ঢাকা ০১:৫৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৫ মে ২০২৪, ১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

৩ দিন পর বিবিসির দিল্লি-মুম্বাই কার্যালয়ে তল্লাশি শেষ

ভারতে ৩ দিন পর বিবিসির দিল্লি ও মুম্বাই কার্যালয়ে অফিসে কর কর্মকর্তাদের তল্লাশি শেষ হয়েছে বলে বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।
বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কর্তৃপক্ষ মঙ্গলবার নয়াদিল্লি এবং মুম্বাইয়ের অফিসে প্রবেশ করে। কর্মীদের দীর্ঘ জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি হতে হয় বা তাদের অফিসে থাকতে বলা হয়।
বিবিসি বলেছে, ‘আমরা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সহযোগিতা অব্যাহত রাখব এবং আশাকরি যত দ্রুত সম্ভব সমস্যার সমাধান হবে।
এতে বলা হয়, ‘কোনো ভয় বা পক্ষপাতিত্ব ছাড়াই তারা প্রতিবেদন তৈরি ও প্রচার অব্যাহত রাখবে।
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে নিয়ে বিবিসি একটি ডকুমেন্টারি প্রচারের কয়েক সপ্তাহ পর এই তল্লাশি শুরু হয়।
বিবিসির বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ‘আমরা কর্মীদের সহায়তা করছি- তাদের কয়েকজনকে দীর্ঘ জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি হতে হয়েছে অথবা রাতে থাকতে হয়েছে এবং তাদের কল্যাণ আমাদের অগ্রাধিকার। আমাদের কার্যালয় স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে এসেছে এবং আমরা ভারত ও এর বাইরের সেবা দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
বিবিসি, ভারত, তল্লাশি, নরেন্দ্র মোদি, দিল্লি, মুম্বাই,
আরও
বিবিসির দিল্লি-মুম্বাই কার্যালয়ে তৃতীয় দিনের মতো তল্লাশি
বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, ‘বিবিসি একটি বিশ্বস্ত, স্বাধীন মিডিয়া সংস্থা এবং আমরা আমাদের সহকর্মী ও সাংবাদিকদের পাশে আছি। তারা ভয় বা পক্ষপাত ছাড়াই কাজ চালিয়ে যাবেন।
নরেন্দ্র মোদিকে নিয়ে বিবিসির তথ্যচিত্র ‘ইন্ডিয়া: দ্য মোদি কোয়েশ্চান’ শুধু যুক্তরাজ্যে টেলিভিশনে সম্প্রচারিত হয়েছিল। বিবিসির তথ্যচিত্রে ২০২২ সালে গুজরাটের সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার সময় মোদির ভূমিকা তুলে ধরা হয়, যা দেশটিতে ‘বিতর্ক’ সৃষ্টি করে। ভারত ইতোমধ্যে ইউটিউব ও টুইটার থেকে এই প্রামাণ্যচিত্রের সব লিংক ব্লক করেছে।
বিবিসি জানায়, গত মাসে ভারত সরকারকে তথ্যচিত্রটির জবাব দেওয়ার কথা জানানো হয়েছিল, কিন্তু তারা তা প্রত্যাখ্যান করেছিল।
সংবাদপত্রের স্বাধীনতা রক্ষণাবেক্ষণকারী অলাভজনক সংগঠন এডিটরস গিল্ড অব ইন্ডিয়া এ সপ্তাহের শুরুতে জানায়, তারা এই অনুসন্ধান নিয়ে ‘গভীরভাবে উদ্বিগ্ন’।
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল ইন্ডিয়ার বোর্ড অভিযোগ করেছে, ‘ক্ষমতাসীন ভারতীয় জনতা পার্টির সমালোচনামূলক কভারেজের জন্য বিবিসিকে হয়রানি ও ভয় দেখানোর চেষ্টা করছে কর্তৃপক্ষ।
যদিও, ভারতীয় কর্তৃপক্ষ বলছে- অভিযান বৈধ ছিল, এখানে সরকারের কিছু করার নেই।

আপলোডকারীর তথ্য

নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে যুদ্ধ বিরতি চুক্তিতে বাধা দেয়ার অভিযোগ

৩ দিন পর বিবিসির দিল্লি-মুম্বাই কার্যালয়ে তল্লাশি শেষ

আপডেট সময় : ০৯:০৮:৪১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৩

ভারতে ৩ দিন পর বিবিসির দিল্লি ও মুম্বাই কার্যালয়ে অফিসে কর কর্মকর্তাদের তল্লাশি শেষ হয়েছে বলে বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।
বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কর্তৃপক্ষ মঙ্গলবার নয়াদিল্লি এবং মুম্বাইয়ের অফিসে প্রবেশ করে। কর্মীদের দীর্ঘ জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি হতে হয় বা তাদের অফিসে থাকতে বলা হয়।
বিবিসি বলেছে, ‘আমরা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সহযোগিতা অব্যাহত রাখব এবং আশাকরি যত দ্রুত সম্ভব সমস্যার সমাধান হবে।
এতে বলা হয়, ‘কোনো ভয় বা পক্ষপাতিত্ব ছাড়াই তারা প্রতিবেদন তৈরি ও প্রচার অব্যাহত রাখবে।
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে নিয়ে বিবিসি একটি ডকুমেন্টারি প্রচারের কয়েক সপ্তাহ পর এই তল্লাশি শুরু হয়।
বিবিসির বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ‘আমরা কর্মীদের সহায়তা করছি- তাদের কয়েকজনকে দীর্ঘ জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি হতে হয়েছে অথবা রাতে থাকতে হয়েছে এবং তাদের কল্যাণ আমাদের অগ্রাধিকার। আমাদের কার্যালয় স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে এসেছে এবং আমরা ভারত ও এর বাইরের সেবা দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
বিবিসি, ভারত, তল্লাশি, নরেন্দ্র মোদি, দিল্লি, মুম্বাই,
আরও
বিবিসির দিল্লি-মুম্বাই কার্যালয়ে তৃতীয় দিনের মতো তল্লাশি
বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, ‘বিবিসি একটি বিশ্বস্ত, স্বাধীন মিডিয়া সংস্থা এবং আমরা আমাদের সহকর্মী ও সাংবাদিকদের পাশে আছি। তারা ভয় বা পক্ষপাত ছাড়াই কাজ চালিয়ে যাবেন।
নরেন্দ্র মোদিকে নিয়ে বিবিসির তথ্যচিত্র ‘ইন্ডিয়া: দ্য মোদি কোয়েশ্চান’ শুধু যুক্তরাজ্যে টেলিভিশনে সম্প্রচারিত হয়েছিল। বিবিসির তথ্যচিত্রে ২০২২ সালে গুজরাটের সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার সময় মোদির ভূমিকা তুলে ধরা হয়, যা দেশটিতে ‘বিতর্ক’ সৃষ্টি করে। ভারত ইতোমধ্যে ইউটিউব ও টুইটার থেকে এই প্রামাণ্যচিত্রের সব লিংক ব্লক করেছে।
বিবিসি জানায়, গত মাসে ভারত সরকারকে তথ্যচিত্রটির জবাব দেওয়ার কথা জানানো হয়েছিল, কিন্তু তারা তা প্রত্যাখ্যান করেছিল।
সংবাদপত্রের স্বাধীনতা রক্ষণাবেক্ষণকারী অলাভজনক সংগঠন এডিটরস গিল্ড অব ইন্ডিয়া এ সপ্তাহের শুরুতে জানায়, তারা এই অনুসন্ধান নিয়ে ‘গভীরভাবে উদ্বিগ্ন’।
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল ইন্ডিয়ার বোর্ড অভিযোগ করেছে, ‘ক্ষমতাসীন ভারতীয় জনতা পার্টির সমালোচনামূলক কভারেজের জন্য বিবিসিকে হয়রানি ও ভয় দেখানোর চেষ্টা করছে কর্তৃপক্ষ।
যদিও, ভারতীয় কর্তৃপক্ষ বলছে- অভিযান বৈধ ছিল, এখানে সরকারের কিছু করার নেই।