ঢাকা ০১:৪৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৫ মে ২০২৪, ১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

চুয়াডাঙ্গায় সড়কের মাঝখানে বিদ্যুতের খুঁটি রেখেই চলছে রাস্তার কাজ,দ্রুত অপসারণের দাবি সচেতন মহলের

চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলার জুড়ানপুর ইউনিয়নের জুড়ানপুর থেকে লক্ষিপুর যাবার মেইন সড়কের পিচকরন কাজ চলমান। রাস্তার মাঝখানে ৩ টি বৈদ্যুতিক খুঁটি রেখেই চলছে সড়ক প্রশস্ত ও পিচ করনের কাজ। জুড়ানপুর-লক্ষিপুর ভায়া চুয়াডাঙ্গা ভালাইপুর যাতায়াতের ব্যস্ততম সড়কের আনুমানিক দেড় কিলো মিটারের মধ্যে সড়কের মাঝ খানে রয়েছে মেহেরপুর পল্লি বিদ্যুতের তিনটি খুঁটি। যা এখন রাস্তার মাঝখানে অবস্থান করছে। রাতের বেলায় পথচারী পড়তে পারে দুর্ঘটনার কবলে আশংখা করছে সচেতন মহল। ওই খুটি গুলো অপসারণ না করিয়েই ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান চলমান রেখেছে সড়ক প্রশস্ত ও পিচ করনের কাজ। রাস্তা চলাচলের একমাত্র মাধ্যম তার মাঝখানে যদি বৈদ্যুতিক খুটি থাকে তাহলে সেটা রাস্তা কি করে হয় সাধারন মানুষের দাবী। এই সড়ক দিয়ে প্রতিদিন শত শত শিক্ষার্থী,সাধারন মানুষসহ ভারী যানবাহন চলাচল করে থাকে। খুঁটির কারণে ইতিপূর্বে বেশ কয়েকবার ছোট-বড় দুর্ঘটনা ঘটেছে। জুড়ানপুর গ্রামের মৃত ফকির মোহাম্মদের ছেলে শরিফ উদ্দীন বলেন, দীর্ঘদিন আগে থেকে রাস্তার কোল ঘেসে খুঁটি গুলো ছিল।
পরে রাস্তা প্রশস্ত করার সময় তা মাঝ খানে পড়ে গেছে। পিচ করার সময় স্থানীয়রা আপত্তি করলে ও তা সরানো হয়নি। ফলে যাতায়াতকারীদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। ব্যস্ততম সড়কের এই অবস্থা কেউই মেনে নিতে চাইনা। কারন সড়কটি দিয়ে প্রতিদিন শত শত গাড়ি চলে। এটা সরানো খুবই জরুরি। জুড়ানপুর ইউপির চেয়ারম্যান সোহরাব হোসেন বলেন, সড়কের উপর খুঁটি গুলো খুবই ঝুকিপূর্ণ। খুটির কারনে প্রায় সময় ঘটছে দুর্ঘটনা। মেহেরপুর পল্লি বিদ্যুৎতের গাফিলতির কারনে সরানো সম্ভব হয়নি।
দামুড়হুদা উপজেলা প্রকৌশলীর সাথে কথা বলা হয়েছে। তিনি বিদ্যুৎ অফিসের সাথে কথা বলবেন বলে জানান। এ বিষয়ে উপজেলা প্রকৌশলী আব্দুর রশিদ বলেন, এটা আমাদের বিষয় নয়। পল্লী বিদ্যুৎ এটা সরাবে।
দামুড়হুদা উপজেলা পল্লী বিদ্যুৎ অভিযোগ কেন্দ্রের ইনচার্জ নজরুল ইসলাম বলেন, মেহেরপুর পল্লি বিদ্যুৎ অফিসে খুটি সরানোর বিষয় আবেদন করতে হবে। আগে খুটি গুলো সড়কের পাশে ছিল সড়কের দুই পাশে প্রশস্ত করার সময় সড়কের উপর পড়েগেছে। এখনো কেউ কোন আবেদন করেনি। আবেদন করলে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে পরামর্শ করে ব্যবাস্থা নেওয়া হবে।

আপলোডকারীর তথ্য

নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে যুদ্ধ বিরতি চুক্তিতে বাধা দেয়ার অভিযোগ

চুয়াডাঙ্গায় সড়কের মাঝখানে বিদ্যুতের খুঁটি রেখেই চলছে রাস্তার কাজ,দ্রুত অপসারণের দাবি সচেতন মহলের

আপডেট সময় : ০৫:৫১:০৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ মে ২০২৩

চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলার জুড়ানপুর ইউনিয়নের জুড়ানপুর থেকে লক্ষিপুর যাবার মেইন সড়কের পিচকরন কাজ চলমান। রাস্তার মাঝখানে ৩ টি বৈদ্যুতিক খুঁটি রেখেই চলছে সড়ক প্রশস্ত ও পিচ করনের কাজ। জুড়ানপুর-লক্ষিপুর ভায়া চুয়াডাঙ্গা ভালাইপুর যাতায়াতের ব্যস্ততম সড়কের আনুমানিক দেড় কিলো মিটারের মধ্যে সড়কের মাঝ খানে রয়েছে মেহেরপুর পল্লি বিদ্যুতের তিনটি খুঁটি। যা এখন রাস্তার মাঝখানে অবস্থান করছে। রাতের বেলায় পথচারী পড়তে পারে দুর্ঘটনার কবলে আশংখা করছে সচেতন মহল। ওই খুটি গুলো অপসারণ না করিয়েই ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান চলমান রেখেছে সড়ক প্রশস্ত ও পিচ করনের কাজ। রাস্তা চলাচলের একমাত্র মাধ্যম তার মাঝখানে যদি বৈদ্যুতিক খুটি থাকে তাহলে সেটা রাস্তা কি করে হয় সাধারন মানুষের দাবী। এই সড়ক দিয়ে প্রতিদিন শত শত শিক্ষার্থী,সাধারন মানুষসহ ভারী যানবাহন চলাচল করে থাকে। খুঁটির কারণে ইতিপূর্বে বেশ কয়েকবার ছোট-বড় দুর্ঘটনা ঘটেছে। জুড়ানপুর গ্রামের মৃত ফকির মোহাম্মদের ছেলে শরিফ উদ্দীন বলেন, দীর্ঘদিন আগে থেকে রাস্তার কোল ঘেসে খুঁটি গুলো ছিল।
পরে রাস্তা প্রশস্ত করার সময় তা মাঝ খানে পড়ে গেছে। পিচ করার সময় স্থানীয়রা আপত্তি করলে ও তা সরানো হয়নি। ফলে যাতায়াতকারীদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। ব্যস্ততম সড়কের এই অবস্থা কেউই মেনে নিতে চাইনা। কারন সড়কটি দিয়ে প্রতিদিন শত শত গাড়ি চলে। এটা সরানো খুবই জরুরি। জুড়ানপুর ইউপির চেয়ারম্যান সোহরাব হোসেন বলেন, সড়কের উপর খুঁটি গুলো খুবই ঝুকিপূর্ণ। খুটির কারনে প্রায় সময় ঘটছে দুর্ঘটনা। মেহেরপুর পল্লি বিদ্যুৎতের গাফিলতির কারনে সরানো সম্ভব হয়নি।
দামুড়হুদা উপজেলা প্রকৌশলীর সাথে কথা বলা হয়েছে। তিনি বিদ্যুৎ অফিসের সাথে কথা বলবেন বলে জানান। এ বিষয়ে উপজেলা প্রকৌশলী আব্দুর রশিদ বলেন, এটা আমাদের বিষয় নয়। পল্লী বিদ্যুৎ এটা সরাবে।
দামুড়হুদা উপজেলা পল্লী বিদ্যুৎ অভিযোগ কেন্দ্রের ইনচার্জ নজরুল ইসলাম বলেন, মেহেরপুর পল্লি বিদ্যুৎ অফিসে খুটি সরানোর বিষয় আবেদন করতে হবে। আগে খুটি গুলো সড়কের পাশে ছিল সড়কের দুই পাশে প্রশস্ত করার সময় সড়কের উপর পড়েগেছে। এখনো কেউ কোন আবেদন করেনি। আবেদন করলে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে পরামর্শ করে ব্যবাস্থা নেওয়া হবে।