয়, অন্য পাঁচজনের আঘাত গুরুতর না হওয়ায় তাদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। কিছুক্ষণ পর একই দুর্ঘটনায় আরও দুজন এবং উদ্ধার কাজে নিয়োজিত একজন ফায়ারফাইটার আহত অবস্থায় জরুরি বিভাগে আসে।
চুয়াডাঙ্গা ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার জাহাঙ্গীর আলম সরকার বলেন, ‘দুর্ঘটনাকবলীত বাসটির কয়েকজন যাত্রী জানান, পূর্বাসা পরিবহনটি ১০০ থেকে ১২০ কিলোমিটার গতিতে চলছিলো। এসময় সামনে থাকা রয়েল একপ্রেস পরিবহনের একটি বাসকে ওভারটেক করার সময় পূর্বাশা পরিহহনটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশের খাদে উল্টে যায়। তিনি আরও বলেন, বাসটিতে ১৮ থেকে ২০ জন যাত্রী ছিলো। বাসের চালক ও হেলপারের খোঁজ পাওয়া যায়নি। বাসের সুপারভাইজার ঘটনাস্থলেই নিহত হন। আমরা প্রথমে আহত ৬জন যাত্রীকে উদ্ধার করে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে নিয়ে আসি। বাসের মোট যাত্রীদের মধ্যে ১২ জন আহত হন। রাত পৌনে দুইটা পর্যন্ত আমরা উদ্ধার কাজ চারিয়েছি।