ঢাকা ০৫:০৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ মে ২০২৪, ১৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

সাতক্ষীরায় ভারপ্রাপ্ত মেয়রের বাধায় পৌরসভায় ফিরতে পারলেন না মেয়র

হাইকোর্টের আদেশে বরখাস্তাদেশ স্থগিত হওয়ার পরও সাতক্ষীরা পৌরসভার মেয়র তাজকিন আহমেদ চিশতি সপদে বহাল হতে পারেননি। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে মেয়র চিশতী পৌরসভায় প্রবেশ করতে গেলে তাকে বাধা দেন ভারপ্রাপ্ত মেয়র কাজী ফিরোজ হাসানসহ বেশ কয়েকটি ওয়ার্ডের কাউন্সিলর।
সাতক্ষীরা পৌরসভা সূত্রে জানা গেছে, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রনালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগ সাতক্ষীরা পৌরসভার মেয়র তাশকিন আহমেদ চিশতিকে সাময়িক বরখাস্তের আদেশ দিয়েছিলেন। কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়, নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে সাতক্ষীরা সদর থানায় তার বিরুদ্ধে বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে মামলা হয়েছে।
চলতি বছরের ২৪ জানুয়ারি তিনি ওই মামলায় মুখ্য বিচারিক হাকিম আদালতে আত্মসমর্পণ করলে বিচারক মো. হুমায়ুন কবীর তার জামিন নামঞ্জুর করে জেল হাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন। পরবর্তীতে আপিল করলে ৯ ফেব্রুয়ারি জেলা ও দায়রা জজ তাকে জামিনে মুক্তি দেন।
এদিকে, স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের আদেশের বিরুদ্ধে চিশতি হাইকোর্টে রিট করেন। গত ১৪ ফেব্রুয়ারি বিচারপতি কে এম কামরুল কাদের ও বিচারপতি মোহাম্মদ আলীর সমন্বিত হাইকোর্ট ডিভিশনের দ্বৈত বেঞ্চ এক আদেশে চিশতীর বরখাস্তের আদেশ স্থগিত করেন।
এ ব্যাপারে তাজকিন আহমেদ চিশতি বলেন, আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী বর্তমানে মেয়র পদে তার দায়িত্ব বুঝে নিতে কোনো বাধা নেই। কিন্তু ভারপ্রাপ্ত মেয়র ও সরকারদলীয় কর্মকর্তারা আদালতের সেই নির্দেশ লঙ্ঘন করেছেন। তিনি এ ব্যাপারে আইনি ব্যবস্থা নেবেন।
ভারপ্রাপ্ত মেয়র কাজী ফিরোজ হাসান বলেন, মন্ত্রণালয়ের নির্দেশ না পাওয়া পর্যন্ত তিনিই মেয়র থাকবেন। আদালতের নির্দেশে মেয়র পদ থেকে সরে যাওয়ার কোন সুযোগ নেই।
পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রনালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগের সাতক্ষীরা শাখার উপপরিচালক মাশরুবা ফেরদৌস বলেন, নিয়ম অনুযায়ী হাইকোর্টের স্থগিতাদেশ আদেশ তার অফিসের মাধ্যমে তাদের প্রধান কার্যালয়ে পাঠাতে হবে। সেখান থেকে পুনরায় চিঠি আসার পরই মেয়র দায়িত্ব বুঝে নিতে পারবেন।
এ বিষয়ে সাতক্ষীরার সিনিয়র আইনজীবী আব্দুল মজিদ বলেন, ‘পৌর মেয়র তাজকিন আহমেদ চিশতির মাধ্যমে পৌরসভায় পৌছে যাওয়া মহামান্য হাইকোর্টের আদেশকে অবশ্যই সম্মান দেখাতে হবে। আদেশের কপি যদি সঠিক থাকে, তাহলে সেটা স্থানীয় সরকার বিভাগে জমা দেওয়ার প্রয়োজন নেই বলে আমি মনে করি।

আপলোডকারীর তথ্য

নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে যুদ্ধ বিরতি চুক্তিতে বাধা দেয়ার অভিযোগ

সাতক্ষীরায় ভারপ্রাপ্ত মেয়রের বাধায় পৌরসভায় ফিরতে পারলেন না মেয়র

আপডেট সময় : ১১:৩৬:৩২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৩

হাইকোর্টের আদেশে বরখাস্তাদেশ স্থগিত হওয়ার পরও সাতক্ষীরা পৌরসভার মেয়র তাজকিন আহমেদ চিশতি সপদে বহাল হতে পারেননি। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে মেয়র চিশতী পৌরসভায় প্রবেশ করতে গেলে তাকে বাধা দেন ভারপ্রাপ্ত মেয়র কাজী ফিরোজ হাসানসহ বেশ কয়েকটি ওয়ার্ডের কাউন্সিলর।
সাতক্ষীরা পৌরসভা সূত্রে জানা গেছে, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রনালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগ সাতক্ষীরা পৌরসভার মেয়র তাশকিন আহমেদ চিশতিকে সাময়িক বরখাস্তের আদেশ দিয়েছিলেন। কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়, নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে সাতক্ষীরা সদর থানায় তার বিরুদ্ধে বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে মামলা হয়েছে।
চলতি বছরের ২৪ জানুয়ারি তিনি ওই মামলায় মুখ্য বিচারিক হাকিম আদালতে আত্মসমর্পণ করলে বিচারক মো. হুমায়ুন কবীর তার জামিন নামঞ্জুর করে জেল হাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন। পরবর্তীতে আপিল করলে ৯ ফেব্রুয়ারি জেলা ও দায়রা জজ তাকে জামিনে মুক্তি দেন।
এদিকে, স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের আদেশের বিরুদ্ধে চিশতি হাইকোর্টে রিট করেন। গত ১৪ ফেব্রুয়ারি বিচারপতি কে এম কামরুল কাদের ও বিচারপতি মোহাম্মদ আলীর সমন্বিত হাইকোর্ট ডিভিশনের দ্বৈত বেঞ্চ এক আদেশে চিশতীর বরখাস্তের আদেশ স্থগিত করেন।
এ ব্যাপারে তাজকিন আহমেদ চিশতি বলেন, আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী বর্তমানে মেয়র পদে তার দায়িত্ব বুঝে নিতে কোনো বাধা নেই। কিন্তু ভারপ্রাপ্ত মেয়র ও সরকারদলীয় কর্মকর্তারা আদালতের সেই নির্দেশ লঙ্ঘন করেছেন। তিনি এ ব্যাপারে আইনি ব্যবস্থা নেবেন।
ভারপ্রাপ্ত মেয়র কাজী ফিরোজ হাসান বলেন, মন্ত্রণালয়ের নির্দেশ না পাওয়া পর্যন্ত তিনিই মেয়র থাকবেন। আদালতের নির্দেশে মেয়র পদ থেকে সরে যাওয়ার কোন সুযোগ নেই।
পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রনালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগের সাতক্ষীরা শাখার উপপরিচালক মাশরুবা ফেরদৌস বলেন, নিয়ম অনুযায়ী হাইকোর্টের স্থগিতাদেশ আদেশ তার অফিসের মাধ্যমে তাদের প্রধান কার্যালয়ে পাঠাতে হবে। সেখান থেকে পুনরায় চিঠি আসার পরই মেয়র দায়িত্ব বুঝে নিতে পারবেন।
এ বিষয়ে সাতক্ষীরার সিনিয়র আইনজীবী আব্দুল মজিদ বলেন, ‘পৌর মেয়র তাজকিন আহমেদ চিশতির মাধ্যমে পৌরসভায় পৌছে যাওয়া মহামান্য হাইকোর্টের আদেশকে অবশ্যই সম্মান দেখাতে হবে। আদেশের কপি যদি সঠিক থাকে, তাহলে সেটা স্থানীয় সরকার বিভাগে জমা দেওয়ার প্রয়োজন নেই বলে আমি মনে করি।