ঢাকা ১২:১৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ মে ২০২৪, ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

ফেনীতে তিন উপজেলায় ২১ হাজার নলকূপে আর্সেনিক

আর্সেনিক আতঙ্কে ফেনীর মানুষ। তিনটি উপজেলার ২১ হাজারের বেশি অগভীর নলকূপে এই মৌলের অস্তিত্ব পেয়েছে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর। পাশাপাশি একটি উপজেলার গভীর নলকূপে মিলেছে লবণাক্ত পানি। সুপেয় পানি নিশ্চিতে, ঢাকায় প্রধান কার্যালয়ে চিঠি দিয়েছে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলের জেলা কার্যালয়।
স্বরাজপুর নামে সোনাগাজী উপজেলার একটি গ্রামের একটি অংশে, ২১টি নলকূপের ১১টিতেই আর্সেনিক পাওয়া গেছে। বিকল্প না থাকায়, এগুলোর পানিই পান করছেন বাসিন্দারা। তবে আর্সেনিকের অস্তিত্ব মেলায়, আতঙ্ক ছড়িয়েছে এলাকায়।
গেল বছরের জুনে ফেনীর সোনাগাজী, দাগনভূঞা এবং সদরের প্রায় ৭৬ হাজার নলকূপের পানি পরীক্ষা শুরু করে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর। এর মধ্যে ২১ হাজার ৩৯৮টিতে আর্সেনিক পাওয়া যায়। এসব নলকূপের গভীরতা ৮০ থেকে ১৫০ ফিটের মধ্যে।
স্বাস্থ্যঝুঁকি বিবেচনায়, চিকিৎসকরা এ পানি ব্যবহার না করার পরামর্শ দিয়েছেন।
জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. শফিউল হক জানান, জেলার ৩০ শতাংশ নলকূপেই আছে আর্সেনিক। সাথে নতুন উদ্বেগ, দাগনভূঞার চারটি ইউনিয়নের গভীর নলকূপের লবণাক্ত পানি।
সংকট সমাধানে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রধান কার্যালয়ে এরই মধ্যে চিঠি দিয়েছে ফেনী জেলা কার্যালয়।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে যুদ্ধ বিরতি চুক্তিতে বাধা দেয়ার অভিযোগ

ফেনীতে তিন উপজেলায় ২১ হাজার নলকূপে আর্সেনিক

আপডেট সময় : ০৩:০৮:৫৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ মে ২০২৩

আর্সেনিক আতঙ্কে ফেনীর মানুষ। তিনটি উপজেলার ২১ হাজারের বেশি অগভীর নলকূপে এই মৌলের অস্তিত্ব পেয়েছে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর। পাশাপাশি একটি উপজেলার গভীর নলকূপে মিলেছে লবণাক্ত পানি। সুপেয় পানি নিশ্চিতে, ঢাকায় প্রধান কার্যালয়ে চিঠি দিয়েছে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলের জেলা কার্যালয়।
স্বরাজপুর নামে সোনাগাজী উপজেলার একটি গ্রামের একটি অংশে, ২১টি নলকূপের ১১টিতেই আর্সেনিক পাওয়া গেছে। বিকল্প না থাকায়, এগুলোর পানিই পান করছেন বাসিন্দারা। তবে আর্সেনিকের অস্তিত্ব মেলায়, আতঙ্ক ছড়িয়েছে এলাকায়।
গেল বছরের জুনে ফেনীর সোনাগাজী, দাগনভূঞা এবং সদরের প্রায় ৭৬ হাজার নলকূপের পানি পরীক্ষা শুরু করে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর। এর মধ্যে ২১ হাজার ৩৯৮টিতে আর্সেনিক পাওয়া যায়। এসব নলকূপের গভীরতা ৮০ থেকে ১৫০ ফিটের মধ্যে।
স্বাস্থ্যঝুঁকি বিবেচনায়, চিকিৎসকরা এ পানি ব্যবহার না করার পরামর্শ দিয়েছেন।
জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. শফিউল হক জানান, জেলার ৩০ শতাংশ নলকূপেই আছে আর্সেনিক। সাথে নতুন উদ্বেগ, দাগনভূঞার চারটি ইউনিয়নের গভীর নলকূপের লবণাক্ত পানি।
সংকট সমাধানে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রধান কার্যালয়ে এরই মধ্যে চিঠি দিয়েছে ফেনী জেলা কার্যালয়।