০৪:৩৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ জুলাই ২০২৪, ১০ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

শার্শায় বুধবার একটানা ৫ ঘন্টার প্রবল বর্ষণে কৃষকের শত শত বিঘার বোরো ধান নিয়ে দুশ্চিন্তা

শার্শায় বুধবার দুপুর ১২ টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত একটানা ৫ ঘন্টার প্রবল বর্ষণে বিভিন্ন এলাকার শত শত বিঘার বোরো ধান নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন কৃষকরা। ক্ষেতে কেটে রাখা পাকা ধানের সাথে কৃষকের স্বপ্ন বৃষ্টির পানিতে ভাসছে। ফলন ভালো হলেও আবহাওয়া পরিস্থিতি ও শ্রমিক সংকটের কারণে সময় মতো ঘরে তুলতে না পেরে বিপাকে পড়েন তারা। কৃষকদের ক্ষেতে কেটে রাখা পাকা ধান বৃষ্টির পানিতে ভাসছে। ফলে কাটা এবং গুছিয়ে ঘরে তোলাসহ ধান শুকানো নিয়ে কৃষকরা পড়েছেন বেকায়দা।

শার্শা উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা তরুণ কুমার বালা বলেন,

আবহাওয়া পরিস্থিতি কিছুটা খারাপ হলেও গত ৫ ঘন্টার প্রবল বর্ষণের কারণে কৃষকের ধান ঘরে তুলতে পারেননি । তাদের ধানের কিছুটা ক্ষতি হতে পারে। যত দ্রুত সম্ভব মাঠ থেকে পানি অপসারণ করে ধান সংগ্রহ করে বাড়িতে আনার তাগিদ দেন তিনি।
চলতি মৌসুমে শার্শায় ২৩ হাজার ৩শ ৫০ হেক্টর জমিতে ধান আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এ পর্যন্ত ৬০% শতাংশ বরো ধান ঘরে উঠেছে। দ্রুত যেন বাকী ধান গুলো ঘরে তোলা যায় সে বিষয়ে কৃষকদের বিভিন্ন ভাবে সাহায্য সহযোগিতা ও পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের একদিন জাতির কাছে জবাব দিতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

শার্শায় বুধবার একটানা ৫ ঘন্টার প্রবল বর্ষণে কৃষকের শত শত বিঘার বোরো ধান নিয়ে দুশ্চিন্তা

প্রকাশ : ১২:০৭:২৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৫ মে ২০২৩

শার্শায় বুধবার দুপুর ১২ টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত একটানা ৫ ঘন্টার প্রবল বর্ষণে বিভিন্ন এলাকার শত শত বিঘার বোরো ধান নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন কৃষকরা। ক্ষেতে কেটে রাখা পাকা ধানের সাথে কৃষকের স্বপ্ন বৃষ্টির পানিতে ভাসছে। ফলন ভালো হলেও আবহাওয়া পরিস্থিতি ও শ্রমিক সংকটের কারণে সময় মতো ঘরে তুলতে না পেরে বিপাকে পড়েন তারা। কৃষকদের ক্ষেতে কেটে রাখা পাকা ধান বৃষ্টির পানিতে ভাসছে। ফলে কাটা এবং গুছিয়ে ঘরে তোলাসহ ধান শুকানো নিয়ে কৃষকরা পড়েছেন বেকায়দা।

শার্শা উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা তরুণ কুমার বালা বলেন,

আবহাওয়া পরিস্থিতি কিছুটা খারাপ হলেও গত ৫ ঘন্টার প্রবল বর্ষণের কারণে কৃষকের ধান ঘরে তুলতে পারেননি । তাদের ধানের কিছুটা ক্ষতি হতে পারে। যত দ্রুত সম্ভব মাঠ থেকে পানি অপসারণ করে ধান সংগ্রহ করে বাড়িতে আনার তাগিদ দেন তিনি।
চলতি মৌসুমে শার্শায় ২৩ হাজার ৩শ ৫০ হেক্টর জমিতে ধান আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এ পর্যন্ত ৬০% শতাংশ বরো ধান ঘরে উঠেছে। দ্রুত যেন বাকী ধান গুলো ঘরে তোলা যায় সে বিষয়ে কৃষকদের বিভিন্ন ভাবে সাহায্য সহযোগিতা ও পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।