০৯:৪৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুলাই ২০২৪, ২ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

অগ্নিঝরা মার্চের শুরু

আরও একটি মার্চ মাস এলো। এই ‘অগ্নিঝরা মার্চ’ স্বাধীনতাকামী বাঙালির স্বপ্নপূরণের মাস। বাঙালি জাতির মহান স্বাধীনতা সংগ্রাম ও মুক্তিযুদ্ধের সময়ের নানা কারণে মার্চ মাস ঐতিহাসিক ও ঘটনাবহুল।
চলতি বছরের এ মার্চেই স্বাধীনতার ৫২ বছর পালন করবে জাতি। এ উপলক্ষ্যে মাসের প্রথম দিন অর্থাৎ আজ বুধবার থেকেই শুরু হবে সভা সমাবেশ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। নানা আয়োজনে মুখরিত থাকবে গোটা দেশ।
১৯৭১ সালের এই মার্চেই বাঙালির রাজনৈতিক আন্দোলন পরিণতির দিকে যায়। ওই সময় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে শুরু হয় অসহযোগ আন্দোলন।
সে সেময় অগ্নিঝরা মার্চের প্রথমদিন থেকেই সারাদেশ ছিল অগ্নিগর্ভ। এরমধ্যে ২৫ মার্চ রাতে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী নিরস্ত্র বাঙালির ওপর আক্রমণ চালায়। একাত্তরের ২৬ মার্চ প্রথম প্রহরে জাতির পিতার স্বাধীনতার ঘোষণার মধ্য দিয়ে পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে দীর্ঘ ২৩ বছরের আন্দোলন-সংগ্রামের চূড়ান্ত পর্বে এসে শুরু হয় সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধ। দীর্ঘ ৯ মাস রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের পর বাংলার দামাল ছেলেরা এক সাগর রক্তের বিনিময়ে ছিনিয়ে আনে একটি স্বাধীন দেশ—গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ।
১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ স্বাধীনতার ঘোষণা হলেও চূড়ান্ত আন্দোলনের সূচনা হয়েছিল একাত্তরের ১ মার্চ থেকেই।

অগ্নিঝরা মার্চের শুরু

প্রকাশ : ০১:৩০:৩১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১ মার্চ ২০২৩

আরও একটি মার্চ মাস এলো। এই ‘অগ্নিঝরা মার্চ’ স্বাধীনতাকামী বাঙালির স্বপ্নপূরণের মাস। বাঙালি জাতির মহান স্বাধীনতা সংগ্রাম ও মুক্তিযুদ্ধের সময়ের নানা কারণে মার্চ মাস ঐতিহাসিক ও ঘটনাবহুল।
চলতি বছরের এ মার্চেই স্বাধীনতার ৫২ বছর পালন করবে জাতি। এ উপলক্ষ্যে মাসের প্রথম দিন অর্থাৎ আজ বুধবার থেকেই শুরু হবে সভা সমাবেশ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। নানা আয়োজনে মুখরিত থাকবে গোটা দেশ।
১৯৭১ সালের এই মার্চেই বাঙালির রাজনৈতিক আন্দোলন পরিণতির দিকে যায়। ওই সময় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে শুরু হয় অসহযোগ আন্দোলন।
সে সেময় অগ্নিঝরা মার্চের প্রথমদিন থেকেই সারাদেশ ছিল অগ্নিগর্ভ। এরমধ্যে ২৫ মার্চ রাতে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী নিরস্ত্র বাঙালির ওপর আক্রমণ চালায়। একাত্তরের ২৬ মার্চ প্রথম প্রহরে জাতির পিতার স্বাধীনতার ঘোষণার মধ্য দিয়ে পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে দীর্ঘ ২৩ বছরের আন্দোলন-সংগ্রামের চূড়ান্ত পর্বে এসে শুরু হয় সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধ। দীর্ঘ ৯ মাস রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের পর বাংলার দামাল ছেলেরা এক সাগর রক্তের বিনিময়ে ছিনিয়ে আনে একটি স্বাধীন দেশ—গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ।
১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ স্বাধীনতার ঘোষণা হলেও চূড়ান্ত আন্দোলনের সূচনা হয়েছিল একাত্তরের ১ মার্চ থেকেই।