ঢাকা ০২:১৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ মে ২০২৪, ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

অপ্রয়োজনীয় ও মিথ্যা তথ্য দিয়ে ৯৯৯-এ অর্ধেকেরও বেশি কল

জাতীয় সেবা ৯৯৯- অপ্রয়োজনীয় ও মিথ্যা তথ্য দিয়ে মোট কলের অর্ধেকেরও বেশি কল করা হয়েছে। বিগত ২০১৭ সালের ডিসেম্বরে জাতীয় এই সেবাটি চালুর পর থেকে জনগণের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে এবং মানুষের আস্থা অর্জন করেছে। কিন্তু ৯৯৯-এ অনেকেই অপ্রয়োজনে ফোন করছে। অপ্রয়োজনীয় ও মিথ্যা তথ্য দিয়ে ৯৯৯-এ কলের সংখ্যা মোট কলের অর্ধেকেরও বেশি ছিল। এমন পরিস্থিতিতে অপ্রয়োজনীয়, মিথ্যা বা বিরক্তিকর কল এড়াতে অটোকলার সিস্টেম চালু করা হচ্ছে। গত পাঁচ বছরে ৯৯৯-এ ২ কোটি ৫৭ লাখ ৮৮ হাজার ৯৩৯টি অপ্রয়োজনীয় কল এসেছে। যা মোট কলের ৫৮ দশমিক ৮০ শতাংশ। তার মধ্যে বিরক্তিকর কল ছিল ২৩ লাখ ১১ হাজার ৯৬৫টি। শুরু থেকে এখন পর্যন্ত ৯৯৯-এ সরাসরি সমাধান যোগ্য কলের মধ্যে ৮ লাখ ৯৮ হাজার ৩৫টি পুলিশ সার্ভিস, এক লাখ ২৭ হাজার ১৭১টি ফায়ার সার্ভিস এবং এক লাখ ১২ হাজার ৫৭৬টি অ্যাম্বুলেন্স সার্ভিস দেয়া হয়েছে। ২০১৭ সালের ১২ ডিসেম্বর সেবাটি চালুর পর থেকে চলতি বছরের ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত সেবা চেয়ে ৪ কোটি ৩৮ লাখ ৫৫ হাজার ৫৬১টি কল এসেছে। তার মধ্যে ১১ লাখ ৩৭ হাজার ৭৮২টি কল সরাসরি সমাধানযোগ্য ছিল। ওসব কলের বিপরীতে ৭৮ দশমিক ৯৩ শতাংশ পুলিশি সেবা, ১১ দশমিক ১৮ শতাংশ ফায়ার সার্ভিস সেবা এবং ৯ দশমিক ৮৯ শতাংশ অ্যাম্বুলেন্স সেবা দেয়া হয়েছে। মোট এক কোটি ৮০ লাখ ৬৬ হাজার ৬২২টির কলারকে সার্ভিস দেয়া হয়েছে। যা মোট কলের ৪১ দশমিক ২০ শতাংশ। পুলিশ বিভাগ সংশ্লিষ্ট সূত্রে এসব তথ্য জানা যায়।
সংশ্লিষ্ট সূত্র মতে, জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করলেই পুলিশি সেবাসহ বিভিন্ন জরুরি সেবা নাগরিকের হাতের নাগালে পৌঁছে যায়। ফলে ভুক্তভোগীরা এখন থানায় গিয়ে অভিযোগ করার চেয়ে ‘৯৯৯’ এ অভিযোগ জানাতেই বেশি আগ্রহী। তবে গুরুত্বপূর্ণ এই সেবাটিতে অনেকে মজা করেও ফোন করে। আবার অনেকে মিথ্যা তথ্য দিয়েও বিভ্রান্তি করছে। ৯৯৯-এ অপ্রয়োজনীয় ও মিথ্যা তথ্য দিয়েছে এমন কলের পরিমাণ মোট কলের অর্ধেকের বেশি। গত পাঁচ বছর দুই মাসে এমন অপ্রয়োজনীয় কল এসেছে ২ কোটি ৫৭ লাখ ৮৮ হাজার ৯৩৯টি; যা মোট কলের ৫৮ দশমিক ৮০ শতাংশ। ওসব কলের মধ্যে ২৩ লাখ ১১ হাজার ৯৬৫টি কলকে বিরক্তিকর হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
সূত্র জানায়, ৯৯৯-এ বিরক্তিকর কল এড়াতে যুক্ত হচ্ছে ‘অটোকলার’। অপ্রয়োজনে ও মজা করার জন্য যেসব কল আসে, সেগুলোকে এই ধরনের কল হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। অটোকলার যুক্ত হলে গ্রাহক ৯৯৯-এ ফোন করলেই তার লোকেশন ও পরিচিতি স্বয়ংক্রিয়ভাবেই কর্তৃপক্ষের কাছে চলে আসবে। ৯৯৯ শুধু গ্রাহকের সমস্যা শুনবে এবং দ্রুত সেবা দেয়ার চেষ্টা করবে। আর অটোকলার যুক্ত হওয়ায় বিরক্তিকর কল কমে যাবে। কারণ কেউ ৯৯৯-এ বিরক্তিকর কল দিলেই তার বিরুদ্ধে টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ আইনে ব্যবস্থা নেয়া হবে। সেক্ষেত্রে বিরক্তিকর কলারের ছয় মাসের জেল বা এক লাখ টাকা পর্যন্ত জরিমানা হতে পারে। এমনকি মোবাইল কোর্টের মাধ্যমেও বিচার করা হতে পারে। মূলত সত্যিকারের বিপদগ্রস্তদের দ্রুত সেবা দেয়ার লক্ষ্যে অটোকলার চালু করা হচ্ছে।
সূত্র আরো জানায়, চালুর পর থেকে ৯৯৯-এ অপ্রয়োজনীয় কলের সংখ্যা বেশি ছিল। তবে এখন তা অনেক কমে আসছে। জনগণের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি পেয়েছে। ৯৯৯-এর কর্মী বাহিনী দিনরাত ২৪ ঘণ্টা জনগণকে নির্বিঘ্নে সার্ভিস দিয়ে যাচ্ছে। দেশের সব মহানগর এলাকায় মোবাইল ডাটা টার্মিনাল (এমডিটি) ও থানা ডেসপাস সিস্টেম (টিডিএস) চালু করার ফলে সেবাটি আরো সহজ হয়েছে। বিগত ২০২১ সালের ১ জুলাই বিরক্ত করার কলের জন্য দণ্ডের বিধান রেখে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ আইন ২০০১ এর ধারা ৭০ (১) সংশোধন করা হয়। ওই আইনে ‘যুক্তিসঙ্গত’ কারণ ছাড়া কল দিলে এক লাখ টাকা জরিমানা এবং অনাদায়ে ছয় মাসের কারাদণ্ড হতে পারে। এমনকি মোবাইল কোর্টের মাধ্যমেও বিরক্তিকর কলারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া যাবে। বিরক্তিকর কল কমে গেলে সময় বাঁচার পাশাপাশি ভুক্তভোগী গ্রাহকদের দ্রুত সেবা দেয়া সম্ভব হবে। ৯৯৯ সেবা বর্তমানে একসঙ্গে ৮০টি কল রিসিভ করতে পারে। প্রতিদিন গড়ে ২২ হাজার কল আসছে। তার মধ্যে সার্ভিসযোগ্য কল আসছে ৪১ শতাংশ। ৯৯৯-এ একজন অতিরিক্ত ডিআইজির নেতৃত্বে ৪৩০ জন কর্মী জনগণের সেবায় কাজ করছেন। ন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন মনিটরিং সেন্টারের সঙ্গে সমন্বয় করে ৯৯৯-কে অটোমেশন করা হচ্ছে। সেটি চালু হলে সময় কমে যাবে এবং দ্রুত সার্ভিস দেয়া যাবে। মূলত রেন্সপন্স টাইম যত কম লাগবে, ততই দ্রুত জনগণকে সেবা দেয়া যাবে। ট্রিপল নাইনের মূল লক্ষ্য জনগণকে অল্প সময়ের মধ্যে সর্বোচ্চ সেবা দেয়া।
এদিকে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এর প্রধান অতিরিক্ত ডিআইজি মোহাম্মদ তবারক উল্লাহ জানান, ৯৯৯-এ মানুষের আস্থা বাড়ছে। বাড়ছে সেবার মানও। ট্রিপল নাইনে কল করার সঙ্গে সঙ্গে মিলছে পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস ও অ্যাম্বুলেন্স সেবাসহ বিভিন্ন সেবা। কল পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে দ্রুত সেবাটি নিশ্চিত করতে চেষ্টা করা হয়। ৯৯৯-এর প্রতি জনগণের আস্থা বেড়েই চলছে। জনগণ যখনই বিপদে পড়ে তখনই ৯৯৯-এ ফোন দিচ্ছে। তবে কিছু অনাকাক্সিক্ষত কলও পাওয়া যাচ্ছে। তাতে ভুক্তভোগীদের সেবা বিঘ্নিত হচ্ছে। এজন্য অপ্রয়োজনীয়, মিথ্যা বা বিরক্তিকর কল এড়াতে অটোকলার সিস্টেম চালু করা হচ্ছে। এতে সত্যিকারের ভুক্তভোগীদের আরও দ্রুত সেবা দেয়া সম্ভব হবে।

আপলোডকারীর তথ্য

নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে যুদ্ধ বিরতি চুক্তিতে বাধা দেয়ার অভিযোগ

অপ্রয়োজনীয় ও মিথ্যা তথ্য দিয়ে ৯৯৯-এ অর্ধেকেরও বেশি কল

আপডেট সময় : ১১:৪৩:৫৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৩

জাতীয় সেবা ৯৯৯- অপ্রয়োজনীয় ও মিথ্যা তথ্য দিয়ে মোট কলের অর্ধেকেরও বেশি কল করা হয়েছে। বিগত ২০১৭ সালের ডিসেম্বরে জাতীয় এই সেবাটি চালুর পর থেকে জনগণের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে এবং মানুষের আস্থা অর্জন করেছে। কিন্তু ৯৯৯-এ অনেকেই অপ্রয়োজনে ফোন করছে। অপ্রয়োজনীয় ও মিথ্যা তথ্য দিয়ে ৯৯৯-এ কলের সংখ্যা মোট কলের অর্ধেকেরও বেশি ছিল। এমন পরিস্থিতিতে অপ্রয়োজনীয়, মিথ্যা বা বিরক্তিকর কল এড়াতে অটোকলার সিস্টেম চালু করা হচ্ছে। গত পাঁচ বছরে ৯৯৯-এ ২ কোটি ৫৭ লাখ ৮৮ হাজার ৯৩৯টি অপ্রয়োজনীয় কল এসেছে। যা মোট কলের ৫৮ দশমিক ৮০ শতাংশ। তার মধ্যে বিরক্তিকর কল ছিল ২৩ লাখ ১১ হাজার ৯৬৫টি। শুরু থেকে এখন পর্যন্ত ৯৯৯-এ সরাসরি সমাধান যোগ্য কলের মধ্যে ৮ লাখ ৯৮ হাজার ৩৫টি পুলিশ সার্ভিস, এক লাখ ২৭ হাজার ১৭১টি ফায়ার সার্ভিস এবং এক লাখ ১২ হাজার ৫৭৬টি অ্যাম্বুলেন্স সার্ভিস দেয়া হয়েছে। ২০১৭ সালের ১২ ডিসেম্বর সেবাটি চালুর পর থেকে চলতি বছরের ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত সেবা চেয়ে ৪ কোটি ৩৮ লাখ ৫৫ হাজার ৫৬১টি কল এসেছে। তার মধ্যে ১১ লাখ ৩৭ হাজার ৭৮২টি কল সরাসরি সমাধানযোগ্য ছিল। ওসব কলের বিপরীতে ৭৮ দশমিক ৯৩ শতাংশ পুলিশি সেবা, ১১ দশমিক ১৮ শতাংশ ফায়ার সার্ভিস সেবা এবং ৯ দশমিক ৮৯ শতাংশ অ্যাম্বুলেন্স সেবা দেয়া হয়েছে। মোট এক কোটি ৮০ লাখ ৬৬ হাজার ৬২২টির কলারকে সার্ভিস দেয়া হয়েছে। যা মোট কলের ৪১ দশমিক ২০ শতাংশ। পুলিশ বিভাগ সংশ্লিষ্ট সূত্রে এসব তথ্য জানা যায়।
সংশ্লিষ্ট সূত্র মতে, জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করলেই পুলিশি সেবাসহ বিভিন্ন জরুরি সেবা নাগরিকের হাতের নাগালে পৌঁছে যায়। ফলে ভুক্তভোগীরা এখন থানায় গিয়ে অভিযোগ করার চেয়ে ‘৯৯৯’ এ অভিযোগ জানাতেই বেশি আগ্রহী। তবে গুরুত্বপূর্ণ এই সেবাটিতে অনেকে মজা করেও ফোন করে। আবার অনেকে মিথ্যা তথ্য দিয়েও বিভ্রান্তি করছে। ৯৯৯-এ অপ্রয়োজনীয় ও মিথ্যা তথ্য দিয়েছে এমন কলের পরিমাণ মোট কলের অর্ধেকের বেশি। গত পাঁচ বছর দুই মাসে এমন অপ্রয়োজনীয় কল এসেছে ২ কোটি ৫৭ লাখ ৮৮ হাজার ৯৩৯টি; যা মোট কলের ৫৮ দশমিক ৮০ শতাংশ। ওসব কলের মধ্যে ২৩ লাখ ১১ হাজার ৯৬৫টি কলকে বিরক্তিকর হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
সূত্র জানায়, ৯৯৯-এ বিরক্তিকর কল এড়াতে যুক্ত হচ্ছে ‘অটোকলার’। অপ্রয়োজনে ও মজা করার জন্য যেসব কল আসে, সেগুলোকে এই ধরনের কল হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। অটোকলার যুক্ত হলে গ্রাহক ৯৯৯-এ ফোন করলেই তার লোকেশন ও পরিচিতি স্বয়ংক্রিয়ভাবেই কর্তৃপক্ষের কাছে চলে আসবে। ৯৯৯ শুধু গ্রাহকের সমস্যা শুনবে এবং দ্রুত সেবা দেয়ার চেষ্টা করবে। আর অটোকলার যুক্ত হওয়ায় বিরক্তিকর কল কমে যাবে। কারণ কেউ ৯৯৯-এ বিরক্তিকর কল দিলেই তার বিরুদ্ধে টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ আইনে ব্যবস্থা নেয়া হবে। সেক্ষেত্রে বিরক্তিকর কলারের ছয় মাসের জেল বা এক লাখ টাকা পর্যন্ত জরিমানা হতে পারে। এমনকি মোবাইল কোর্টের মাধ্যমেও বিচার করা হতে পারে। মূলত সত্যিকারের বিপদগ্রস্তদের দ্রুত সেবা দেয়ার লক্ষ্যে অটোকলার চালু করা হচ্ছে।
সূত্র আরো জানায়, চালুর পর থেকে ৯৯৯-এ অপ্রয়োজনীয় কলের সংখ্যা বেশি ছিল। তবে এখন তা অনেক কমে আসছে। জনগণের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি পেয়েছে। ৯৯৯-এর কর্মী বাহিনী দিনরাত ২৪ ঘণ্টা জনগণকে নির্বিঘ্নে সার্ভিস দিয়ে যাচ্ছে। দেশের সব মহানগর এলাকায় মোবাইল ডাটা টার্মিনাল (এমডিটি) ও থানা ডেসপাস সিস্টেম (টিডিএস) চালু করার ফলে সেবাটি আরো সহজ হয়েছে। বিগত ২০২১ সালের ১ জুলাই বিরক্ত করার কলের জন্য দণ্ডের বিধান রেখে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ আইন ২০০১ এর ধারা ৭০ (১) সংশোধন করা হয়। ওই আইনে ‘যুক্তিসঙ্গত’ কারণ ছাড়া কল দিলে এক লাখ টাকা জরিমানা এবং অনাদায়ে ছয় মাসের কারাদণ্ড হতে পারে। এমনকি মোবাইল কোর্টের মাধ্যমেও বিরক্তিকর কলারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া যাবে। বিরক্তিকর কল কমে গেলে সময় বাঁচার পাশাপাশি ভুক্তভোগী গ্রাহকদের দ্রুত সেবা দেয়া সম্ভব হবে। ৯৯৯ সেবা বর্তমানে একসঙ্গে ৮০টি কল রিসিভ করতে পারে। প্রতিদিন গড়ে ২২ হাজার কল আসছে। তার মধ্যে সার্ভিসযোগ্য কল আসছে ৪১ শতাংশ। ৯৯৯-এ একজন অতিরিক্ত ডিআইজির নেতৃত্বে ৪৩০ জন কর্মী জনগণের সেবায় কাজ করছেন। ন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন মনিটরিং সেন্টারের সঙ্গে সমন্বয় করে ৯৯৯-কে অটোমেশন করা হচ্ছে। সেটি চালু হলে সময় কমে যাবে এবং দ্রুত সার্ভিস দেয়া যাবে। মূলত রেন্সপন্স টাইম যত কম লাগবে, ততই দ্রুত জনগণকে সেবা দেয়া যাবে। ট্রিপল নাইনের মূল লক্ষ্য জনগণকে অল্প সময়ের মধ্যে সর্বোচ্চ সেবা দেয়া।
এদিকে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এর প্রধান অতিরিক্ত ডিআইজি মোহাম্মদ তবারক উল্লাহ জানান, ৯৯৯-এ মানুষের আস্থা বাড়ছে। বাড়ছে সেবার মানও। ট্রিপল নাইনে কল করার সঙ্গে সঙ্গে মিলছে পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস ও অ্যাম্বুলেন্স সেবাসহ বিভিন্ন সেবা। কল পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে দ্রুত সেবাটি নিশ্চিত করতে চেষ্টা করা হয়। ৯৯৯-এর প্রতি জনগণের আস্থা বেড়েই চলছে। জনগণ যখনই বিপদে পড়ে তখনই ৯৯৯-এ ফোন দিচ্ছে। তবে কিছু অনাকাক্সিক্ষত কলও পাওয়া যাচ্ছে। তাতে ভুক্তভোগীদের সেবা বিঘ্নিত হচ্ছে। এজন্য অপ্রয়োজনীয়, মিথ্যা বা বিরক্তিকর কল এড়াতে অটোকলার সিস্টেম চালু করা হচ্ছে। এতে সত্যিকারের ভুক্তভোগীদের আরও দ্রুত সেবা দেয়া সম্ভব হবে।