ঢাকা ১২:৫৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ মে ২০২৪, ১৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

প্রথম আলো’র প্রকাশিত সংবাদ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং কারো এজেন্ডা বাস্তবায়নের অংশ: বঙ্গবন্ধু পরিষদ

প্রথম আলো’ পত্রকিার অনলাইন র্ভাসনে মহান স্বাধীনতাকে কটাক্ষ করে পরবিশেতি সংবাদকে উদ্দশ্যেপ্রণোদতি এবং কারো এজন্ডো বাস্তবায়নরেই অংশ বলে মনে করেন বঙ্গবন্ধু পরিষদ।
বঙ্গবন্ধু পরিষদের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি অধ্যাপক ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক ও সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. আ ব ম ফারুক আজ সোমবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে এ কথা বলেন।
তারা বলেন, ‘আলোচ্য সংবাদটির ফটো কার্ডে ‘পটেে ভাত না জুটলে স্বাধীনতা দিয়া কী করুম। আমাগো মাছ-মাংস চাইলরে স্বাধীনতা লাগবো।’ উদ্ধৃত বাক্যগুলোর ব্যবহার শুধু ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে নিহত ৩০ লক্ষ শহিদ এবং প্রায় দুই লক্ষ মা-বোনের সর্বোচ্চ ত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত স্বাধীনতাকেই খাটো করেনি, তাদের প্রতি অশ্রদ্ধা প্রদর্শনের চরম পরাকাষ্ঠাও প্রদর্শন করেছে।
নেতৃবৃন্দ বলেন, মহান স্বাধীনতা দিবসে স্বাধীনতা শব্দের সাথে একজন ব্যক্তির ক্ষোভ মিশিয়ে প্রণীত সংবাদের প্রচার কোনোভাবেই দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার পরিচয় বহন করে না। ‘প্রথম আলো’ ১৭ মিনিট পর সংবাদটি প্রত্যাহার করে সংশোধনী প্রকাশ করেছে। কিন্তু সংবাদটি তার আগেই ভাইরাল হয়েছে। অনেকেই এর স্ক্রীন শট সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে ছড়িয়ে দিয়েছে এবং তা এখনো অপসারিত হয়নি। সংবাদের ফটো কার্ডের কথিত দিনমজুর জাকিরের বক্তব্য এমনভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে, যার মধ্যে নিহিত রয়েছে সরকারের বিরুদ্ধে মানুষকে ক্ষিপ্ত করার বার্তা।
বিবৃতিতে তারা জাতির পিতার প্রত্যাশা অনুযায়ী বাংলাদেশে সকল প্রকার অপ-সাংবাদিকতামুক্ত,বস্তুনিষ্ঠ ও তথ্যনিষ্ঠ সাংবাদিকতা প্রত্যাশা করেন এবং এ ধরনরে ঘৃণ্য অপতৎপরতার সাথে জড়তি সকলরে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি জানান।

আপলোডকারীর তথ্য

নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে যুদ্ধ বিরতি চুক্তিতে বাধা দেয়ার অভিযোগ

প্রথম আলো’র প্রকাশিত সংবাদ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং কারো এজেন্ডা বাস্তবায়নের অংশ: বঙ্গবন্ধু পরিষদ

আপডেট সময় : ০১:৪০:০১ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩ এপ্রিল ২০২৩

প্রথম আলো’ পত্রকিার অনলাইন র্ভাসনে মহান স্বাধীনতাকে কটাক্ষ করে পরবিশেতি সংবাদকে উদ্দশ্যেপ্রণোদতি এবং কারো এজন্ডো বাস্তবায়নরেই অংশ বলে মনে করেন বঙ্গবন্ধু পরিষদ।
বঙ্গবন্ধু পরিষদের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি অধ্যাপক ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক ও সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. আ ব ম ফারুক আজ সোমবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে এ কথা বলেন।
তারা বলেন, ‘আলোচ্য সংবাদটির ফটো কার্ডে ‘পটেে ভাত না জুটলে স্বাধীনতা দিয়া কী করুম। আমাগো মাছ-মাংস চাইলরে স্বাধীনতা লাগবো।’ উদ্ধৃত বাক্যগুলোর ব্যবহার শুধু ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে নিহত ৩০ লক্ষ শহিদ এবং প্রায় দুই লক্ষ মা-বোনের সর্বোচ্চ ত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত স্বাধীনতাকেই খাটো করেনি, তাদের প্রতি অশ্রদ্ধা প্রদর্শনের চরম পরাকাষ্ঠাও প্রদর্শন করেছে।
নেতৃবৃন্দ বলেন, মহান স্বাধীনতা দিবসে স্বাধীনতা শব্দের সাথে একজন ব্যক্তির ক্ষোভ মিশিয়ে প্রণীত সংবাদের প্রচার কোনোভাবেই দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার পরিচয় বহন করে না। ‘প্রথম আলো’ ১৭ মিনিট পর সংবাদটি প্রত্যাহার করে সংশোধনী প্রকাশ করেছে। কিন্তু সংবাদটি তার আগেই ভাইরাল হয়েছে। অনেকেই এর স্ক্রীন শট সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে ছড়িয়ে দিয়েছে এবং তা এখনো অপসারিত হয়নি। সংবাদের ফটো কার্ডের কথিত দিনমজুর জাকিরের বক্তব্য এমনভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে, যার মধ্যে নিহিত রয়েছে সরকারের বিরুদ্ধে মানুষকে ক্ষিপ্ত করার বার্তা।
বিবৃতিতে তারা জাতির পিতার প্রত্যাশা অনুযায়ী বাংলাদেশে সকল প্রকার অপ-সাংবাদিকতামুক্ত,বস্তুনিষ্ঠ ও তথ্যনিষ্ঠ সাংবাদিকতা প্রত্যাশা করেন এবং এ ধরনরে ঘৃণ্য অপতৎপরতার সাথে জড়তি সকলরে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি জানান।