ঢাকা ০১:২১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৫ মে ২০২৪, ১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

মানি লন্ডারিং মামলায় সাহেদের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল

রিজেন্ট গ্রুপের চেয়ারম্যান মো. সাহেদ ওরফে সাহেদ করিমের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। রাজধানীর উত্তরা পশ্চিম থানায় মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে দায়ের করা মামলায় এ অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সিআইডির ফাইন্যান্সিয়াল ক্রাইমের পরিদর্শক মো. মনিরুজ্জামান এ অভিযোগপত্র দাখিল করেন।
আদালতের উত্তরা পশ্চিম থানার সাধারণ নিবন্ধন কর্মকর্তা উপপরিদর্শক লিয়াকত আলী বিষয়টি সাংবাদিকদের নিশ্চিত করেছেন।
জানা গেছে, ২০১৭ থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত বিভিন্ন ব্যক্তির সঙ্গে প্রতারণা ও জালিয়াতির মাধ্যমে ৭ কোটি ৯০ লাখ ৩৭ হাজার ৬৭০ টাকা আত্মসাৎ করেন মো. সাহেদ ওরফে সাহেদ করিম। এর বাইরে কোভিড পরীক্ষার জাল সনদ সরবরাহ করে আরও ৩ কোটি ১১ লাখ ৯০ হাজার ২২৭ টাকা আত্মসাৎ করেন তিনি। সব মিলিয়ে তিন বছরে তার প্রতারণালব্ধ অর্থের পরিমাণ ১১ কোটি ২ লাখ ২৭ হাজার ৮৯৭ টাকা। এর মধ্যে ৮ কোটি ৯৯ লাখ ২৭ হাজার ৮৯৭ টাকা তিনি ভোগবিলাসে খরচ করেছেন।
মামলা সূত্রে জানা যায়, সাহেদের বিরুদ্ধে করোনার ভুয়া রিপোর্ট সরবরাহ, বিভিন্ন ব্যক্তির সঙ্গে প্রতারণা ও জালিয়াতি করে ১১ কোটি ২ লাখ ২৭ হাজার টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগের প্রমাণ পেয়েছে সিআইডি। এর প্রেক্ষিতে ২০২০ সালের ২৫ আগস্ট রাজধানীর উত্তরা পশ্চিম থানার সিআইডি মামলা দায়ের করেন।
উল্লেখ্য, সাহেদ করিমের বিরুদ্ধে ৩২টি মামলা রয়েছে। এর মধ্যে অস্ত্র আইনের মামলায় তার যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

আপলোডকারীর তথ্য

নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে যুদ্ধ বিরতি চুক্তিতে বাধা দেয়ার অভিযোগ

মানি লন্ডারিং মামলায় সাহেদের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল

আপডেট সময় : ১০:০৯:৫৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৩

রিজেন্ট গ্রুপের চেয়ারম্যান মো. সাহেদ ওরফে সাহেদ করিমের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। রাজধানীর উত্তরা পশ্চিম থানায় মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে দায়ের করা মামলায় এ অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সিআইডির ফাইন্যান্সিয়াল ক্রাইমের পরিদর্শক মো. মনিরুজ্জামান এ অভিযোগপত্র দাখিল করেন।
আদালতের উত্তরা পশ্চিম থানার সাধারণ নিবন্ধন কর্মকর্তা উপপরিদর্শক লিয়াকত আলী বিষয়টি সাংবাদিকদের নিশ্চিত করেছেন।
জানা গেছে, ২০১৭ থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত বিভিন্ন ব্যক্তির সঙ্গে প্রতারণা ও জালিয়াতির মাধ্যমে ৭ কোটি ৯০ লাখ ৩৭ হাজার ৬৭০ টাকা আত্মসাৎ করেন মো. সাহেদ ওরফে সাহেদ করিম। এর বাইরে কোভিড পরীক্ষার জাল সনদ সরবরাহ করে আরও ৩ কোটি ১১ লাখ ৯০ হাজার ২২৭ টাকা আত্মসাৎ করেন তিনি। সব মিলিয়ে তিন বছরে তার প্রতারণালব্ধ অর্থের পরিমাণ ১১ কোটি ২ লাখ ২৭ হাজার ৮৯৭ টাকা। এর মধ্যে ৮ কোটি ৯৯ লাখ ২৭ হাজার ৮৯৭ টাকা তিনি ভোগবিলাসে খরচ করেছেন।
মামলা সূত্রে জানা যায়, সাহেদের বিরুদ্ধে করোনার ভুয়া রিপোর্ট সরবরাহ, বিভিন্ন ব্যক্তির সঙ্গে প্রতারণা ও জালিয়াতি করে ১১ কোটি ২ লাখ ২৭ হাজার টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগের প্রমাণ পেয়েছে সিআইডি। এর প্রেক্ষিতে ২০২০ সালের ২৫ আগস্ট রাজধানীর উত্তরা পশ্চিম থানার সিআইডি মামলা দায়ের করেন।
উল্লেখ্য, সাহেদ করিমের বিরুদ্ধে ৩২টি মামলা রয়েছে। এর মধ্যে অস্ত্র আইনের মামলায় তার যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।